আপনি যদি অ্যানড্রয়েড ফোনের ES File Explorer সম্পর্কেও না জেনে থাকেন তাহলে তাহলে দু'লাইন বলে নিই পোস্টের শুরুতে। ES File Explorer এমন একটি ফাইল এক্সপ্লোরার অ্যাপ যেটি দিয়ে আপনি আপনার ফোনের স্টোরেজে থাকা ফাইলগুলোকে ফিল্টার করে দেখতে পারবেন। কি বুঝলেন না তো? তাহলে আরেকটু ইজি করে দিচ্ছি তা হলঃ মনে করুন আপনি আপনার ফোনের মেমোরি কার্ডের বিভিন্ন ফোল্ডারের বিভিন্ন স্থানে ভিডিও ফাইল রেখেছেন। এখন ধরুণ আমি আপনাকে বললাম, "বলেন তো আপনার ফোনে কতগুলো ভিডিও ফাইল আছে?"
আপনি নিশ্চয় হুট করে বলতে পারবেন না তাইনা? নিশ্চয় আপনাকে প্রত্যেক ফোল্ডারে গিয়ে খোঁজ নিয়ে নিয়ে দেখতে হবে যে কতগুলো ভিডিও কোন ফোল্ডারে আছে। তারপর হিসেব করে বলতে পারবেন যে আপনার ফোনে কতগুলো ভিডিও আছে। কেমন হয় যদি এই ঝামেলা থেকে মুক্তি দিয়ে কোন অ্যাপ এসে হাজির হয়? শুধু কি তাই? সাথে একই সাথে দেখতেও পাবেন ও প্লে করতেও পারবেন? শুধু কি ভিডিও ফাইল? মোটেও না। সব ফাইলই একত্রে ফিল্টার করে দেখতে পারবেন।
এতক্ষণ তো ফোনের কথা বললাম। যদিও আজকের টিউনের বিষয় সেটি নয়। আজ আপনার বলতে যাচ্ছি এমন একটি উইন্ডোজ অ্যাপের কথা। যেটি দিয়ে শুধু যে ফিল্টার করে দেখতে পারবেন শুধু তাই না। ডুপ্লিকেট ফাইল গুলোকে এক নিমেষে বের করে চাইলে ডিলিটও করতে পারেন। তাহলে চলুন শুরু করা যাক। :lol:
DiskBoss
DiskBoss: হল উইন্ডোজের জন্য অ্যানড্রয়েড ফোনের ES File Explorer অ্যাপের মত যা আগেই বলে ফেলেছি অলরেডি। তবে এতে আরো কিছু অ্যাডভান্স ফিচার রয়েছে। যেমন ধরুন। ইমেজ ফিল্টার করে বিভিন্ন ফোল্ডারের ইমেজগুলোকে যে শুধু একত্রিত করতে পারবেন তাইই না। ইমেজেরও বিভিন্ন ফিল্টার করতে পারবেন। যেমন jpeg, png, gif, bitmap ইত্যাদি। সফটওয়্যার টুলটি মাত্র ৭ মেগাবাইট।
ডাউনলোড করা হয়ে গেলে জলদি ইনস্টল করে ওপেন করুন। তাহলে নিচের মত আসবে। এবার পছন্দমত সেটিংস টিক দিয়ে সেভ করে নিন। আমি আমার ইচ্ছেমত সেটিংস টিক দিয়ে নেক্সট করছি।
এই যে নিচে দেখতে পাচ্ছেন। এটিই হল উক্ত সফটওয়্যারে ইউজার ইন্টারফেস। তো চলুন কিছু কাজ করি এখন। কি করা যায় বলেন তো? কিছু মাথায় আসলো? থাক আপনাকে ভাবতে হবে না। আমিই কিছু করে দেখাই :-P
ইমেজ ফিল্টার
নিচের এই অ্যানিমেশন চিত্রে দেখতে পাচ্ছেন কিভাবে একটি ড্রাইভের আন্ডারে থাকা বিভিন্ন ফোল্ডারের মধ্য থেকে ইমেজ ফাইলগুলোকে ফিল্টার করে খুঁজে বের করা হচ্ছে। এভাবেই বিভিন্ন ফাইল ফিল্টার করতে পারবেন। সেই সাথে বিভিন্ন ফরম্যাট অনুযায়ী ক্যাটাগরাইজও করা হচ্ছে। যেমন jpeg, png, gif, bitmap ইত্যাদি।
ভিডিও ফিল্টার
দেখতে পাচ্ছেন ভিডিও ফিল্টার করে দেখানো ছাড়াও আরো দেখানো হচ্ছে ক্যাটাগরিজ ভিউ। দেখতে পাচ্ছেন কোন ফরম্যাটের ভিডিও কেমন জায়গা দখল করে রেখেছে।
ডিলিট ডুপলিকেট ফাইল
এটির সাহায্যে আপনার হার্ডডিস্কের বিভিন্ন স্থানে লুকিয়ে থাকা সমস্ত ডুপলিকেট ফাইলগুলোকে খুঁজে বের করতে পারবেন। যেমনটা আমি নিচের চিত্রে দেখালাম।
এখন চাইলে সমস্ত ডুপলিকেট ফাইল গুলোকে রাইট বাটনে ক্লিক করে ডিলিট করে দিতে পারেন। :mrgreen:
উপরোক্ত যে কোন অংশ বুঝতে কিংবা কাজ করতে গিয়ে যদি কোন প্রবলেম ফেস করেন তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করতে ভুলবেন না যেন। তো পরিশেষে কেমন লাগল আজকের পোস্টটি? যদি পোস্টটি ভাল লেগে থাকলে শেয়ার করুন আপনার বন্ধুদের সাথে। 🙂
আচ্ছা কল্পনা করুন তো এখন পর্যন্ত আপনি কতবার উইন্ডোজ ইনস্টল করেছেন আপনার ল্যাপটপে বা ডেস্কটপে কিংবা অন্য কারো ল্যাপটপে বা ডেস্কটপে? নিশ্চয় অনেকবার তাই না? আচ্ছা এবার বলুন তো আপনি কি সখে সখে বারংবার উইন্ডোজ ইনস্টল করেছেন? নিশ্চয় না, তাই না? তাহলে কি কি কারণে আপনি নতুন করে উইন্ডোজ ইনস্টল করেছেন তার সাম্ভাব্য কিছু আমি নিজেই বলছি,
ভাইরাসের আক্রমণ
হার্ডওয়ার ফেইলুর জনিত কারণ
কম্পিউটার স্লো হয়ে যাওয়া
মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে ক্রমান্বয়ে নিষ্ক্রিয়তা
উক্ত সমস্ত কারণ ছাড়াও আরো নানান কারণেই আমরা সাধারণত নতুন করে উইন্ডোজ ইনস্টল করে থাকি। চিন্তা করুন তো একটা সাজানো গোছানো উইন্ডোজ পিসিতে নতুন করে উইন্ডোজ দিয়ে সেটাকে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে কত বেগ পেতে হয়? নিশ্চয় অস্থির হয়ে পড়েন তাই না? 🙁
হ্যাঁ ভাই আমারো সেইম কন্ডিশন হয়ে যায়। এ থেকে বাঁচার জন্য আমরা অনেকেই সম্পূর্ণ ফাইল ব্যাকাপ নিয়ে তারপর উইন্ডোজ ইন্সটল করে আমার সব রিস্টোর করি। কেউ কেউ আবার আগের পারফর্ম্যান্স ফিরে পেতে জাস্ট উইন্ডোজটাকে আপডেট করে নেন। কিন্তু প্রতিবার অনলাইন থেকে আপটেট করতে ইন্টারনেট প্যাকেজের ১২ টা বেজে যায় যদি সীমিত ইন্টারনেট ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন। তো এসব ঝামেলা থেকে মুক্ত হবার দিন শেষ হয়ে এসেছে। এখন আপনি চাইলেই ইন্টারনেট কানেকশন ছাড়াই সম্পূর্ণ অফলাইনে আপডেট করতে পারবেন যে কোন উইন্ডোজ সেটা এক্সপি, ৭, ৮ কিংবা উইন্ডোজ ১০ যাইহোক না কেন।
তাহলে আর দেরি কেন? চলুন শুরু করা যাক। তার আগে জেনে নিন উইন্ডোজের কোন কোন ভার্সনগুলোকে আপডেট করতে পারবেন এই সিস্টেমে।
Windows 10;
Windows 8.1;
Windows Server 2012;
Windows Server 2012 R2;
Windows 8;
Windows 7;
Windows Server 2008 R2;
Windows Server 2008;
Windows Embedded POSReady 2009;
Windows Xp Sp3;
Windows Vista;
Windows Server 2003;
Windows 2000 Sp4;
এটি একটি পোর্টেবল আপডেট সিস্টেম। অর্থ্যাৎ ধরুন আপনার পিসিতে উইন্ডোজ ৭ ইনস্টল করা আছে বর্তমানে। এখন যদি ৭ এর পোর্টেবল আপডেটার অফলাইন ভার্সনটি অন্য কারো কাছে থেকে থাকে তাহলে সেটি আপনি আপনার পিসিতে নিয়ে ইনস্টল করতে পারবেন। কিংবা আপনি ফাইলটি একবার ডাউনলোড করে রেখে দিয়ে বার বার ইউজ করতে পারবেন। আপডেটার টুলটি ডাউনলোড করতে নিচের ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করুন। মাত্র কয়েক কিলোবাইট। 😛
ডাউনলোড করা হয়ে গেলে। এক্সট্রাক্ট করে ওপেন করুন। তাহলে নিচের ইমেজের মত আসবে।
সবগুলো ফাইলের পাশে ঠিক চিহ্ন দিয়ে (বিশেষ করে লাল ও নীল কালার যুক্ত ফাইল) পাশের স্টার্ট বাটনে ক্লিক করুন তাহলে ডাউনলোড শুরু হয়ে যাবে। ডাউনলোড হয়ে গেলে আপনার কাজ শেষ আর কিছুই করতে হবে না। এখন আপনি যে কম্পিউটারকে আপডেট করতে চান ডাউনলোডেড ফাইলটি সে কম্পিউটারে নিয়ে গিয়ে ওপেন করুন। তাহলে নিচের মত আসবে।
এখন ইনস্টল ট্যাবে এসে সব গুলো ফাইলে টিক চিহ্ন দিয়ে পাশের স্টার্ট বাটনে ক্লিক করুন। তাহলেই আপনার টার্গেট কম্পিউটারটি আপডেট হয়ে যাবে। এই আপডেটের একটা খারাপ গুণ আছে আর তা হল আপনি যে উইন্ডোজ ব্যবহার করছেন শুধুমাত্র ঐ উইন্ডোজকেই আপডেট করবে। অর্থ্যাৎ আপনি যদি উইন্ডোজ ৭ ইউজ করে থাকেন তাহলে সেভেনই আপডেট হবে। এটি সেভেন থেকে ১০ হয়ে যাবে না। যে উইন্ডোজ আপডেট করবেন সেটি অবশ্যই আগে থেকে ইনস্টল করা থাকতে হবে। পোর্টেবল এই সফটওয়্যারটির বিশেষ একটি ভাল দিক হল এটি দিয়ে যে কারো পিসিই আপডেট করা যাবে। 😆
পরিশেষে পোস্টটির কোন অংশ বুঝতে কিংবা আপনার উইন্ডোজ আপডেট করতে গিয়ে যদি কোন রকম হ্যারেজমেন্টে পড়েন তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করতে ভুলবেন না। আর পোস্টটি ভাল লেগে থাকলে শেয়ার করুন আপনার বন্ধুদের সাথে।
কম্পিউটারে সিকিউরিটি আজকের দিনে প্রধান একটা ইস্যু। তেমনি ইন্টারনেটে প্রাইভেসিও বড় একটা ইস্যু। আমরা সাধারণত সিকিউরিটি ও প্রাইভেসি সুরক্ষার দায়িত্ব অ্যাটিভাইরাস সফটওয়্যারের ওপর চাপিয়ে দিয়ে নিশ্চিন্ত থাকার ভান ধরি। ধরুন আপনি একটি অ্যান্টিভাইরাস ইউজ করেন সেটা পেইড হোক আর ফ্রি হোক কিংবা যাইহোক। সাধারণত আপনার অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যারটি প্রতি কয়েক মিনিট অন্তর অন্তর আপডেট হয়ে থাকে।
আপনি নিশ্চয় অটো আপডেট বন্ধ করে রাখবেন যদি আপনার ইন্টারনেট সীমিত হয়ে থাকে। অটো আপডেট অন রাখলে রেগুলার ইন্টারনেট ব্রাউজ করাও অনেক সময় কষ্টসাধ্য হয়ে যায় দুর্বল স্পিডের কারণে। এজন্যও হয়ত আনলিমিটেড ইন্টারনেট ইউজ করার পরেও অনেকেই অ্যান্টিভাইরাসের অটো আপডেট বন্ধ করে রাখেন। কিংবা হয়ত আপনার কোন ইন্টারনেট কানেকশনই নেই। কিন্তু এটি বন্ধ করার ফলে আপনি যে হুমকির সম্মুখীন হচ্ছেন সেটি খেয়াল করেছেন? ভাবছেন কিভাবে? তাহলে আপনি পড়তে থাকুন আমি লিখে দিচ্ছি নিচে,
ধরুন নতুন একটা ভাইরাস বাজারে আসলো যেটি আপনার কাছে থাকা অ্যান্টিভাইরাস জানে না। তাহলে নিমেষেই ঐ ভাইরাস আপনার কম্পইউটার সিস্টেমে হামলা করে বসতে পারে। আপনার সফটওয়্যারটি পেইড হলেও কিছু করা থাকবে না এক্ষেত্রে। তাহলে সুরক্ষা পাবেন কিভাবে তাইনা? সুরক্ষা পাবার উপায় হল ঐ যে অটো আপডেট অন রাখতে হবে যাতে নতুন ভাইরাস বাজারে আসলেও সেটা সনাক্ত করার টুল আপনার সফটওয়্যার ডেটাবেজে যুক্ত হয়ে যায়।
কিন্তু আপনার ইন্টারনেট কানেকশন তো সীমিত কিংবা অটো আপডেট অন রাখলে আপনার রেগুলার কাজ করতে প্রবলেম হয়। তাহলে এখন কি করবেন? দুঃচিন্তা করবেন না প্লিজ। উপায় একটা আছে। আর তা হল অফলাইনেই আপডেট করে নেয়া। কি? অফলাইনে আপডেট এটাও কি সম্ভব? জ্বি ভাই এটাও সম্ভব। অধিকাংশ অ্যান্টিভাইরাস কোম্পানিই অফলাইন ভাইরাস সনাক্তকরণ ডেটাবেজ প্রভাইড করে থাকে যেটা অন্য কারো পিসিতে থাকলে আপনি আপনার পিসিতে নিয়ে ম্যানুয়ালি ইন্সটল করে নিতে পারেন। তো এই পোস্টে প্রচলিত ও জনপ্রিয় কয়েকটি অ্যানটিভাইরাস অফলাইনে কিভাবে আপডেট করবেন সেটা দেখানো হল;
AVG ফ্রি অ্যান্টিভাইরাস
আফলাইনে আপডেট করতে প্রথমে নিচের ছবিতে ক্লিক করে বিন ফাইল ডাউনলোড করে নিন। তারপর অ্যান্টিভাইরাস ওপেন করে অপশন মেনু থেকে আপডেট ডিরেক্টরিতে যান। তারপর রিকুয়েস্টার ডায়ালগে বিন ফাইলটি দেখিয়ে দিন। (বর্তমানে তারা শুধু ফ্রি অ্যাটিভাইরাস ডাউনলোডের অপশন রেখেছে। তাই নিচের ডাউনলোড লিংকটি ফ্রি অ্যান্টিভাইরাসের জন্য)
অ্যাভাস্ট সাধারণত প্রতি ৪ ঘন্টা পর পর অটো আপডেট নেয় তাদের ভাইরাস সনাক্তকরণ ডেটাবেজ আপ টু ডেট রাখতে। আপনি কোন ভার্সন ব্যবহার করেন সেটা দেখে কাঙ্খিত ইন্সটলারটি ডাউনলোড করে ভাইরাস ডেটাবেজ আপডেট করে নিন। এজন্য আপনার মূল অ্যান্টিভাইরাস রিইনস্টল করার দরকার হবে না। ডাউনলোড করতে নিচের ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করুন।
AVG পেইড ও ফ্রি অ্যান্টিভাইরাসের জন্য আলাদা আলাদা আপডেট টুল রয়েছে। তবে অফলাইনে ইন্সটল করার সিস্টেম একই। আফলাইনে আপডেট করতে প্রথমে নিচের ছবিতে ক্লিক করে বিন ফাইল ডাউনলোড করে নিন। তারপর অ্যান্টিভাইরাস ওপেন করে অপশন মেনু থেকে আপডেট ডিরেক্টরিতে যান। তারপর রিকুয়েস্টার ডায়ালগে বিন ফাইলটি দেখিয়ে দিন।
অ্যাভিরাতে আপনি ভাইরাস ডেটাবেজ ডাউনলোড করতে পারবেন না। তাহলে এখন কি করবেন? থামেন! দুঃচিন্তা করতে হবে না। একটা উপায় পাওয়া গেছে তাহল প্রথমে আপনাকে Fusebundle Generator নামক একটি টুল ডাউনলোড করতে হবে (নিচের ফটোতে ক্লিক করে ডাউনলোড করে নিন)। যেটি দিয়ে আপনি ভাইরাস ডেটাবেজ ডাউনলোড করতে পারবেন। তারপর এটি Zip করে (vdf_fusebundle.zip) ইনস্টলার ফোল্ডারে পেস্ট করে দিন। ফাইলটি অ্যান্টিভাইরাসে ইমপোর্ট করার জন্য প্রোগ্রামে ঢুকে ম্যানুয়াল আপডেটে যান এরপর জিপ ফাইলটি দেখিয়ে দিন। ব্যাস।
বিট ডিফেন্ডার তাদের ভাইরাস সনাক্তকরণ ডেটাবেজ সপ্তাহে মাত্র ১ বার আপডেট করে। নিচের ফটোতে ক্লিক করে ডাউনলোড করার পর আপনি সেটআপ ইনস্টলার পাবেন যেটি ইনস্টল করলেই অ্যানটিভাইরাস আপডেট হবে। ডাউনলোড করা সময় খেয়াল রাখবেন আপনার পিসি ৩২ বিট নাকি ৬৪ বিট।
Panda অ্যান্টিভাইরাসের আপডেটের জন্য আপনার ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড লাগবে। Kasperskyও পান্ডার মতই জটিল। যা একটু অ্যাডভান্স ব্যবহারকারীদের জন্য। তাই টিউনে এটি নিয়ে আলোকপাত করা হল না। এছাড়া ESET NOD32 ও Norman অফ লাইন ডেটাবেজ সরবরাহ করে না। সুতরাং আপনি যদি নন-ইন্টারনেট ইউজারকারী কিংবা স্লো নেট বা সীমিত নেট ইউজার হয়ে থাকেন তাহলে এগুলা এড়িয়ে চলুন।
পরিশেষে পোস্টটির কোন অংশ বুঝতে কিংবা আপনার অ্যান্টিভাইরাসটি আপডেট করতে গিয়ে যদি কোন রকম হ্যারেজমেন্টে পড়েন তাহলে অবশ্যই টিউনমেন্ট করতে ভুলবেন না। আর পোস্টটি ভাল লেগে থাকলে শেয়ার করুন আপনার বন্ধুদের সাথে।
কর্টানা হল উইন্ডোজ ১০ এর জনপ্রিয় ফিচার। কর্টানাকে এখন অ্যানড্রয়েড ফোনের জন্যও পাওয়া যাচ্ছে। Cortana নিয়ে নতুন করে আর কি বলব। Android ফোনের জন্য Cortana হল এমন একটি অ্যাপ যেটি আপনের জন্য একটি ভার্চুয়াল গার্লফ্রেন্ড স্বরুপ। আর মেয়েদের জন্য কর্টানা হল বান্ধবি। অবসরে আপনি গল্প করতে পারবেন কর্টানার সাথে। তাকে যে কোন প্রশ্ন করতে পারবেন। সে অকপটেই সব উত্তর দিয়ে দেবে এদকম স্মার্ট ওয়েতে। মাঝে মাঝে সে এমন এমন উত্তর দেবে যা শুনলে আপনে টাসকি খেয়ে যাবেন। মনে রাখবেন এটি আপনের চেয়েও হাজার গুন স্মার্ট।
Everything You Can Ask to Cortana
আপনি যদি তার কাছে আবহাওয়ার খবর জানতে চান। তাহলে সে আপনাকে আবহাওয়ার খবর বলে দিবে। আপনি যদি এখনকার তাপমাত্রা কর্টানার কাছে জানতে চান, তাহলে সে সেটাও বলে দিবে। আপনি যদি তার কাছ থেকে জানতে চানতে এখন কয়টা বাজে, সে সেটাও বলে দিবে। আপনি যদি কর্টানার কাছে ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতার নাম জানতে চান, তাহলে সে মার্ক জুকারের নাম বলে দিবে।
তাকে আপনি ভালবাসা, ইমোশোন ইত্যাদি বিষয়ে প্রশ্ন করলে সে দারুন স্মার্টলি বলে দিবে। আপনি যদি কর্টানার কাছে আপনের নিজের নামটিও জানতে চান, তাহলে সে সেটাও বলে দিবে। মোট কথা হল কর্টানা হল আপনের ভার্চুয়াল গার্লফ্রেন্ড। তাকে যা খুশি তাই প্রশ্ন করতে পারবেন।
কর্টানার অ্যানড্রয়েড ভার্শন ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন। Contana Download করা হয়ে গেলে ইন্সটল করুন। তারপর আর দেরি না করে তাড়াতাড়ি ওপেন করুন। মনে রাখবেন নেট কানেক্ট দিয়ে ওপেন করতে হবে। এবার আপনের মাইক্রোসফট অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগিন করুন কর্টানার সাথে কথা বলার জন্য। মাইক্রোসফট অ্যাকাউন্ট না থাকলে সেখান থেকেই খুলে নিতে পারবেন। এটা সবাই পারবেন, তাই আর বিস্তারিত বললাম না। সব শেষে কর্টানার সাথে মজা লুটা শুরু করে দিন।
২৯-০৭-২০১৫ তারিখে আগত ইউন্ডোজ ১০ এর কথা কি শুনেছেন নাকি ব্যাবহার করাও শুরু করে দিয়েছেন? আপনি যাই করেন না কেন, আমি এখন আপনাদের এমন কিছু সুবিধা দেখাতে যাচ্ছি যা শুধু মাত্র ইউন্ডোজ ১০ এ পাবেন এছাড়া আর কোথাও পাবেন না। উইন্ডোজ ১০ এমন একটি অপারেটিং সিস্টেম যেটি কিনা রিলিজ হওয়ার পূর্বেই
রেকর্ড করে ফেলেছে। ইউন্ডোজ ১০ হল এ যাবত কালের সব চেয়ে অধিক দ্রুত গতির অপারেটিং সিস্টেম। শুধু মাত্র ইউন্ডোজ ১০ ইন্সটল বা আপডেট করলেই আপনি এমন কিছু সফটওয়্যারের কাজ দেখতে পাবেন, যেগুলো আপনাকে আর নতুন করে ইনস্টল করতে হবে না। কথা না বাড়িয়ে চলুন দেকে আসি যে ১০টি সুবিধা শুধু মাত্র ইউন্ডোজ ১০ ছাড়া অন্য কোথাও পাবেন নাঃ
Cortana'র সাথে আপনি আপনের মনের কথাগুলো শেয়ার করতে পারবেন। তাকে যে কোন প্রশ্ন করতে পারবেন, তারসাথে গল্প করতে পারবেন। এমনকি আপনি যদি আপনের পিসির ব্লুটুথ তাকে অফ করে দিতে বলেন, সে সেটাও করে দিবে।
২। স্ন্যাপ উইন্ডো (সাইড বাই সাইড)
ব্রাউজারে যেমন বিভিন্ন ট্যাব খুলে বিভিন্ন কাজ করেন, তেমন ইউন্ডোজ ১০ এও সাইড বাই সাইড ডেস্কটপে বিভিন্ন কাজ করতে পারবেন। থাকছে ইচ্চামত কাস্টমাইজ করার সুবিধাও।
৩। স্টোরেজ স্পেস অ্যানালাইসিস
এতে থাকছে অনাকাংঙ্খিত থার্ডপার্টি সফটওয়্যারের কার্যক্রম বন্ধ করার সবচেয়ে সুবিধাজনক পদ্ধতি। এবার অল্প র্যামেই করতে পারবেন অনেক কাজ।
৪। মাল্টিপল ভার্চুয়াল ডেস্কটপ
উইন্ডোজ ১০ নিয়ে এসেছে ভার্চুয়াল ডেস্কটপ যার সাহায্যে আপনি কীবোর্ড থেকে Windows key+Tab প্রেস করে ইচ্ছামত ভার্চুয়াল ডেস্কটপ ইউন্ডো খুলে একই সাথে মাল্টিপল কাজ করার সুবিধা পাবেন।
৫। নটিফিকেশন বার
যারা অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যাবহার করেন, তাদেরকে নিশ্চয় নতুন করে আর বোঝাতে হবে না যে নটিফিকেশন বার কি! যাইহোক এই জনপ্রিয় ফিচারটি মাইক্রোসফট এবার ইউন্ডোজ ১০ এ সংযুক্ত করেছে। ফলে আপনি পাচ্ছেন লাইভ নটিফিকেশন যে কোন কিছুর।
৬। ডেডিকেটেড টু ট্যাবলেট মোড
আপনি চাইলেই আপনের পিসিকে ট্যাবলেটে রুপান্তর করতে পারেন। সেজন্য আছে ডেডিকেটেড টু ট্যাবলেট মোড ফিচার। এখন ডেস্কটপেই ফিল করুন ট্যাবলেটকে। মনে রাখবেন, এটা শুধু ইউন্ডোজ ১০ এ ই পাচ্ছেন।
৭। মাইক্রোসফট এড্জ ব্রাউজার
নতুন ইউন্ডোজ ১০ এ পাচ্ছেন নতুন ব্রাউজার মাইক্রোসফট এড্জ। আপনের ব্রাউজিং এক্সপেরিয়েন্সকে বৃদ্ধি করতে এতে আছে নানা ফিচার। স্ন্যাপ শর্টেই পাবেন ইডিটিং এর ছোয়া। আর কি লাগে তাই না?
৮। স্টার্ট মেনুতে কিংবা টাস্ক বারে রিসাইকেল বিন
রিসাইকেল বিনকে পিসির বাম পাশের উপরের কর্নারে রাখতে রাখতে বিরক্ত হয়ে গেছেন? এখন চাইলেই তাকে সরিয়ে স্টার্ট মেনুতে কিংবা টাস্ক বারে রাখতে পারেন। মনে রাখবেন, এই সুবিধা কেবল মাত্র ইউন্ডোজ ১০ এ ই পাওয়া যাবে।
৯। উইন্ডোজে IOS এবং অ্যানড্রয়েড
কিছুক্ষন আগে তো ট্যাবলেট, ভার্চুয়াল মোড আর নটিফিকেশন বারের কথা বলেছিলাম। এবার আস্ত অ্যানড্রয়েড ও IOSকে তুলে নিয়ে আসতে পারবেন আপনের ইউন্ডোজ ১০ এ। কি মজা না? হ্যাঁ, একের ভিতর অনেক পেয়ে যাচ্ছেন।
১০। আল্ট্রা মডার্ন স্টার্ট মেনু
উইন্ডোজ ৭ এ স্টার্টমেনুকে দেখেছেন লিস্ট ভিউ এ। আর ৮ এ দেখেছেন গ্রাফিক্যাল ভিউ এ। তবে উইন্ডোজ ১০ আপনাকে দিচ্ছে দুটোই একসাথে ব্যাবহারের দারুন সুযোগ। সাথে থাকছে অসাম কাস্টমাইজেশন সুবিধা।
এছাড়াও আরো এত্তোগুলা সুবিধা আছে যা লিখতে লাগলে আমার কীবোর্ড এর ১২ টা বেজে যাবে। মোট কথা হল উইন্ডোজ ১০ যে একবার ব্যাবহার করবেন সে আর জীবনেও অতীতের কোন ভার্শনে ফিরে যেতে চাইবেন না।
Long live Windows 10 and Windows 8.1 and everything before it is dead. This chant is what Microsoft is indirectly telling the public with its first major OS overhaul since 2012's Windows 8. Moreover, let's be clear for die-hard Windows fans the last few years have been nothing but
a battle. The general public has all but ignored Microsoft's tiled new world and slumping PC sales reflect this indifference too. Toss in the rise of mobile computing and Microsoft had to do something radical to win back its audience.
See blows video Windows 10 review with all features and backwards include full and final released
Windows 10 is supposed to be that clarion call for change. Windows 10 is not just a new OS but an entire platform that very shortly will span PCs, laptops, tablets, wearable accessories, holographic computers and even the Xbox One.
Windows 10 is an OS for all things and all people. So says Microsoft. It is never actually finished either. Microsoft is making Windows a 'service' with constant upgrades, new features, and patches resulting in a more dynamic computing environment. Does it hold up? What does someone like me who liked Windows 8.1 a lot think about all the changes?
This is my review of Windows 10.
Windows 10 might as well be just called Windows. Version numbers are a conceptual device for demarcating upgrades. It no longer applies. Sure, we still need the '10' designation for other reasons. Try doing a web search for 'Windows' and you'll drown in a sea of vagary - but Windows 10 is the beginning of Windows as a Service (WaaS).
The phrase Windows as a Service is a bit misleading. For many, the word service implies punctuated monthly or yearly financial charges akin to Netflix or even Microsoft's own Office 365. However, this is not the case here. Assuming you have a PC or laptop with a valid Windows 7 or Windows 8 license key, Windows 10 is a free upgrade that will receive free upgrades for the life of the product.
Indeed, Microsoft offers complete support for Windows 10 until October 2020, including new feature additions. Further support for security and bug fixes run even longer through October 2025.
Once you upgrade to Windows 10, it is yours forever. Granted, Microsoft is likely to release a 'Windows 11' in 2020 but in four years, the computing world is also likely to be a very different place. Even then, it is not clear what Microsoft would do as there are extreme market pressures to keep Windows free persistently.
বহুল প্রতিক্ষিত মাইক্রোসফট উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের সর্বশেষ সংস্করণ “উইন্ডোজ ১০” অবমুক্ত হলো (২৯ জুলাই ২০১৫)। প্রথম বছর উইন্ডোজ ৭ এবং ৮ ব্যবহারকারীরা এটি বিনামূল্যে আপডেট করতে পারবেন। তবে সেজন্য মাইক্রোসফটের ইমেল ঠিকানা লিখে নিবন্ধন করতে হবে। এরপর আপনার কম্পিউটার ল্যাপটপ কিংবা ডেস্কটপ বা স্মার্টফোনে ইন্টারনেটের মাধ্যমে উইন্ডোজ ১০ স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট করা যাবে (এজন্য
৩ গিগাবাইটের মত ডাউনলোড করতে হবে)। তবে চাইলে অফলাইনেও উইন্ডোজ ১০ আপডেট করা যাবে। নতুন করে ইনস্টল করলে প্রোডাক্ট কী লাগবে তবে উইন্ডোজ ৭/৮ এর উপরে আপডেট করলে প্রোডাক্ট কী লাগবে না।
প্রথমেই এক নজরে নিচের ভিডিওটিতে দেখে নিন Windows 10 review
ডাউনলোড করার পূর্বে নিচের চিত্রের বিষয়গুলা একবার খেয়াল করে নিন;
আমরা উইন্ডোজ ১০ কে আজ দুইভাবে একটিভেট করার প্রক্রিয়া দেখাবো। প্রথম প্রক্রিয়ায় থাকবে কমান্ড প্রম্পট ব্যবহার করে উইন্ডোজ ১০ একটিভেশন এবং দ্বিতীয় প্রক্রিয়ায় থাকবে মাইক্রোসফট KMS (Key Management Server) হ্যাকিং সফটওয়্যার দিয়ে একটিভেশন। আমরা যেহেতু মাইক্রোসফট KMS ব্যবহার করে উইন্ডোজ একটিভেট করবো সেহেতু উইন্ডোজ সিকিউরিটির জন্য এই KMS এর Meaning মজা করে Kill My Self বললেও বলতে পারেন। যাহোক, যে প্রক্রিয়াতেই উইন্ডোজ একটিভেট করেন না কেন আপনার প্রয়োজন হবে উইন্ডোজ ১০ এর অরিজিনাল সিরিয়াল নাম্বার। চিন্তার কিছু নেই, নিচের সারণী হতে আপনার উইন্ডোজ ১০ এর ভার্সন অনুযায়ী যার যে সিরিয়াল প্রয়োজন বেছে নিতে পারেন। Operating System Edition KMS Client Setup Key Windows 10 Professional W269N-WFGWX-YVC9B-4J6C9-T83GX Windows 10 Professional N MH37W-N47XK-V7XM9-C7227-GCQG9 Windows 10 Enterprise NPPR9-FWDCX-D2C8J-H872K-2YT43 Windows 10 Enterprise N DPH2V-TTNVB-4X9Q3-TJR4H-KHJW4 Windows 10 Education NW6C2-QMPVW-D7KKK-3GKT6-VCFB2 Windows 10 Education N 2WH4N-8QGBV-H22JP-CT43Q-MDWWJ Windows 10 Enterprise 2015 LTSB WNMTR-4C88C-JK8YV-HQ7T2-76DF9 Windows 10 Enterprise 2015 LTSB N 2F77B-TNFGY-69QQF-B8YKP-D69TJ
আপনি যদি উইন্ডোজ ১০ নতুন করে ইনস্টল দেন তাহলে উপরের দেওয়া সিরিয়াল নাম্বারগুলো ব্যবহার করে উইন্ডোজ ইনস্টল করুন। না হলে পরবর্তি একটিভেশনে ঝামেলা হতে পারে। এই সিরিয়ালগুলো দিয়েই আমরা উইন্ডোজ ১০ এর পারমানেন্ট একটিভেশন দেখাবো। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।
উইন্ডোজ ১০ – কমান্ড প্রম্পট এর সাহায্যে একটিভেশন
এই প্রক্রিয়াটা মূলত অভিজ্ঞদের জন্য কিংবা যারা অজানাকে জানতে উৎসুক তাদের জন্য। এই প্রক্রিয়ায় যেকোন ভার্সনের উইন্ডোজ ১০ একটিভেট করা যাবে। আমি আমার উইন্ডোজ ১০ প্রো ৩২ বিট ইনস্টল করে দেখাচ্ছি। আপনারা আপনাদের মতো করে একটিভেট করবেন। একটিভেশন প্রক্রিয়া স্টেপ বাই স্টেপ দেখানো হলো। আশা করি মনযোগ সহকারে দেখবেন এবং নিজে সফলভাবে করবেন।
প্রথমে স্টার্ট মেনু হতে কমান্ড প্রম্পটটি এডমিন হিসাবে রান করুন।
এবার কমান্ড প্রম্পটি নিচের মতো চিত্র দেখতে পারবেন।
এবার টিউন থেকে slmgr /ipkW269N-WFGWX-YVC9B-4J6C9-T83GX লেখাটি কপি করুন। এখানে দেখুন লাল চিহিৃত অংশটি হলো সিরিয়াল নাম্বার। আপনি যে ভার্সনটি একটিভেট করতে চান উপরের সারণী হতে সেই ভার্সনের সিরিয়াল নাম্বার এখানে বসাতে হবে। এবার কপি করা লেখাটি কমান্ড লাইনে পেস্ট করুন এবং এন্টার চাপুন। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন তাহলে নিচের মতো সাক্সেসফুল উইন্ডো আসবে।
এবার টিউন থেকে slmgr /skms kms.xspace.in লেখাটি কপি করুন এবং কমান্ড লাইনে পেস্ট করুন এবং এন্টার চাপুন। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন তাহলে নিচের মতো সাক্সেসফুল উইন্ডো আসবে।
এবার টিউন থেকে slmgr /ato লেখাটি কপি করুন এবং কমান্ড লাইনে পেস্ট করুন এবং এন্টার চাপুন। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন তাহলে নিচের চিত্রের মতো উইন্ডোজ একটিভেশন সাক্সেসফুল দেখাবে।
এতো সহজেই একটিভেশন কমপ্লিট হতে পারে এটা বিশ্বাস না হলে কম্পিউটার এর প্রোপাটিস বের করুন এবং দেখুন উইন্ডোজ একটিভেট হয়েছে। এতো দামী উইন্ডোজ সহজেই একটিভেট করে দিলাম, আমার জন্য তাহলে কী থাকছে?
এই সহজ প্রক্রিয়াটাও যদি আপনাদের বোধগম্য না হয় তাহলে আপনার জন্য রয়েছে আরও এক পদ্ধতি। এটা পানির মতো সহজ কারন এর সাথে রয়েছে বরাবরের মতো আমার দেওয়া মেডিসিন ফাইল। যেটা দিয়ে এমন কোন রোগ নেই যেটা ছাড়েনি। আজও তার ব্যতিক্রম হবে না আশা করি।
উইন্ডোজ ১০ – মেডিসিন ফাইলের সাহায্যে একটিভেশন
এবার উইন্ডোজ ১০ এর জন্য এখানে ক্লিক করে মেডিসিন ফাইলটি ডাউনলোড করে নিন। তারপর সেটাকে এডমিন হিসাবে রান করুন। নিচের চিত্রের মতো উইন্ডো দেখতে পাবেন। এবার জাস্ট একটিভেট উইন্ডোজ বাটনে ক্লিক করুন এবং কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। তাহলেই দেখবেন উইন্ডোজ একটিভেট হয়ে গেছে।
আশা করছি এই পোস্টটি যারা পড়ছেন তারা সবাই উইন্ডোজ ১০ সফলভাবে একটিভেট করতে পেরেছেন। ভবিষ্যতেও কোন প্রকার সমস্যা ছাড়ায় একটিভেট করতে পারবেন বলে আশা রাখি।
মাইক্রোসফটের প্রধান নির্বাহী সত্য নাদেলা বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘উইন্ডোজ ১০ শুধু মাইক্রোসফটেই নয় পুরো প্রযুক্তি দুনিয়াতেই নতুন যুগের সূচনা করবে।’মাইক্রোসফটের দাবি, উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেম হবে অধিক দ্রুতগতির, অধিক নিরাপদ ও সহজ। নতুন এই অপারেটিং সিস্টেমে জনপ্রিয় স্টার্ট বাটন ফিরে আসছে যা উইন্ডোজ ৮ এ সরিয়ে ফেলেছিল মাইক্রোসফট।এ ছাড়াও ফিচার হিসেবে উন্নত ডিজিটাল সহকারী 'কর্টানা', ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের বদলে মাইক্রোসট এজ নামের একটি ব্রাউজার থাকছে উইন্ডোজ ১০ এর সাথে। দীর্ঘদিন থেকে কনজিউমার বিল্ড এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের মতামত নিয়ে এর আনুষ্ঠানিক সংস্করণ ছাড়া হল।
এই প্রথম স্মার্টফোন, ট্যাবলেট আর কম্পিউটার, তিন ধরনের যন্ত্রেই সাবলীল ভাবে কাজ করবে উইন্ডোজ ১০। তিনটি গ্যাজেটের মধ্যে সংযোগকে আরও সহজ করে তুলবে।
এমন অনেক সফটওয়্যারই আছে যেগুলা ইনস্টল করার সময় কিংবা ইনস্টল করে ওপেন করার সময় This application has failed to start because WMVCore.DLL was not found এই লেখা দেখায়। এবার এটার সমাধান এখুনই করে নিন। This can happen when running Vista Business N or Windows 7 (or 8/8.1) N because the media components are not installed on that version of Vista. Please download the zip file below and install those components. It should then trigger Vista/Windows 7 to get automatic updates from Microsoft to install Windows Media Player 11.