Monday, July 13, 2015

ইন্টারনেট ব্রাউজারকেই বানিয়ে ফেলুন ফটোশপ: সফটওয়্যার ছাড়াই করুন ফটোশপের কাজ

ফটোশপ ছাড়া কি ফটো এডিটিং এর কথা চিন্তা করা যায়? তবে এখন আপনি চাইলেই ফটোশপের সকল কাজ ফটোশপ দিয়ে না করে আপনের ইন্টারনেট ব্রাউজার মজিলা ফায়ারফক্স কিংবা গুগল ক্রোম দিয়েই করতে পারবেন। এতে করে আপনি যখন ইন্টারনেটে থাকবেন, তখন প্রয়োজনীয় কাজের জন্য আর ফটোশপ ওপেন করতে হবে না, ইন্টারনেটেই এডিট করতে পারবেন। এতে করে বাড়তি র‍্যাম আর
খরচ হবে না। কিংবা ফটোশপ সফটওয়্যার না থাকলেও আরামসে চলতে পারবেন। Pixlr নামের এই ওয়েবসাইটে গিয়ে আপনি সম্পুর্ণ ফটোশপের ফিলিংসেই কাজ করতে পারবেন।

এই ওয়েবসাইটকে ব্যাবহার করে কিভাবে ফটোশপের কাজ করবেন তা জানতে ভিডিও টিউটোরিয়ালটি দেখুন।

মনে করুন আপনি কারো বাসায় আছেন, যে বাসায় ফটোশপ নেই। এখন ছবিতে এডিটিংয়ের মাধ্যমে যে কাজগুলো করতে চাচ্ছেন তা এমন আহামরি কিছুও নয়... হয়তো ক্রপ করা... একটু টেক্সট অ্যাড করা বা নিতান্তই কালার অ্যাডজাস্ট... এমন সমস্যা চিরায়ত। অনেকে অনেক সফটওয়্যারের নাম হয়তো বলবেন... কিন্তু আমি বলি কি... সফটওয়্যারের কি দরকার? আসুন না কোন একটা ওয়েবসাইট দেখি। Pixlr - ঠিক এমন কাজের জন্যই যেন এর জন্ম হয়েছিলো। ফ্ল্যাশ বেইজড একটা অনলাইন ছবি এডিট করার সফটওয়্যার।

Pixlr এর সবচেয়ে ভালো দিক হলো ফটোশপের সাথে পরিচিত যে কারোরই এতে কাজ করতে কোন সমস্যা হবে না। কারন সম্পূর্ণ ফটোশপকেই আপনি পেয়ে যাচ্ছেন। এমনকি ফটোশপের অধিকাংশ শর্টকাট এবং ইফেক্ট এতে আছে এবং কাজ করে। এটাকে তাই নিতান্তই বেসিক এডিটিং টুল বললে হয়তো একটু কম বলা হবে। পিসি থেকে যেমন ছবি খুলে এডিট করতে পারবেন, আবার নেটে থাকা কোন ছবির লিংক দিয়ে দিলেও হবে। এটা ফটোশপের PSD ফাইলও ওপেন করতে পারে।

বিঃদ্রঃ এটা যেহেতে ফ্ল্যাশ বেইজড একটা অনলাইন ছবি এডিট করার সফটওয়্যার, সেহেতু যদি কারো ফ্ল্যাশ প্লেয়ার না থাকে তাহলে কিন্তু কাজ করতে পারবেন না।

Have you any problem? Feel free to ask. Have you any feedback? please let me know. Ultimately comment below...

Friday, June 19, 2015

ইউটিউব চ্যানেলের জন্য প্রফেশনাল ট্রেইলার তৈরির ৬ টি সেরা টিপস

সব্বার মত আমিও প্রথমেই বলে নেই, আমিও আপনাদের মত বাংলাদেশ থেকে ইউটিউব ব্যবহার করি। যাদের ইউটিউব চ্যানেল আছে, কিন্তু যথেষ্ট সাড়া পান না, তাদের এই সাড়া না পাওয়ার কারন হল আপনের চ্যানেলে ক্রিয়েটিভ চ্যানেল ট্রেইলার এর অভাব। নতুন ভিজিটরদের চ্যানেলে আকর্ষন বাড়ানোর জন্য সেরা চ্যানেল ট্রেইলারের কোন
বিকল্প নেই। আপনের ইউটিউব চ্যানেলের সাবস্ক্রাইব অনেকাংশেই চ্যানেল ট্রেইলারের উপর নির্ভর করে। ট্রেইলারটি সেরা হলে আপনের সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা নিশ্চিত বাড়বে। তাই জেনে নিন সেরা ইউটিউব চ্যানেল ট্রেইলার তৈরির কিছু টিপস অ্যান্ড ট্রিকসঃ

১। আপনের চ্যানেলটি যে কাজে ব্যাবহার করবেন, সেই কাজের সাথে মিল রেখে ট্রেইলার তৈরি করবেন। উদাহরণ সরুপ এই চ্যানেলের এই ট্রেইলারটি দেখে নিতে পারেন। এতে অভিজ্ঞতা
বাড়বে।
২। চ্যানেল ট্রেইলারটি যেন ১ মিনিটের বেশি বা ৩০ সেকেন্ডের কম না হয়, ১ মিনিটের বেশি বা ৩০ সেকেন্ডের কম হলে ভিজিটর বিরক্ত হবে। তাই সাবধান।
৩। চ্যানেল ট্রেইলারের ভিডিও এর কোয়ালিটি যেন অবশ্যই ফুল HD হতে হবে। (১২৮০.৭২০ অথবা ১৯২০.১০৮০ হতে হবে) আপনি যে প্রফেশনাল এডিটর সেটা ট্রেইলারে আপনাকে প্রমান করতে হবে।
৫। আপনি চ্যানেলটিকে যে কাজে ব্যাবহার করবেন সেই কাজের সংক্ষিপ্ত বিবরণ ট্রেইলারে থাকতে হবে।
৬। ট্রেইলারে মূলত টেকস্ট বেশি ইউজ করলে ভাল হয়। আর টেক্সটের ক্ষেত্রে দুটির বেশি ফন্ট মোটেও ব্যাবহার করবেন না।

সবশেষে যে কথাটি বলব সেটা হলঃ আপনি যে সৃজনশীল রুচির ব্যাক্তি সেটা আপনের চ্যানেলে আপনাকে প্রমান করতে হবে।

আবারো বলছি, এই চ্যানেলের এই ট্রেইলারটি দেখে নিতে পারেন। এতে আপনের অভিজ্ঞতা বাড়বে।




Have you any problem? Feel free to ask. Have you any feedback? please let me know. Ultimately comment below...