Tuesday, July 4, 2017

ইন্টারনেট কানেকশন ছাড়াই আপডেট করুন যে কোন অ্যান্টিভাইরাস

ইন্টারনেট কানেকশন ছাড়াই আপডেট করুন যে কোন অ্যান্টিভাইরাস

কম্পিউটারে সিকিউরিটি আজকের দিনে প্রধান একটা ইস্যু। তেমনি ইন্টারনেটে প্রাইভেসিও বড় একটা ইস্যু। আমরা সাধারণত সিকিউরিটি ও প্রাইভেসি সুরক্ষার দায়িত্ব অ্যাটিভাইরাস সফটওয়্যারের ওপর চাপিয়ে দিয়ে নিশ্চিন্ত থাকার ভান ধরি। ধরুন আপনি একটি অ্যান্টিভাইরাস ইউজ করেন সেটা পেইড হোক আর ফ্রি হোক কিংবা যাইহোক। সাধারণত আপনার অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যারটি প্রতি কয়েক মিনিট অন্তর অন্তর আপডেট হয়ে থাকে।

আপনি নিশ্চয় অটো আপডেট বন্ধ করে রাখবেন যদি আপনার ইন্টারনেট সীমিত হয়ে থাকে। অটো আপডেট অন রাখলে রেগুলার ইন্টারনেট ব্রাউজ করাও অনেক সময় কষ্টসাধ্য হয়ে যায় দুর্বল স্পিডের কারণে। এজন্যও হয়ত আনলিমিটেড ইন্টারনেট ইউজ করার পরেও অনেকেই অ্যান্টিভাইরাসের অটো আপডেট বন্ধ করে রাখেন। কিংবা হয়ত আপনার কোন ইন্টারনেট কানেকশনই নেই। কিন্তু এটি বন্ধ করার ফলে আপনি যে হুমকির সম্মুখীন হচ্ছেন সেটি খেয়াল করেছেন? ভাবছেন কিভাবে? তাহলে আপনি পড়তে থাকুন আমি লিখে দিচ্ছি নিচে,
ধরুন নতুন একটা ভাইরাস বাজারে আসলো যেটি আপনার কাছে থাকা অ্যান্টিভাইরাস জানে না। তাহলে নিমেষেই ঐ ভাইরাস আপনার কম্পইউটার সিস্টেমে হামলা করে বসতে পারে। আপনার সফটওয়্যারটি পেইড হলেও কিছু করা থাকবে না এক্ষেত্রে। তাহলে সুরক্ষা পাবেন কিভাবে তাইনা? সুরক্ষা পাবার উপায় হল ঐ যে অটো আপডেট অন রাখতে হবে যাতে নতুন ভাইরাস বাজারে আসলেও সেটা সনাক্ত করার টুল আপনার সফটওয়্যার ডেটাবেজে যুক্ত হয়ে যায়।

কিন্তু আপনার ইন্টারনেট কানেকশন তো সীমিত কিংবা অটো আপডেট অন রাখলে আপনার রেগুলার কাজ করতে প্রবলেম হয়। তাহলে এখন কি করবেন? দুঃচিন্তা করবেন না প্লিজ। উপায় একটা আছে। আর তা হল অফলাইনেই আপডেট করে নেয়া। কি? অফলাইনে আপডেট এটাও কি সম্ভব? জ্বি ভাই এটাও সম্ভব। অধিকাংশ অ্যান্টিভাইরাস কোম্পানিই অফলাইন ভাইরাস সনাক্তকরণ ডেটাবেজ প্রভাইড করে থাকে যেটা অন্য কারো পিসিতে থাকলে আপনি আপনার পিসিতে নিয়ে ম্যানুয়ালি ইন্সটল করে নিতে পারেন। তো এই পোস্টে প্রচলিত ও জনপ্রিয় কয়েকটি অ্যানটিভাইরাস অফলাইনে কিভাবে আপডেট করবেন সেটা দেখানো হল;


AVG ফ্রি অ্যান্টিভাইরাস

আফলাইনে আপডেট করতে প্রথমে নিচের ছবিতে ক্লিক করে বিন ফাইল ডাউনলোড করে নিন। তারপর অ্যান্টিভাইরাস ওপেন করে অপশন মেনু থেকে আপডেট ডিরেক্টরিতে যান। তারপর রিকুয়েস্টার ডায়ালগে বিন ফাইলটি দেখিয়ে দিন। (বর্তমানে তারা শুধু ফ্রি অ্যাটিভাইরাস ডাউনলোডের অপশন রেখেছে। তাই নিচের ডাউনলোড লিংকটি ফ্রি অ্যান্টিভাইরাসের জন্য)



Avast অ্যান্টিভাইরাস

অ্যাভাস্ট সাধারণত প্রতি ৪ ঘন্টা পর পর অটো আপডেট নেয় তাদের ভাইরাস সনাক্তকরণ ডেটাবেজ আপ টু ডেট রাখতে। আপনি কোন ভার্সন ব্যবহার করেন সেটা দেখে কাঙ্খিত ইন্সটলারটি ডাউনলোড করে ভাইরাস ডেটাবেজ আপডেট করে নিন। এজন্য আপনার মূল অ্যান্টিভাইরাস রিইনস্টল করার দরকার হবে না। ডাউনলোড করতে নিচের ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করুন।

AVG পেইড অ্যান্টিভাইরাস

AVG পেইড ও ফ্রি অ্যান্টিভাইরাসের জন্য আলাদা আলাদা আপডেট টুল রয়েছে। তবে অফলাইনে ইন্সটল করার সিস্টেম একই। আফলাইনে আপডেট করতে প্রথমে নিচের ছবিতে ক্লিক করে বিন ফাইল ডাউনলোড করে নিন। তারপর অ্যান্টিভাইরাস ওপেন করে অপশন মেনু থেকে আপডেট ডিরেক্টরিতে যান। তারপর রিকুয়েস্টার ডায়ালগে বিন ফাইলটি দেখিয়ে দিন।


Avira অ্যান্টিভাইরাস

অ্যাভিরাতে আপনি ভাইরাস ডেটাবেজ ডাউনলোড করতে পারবেন না। তাহলে এখন কি করবেন? থামেন! দুঃচিন্তা করতে হবে না। একটা উপায় পাওয়া গেছে তাহল প্রথমে আপনাকে Fusebundle Generator নামক একটি টুল ডাউনলোড করতে হবে (নিচের ফটোতে ক্লিক করে ডাউনলোড করে নিন)। যেটি দিয়ে আপনি ভাইরাস ডেটাবেজ ডাউনলোড করতে পারবেন। তারপর এটি Zip করে (vdf_fusebundle.zip) ইনস্টলার ফোল্ডারে পেস্ট করে দিন। ফাইলটি অ্যান্টিভাইরাসে ইমপোর্ট করার জন্য প্রোগ্রামে ঢুকে ম্যানুয়াল আপডেটে যান এরপর জিপ ফাইলটি দেখিয়ে দিন। ব্যাস।

BitDefender অ্যান্টিভাইরাস

বিট ডিফেন্ডার তাদের ভাইরাস সনাক্তকরণ ডেটাবেজ সপ্তাহে মাত্র ১ বার আপডেট করে। নিচের ফটোতে ক্লিক করে ডাউনলোড করার পর আপনি সেটআপ ইনস্টলার পাবেন যেটি ইনস্টল করলেই অ্যানটিভাইরাস আপডেট হবে। ডাউনলোড করা সময় খেয়াল রাখবেন আপনার পিসি ৩২ বিট নাকি ৬৪ বিট।

McAfee অ্যান্টিভাইরাস

এটি আপডেট করা খুবই সহজ। জাস্ট Dat ফাইল ডাউনলোড করুন আর রান করুন। ব্যাস। ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন নিচের ফটোতে।

Panda অ্যান্টিভাইরাসের আপডেটের জন্য আপনার ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড লাগবে। Kasperskyও পান্ডার মতই জটিল। যা একটু অ্যাডভান্স ব্যবহারকারীদের জন্য। তাই টিউনে এটি নিয়ে আলোকপাত করা হল না। এছাড়া ESET NOD32 ও Norman অফ লাইন ডেটাবেজ সরবরাহ করে না। সুতরাং আপনি যদি নন-ইন্টারনেট ইউজারকারী কিংবা স্লো নেট বা সীমিত নেট ইউজার হয়ে থাকেন তাহলে এগুলা এড়িয়ে চলুন।

পরিশেষে পোস্টটির কোন অংশ বুঝতে কিংবা আপনার অ্যান্টিভাইরাসটি আপডেট করতে গিয়ে যদি কোন রকম হ্যারেজমেন্টে পড়েন তাহলে অবশ্যই টিউনমেন্ট করতে ভুলবেন না। আর পোস্টটি ভাল লেগে থাকলে শেয়ার করুন আপনার বন্ধুদের সাথে।

Saturday, April 2, 2016

জাতীয় পরিচয় পত্র অনলাইন থেকেই সংগ্রহ করতে চান?

জাতীয় পরিচয় পত্র অনলাইন থেকেই সংগ্রহ করতে চান?

শুরুতেই একটা বিষয় আগে ক্লিয়ার করে নিই তা হল আপনি যখন ভোটার হয়েছিলেন তখন আপনাকে একটি ফরম পূরণ করতে হয়েছিল এবং যখন নিজের ছবিসহ নাম ঠিকানা আপডেট করিয়েছেন তখন আপনাকে ঐ ফরমের নিচের অংশটি কেটে দেয়া হয়েছিল যেটি নিচের ইমেজে লাল মার্ক করে দেখানো হয়েছে। আপনাদের বোঝার সুবিধার্থে আমি পূর্ণ ফরমটির চিত্রই দিয়ে দিলাম।


আপনি যখন অনলাইন থেকে NID কার্ডের সফট কপি সংগ্রহ করবেন তখন উপরের xxxxxxx চিহ্নিত স্থানে যে ৮ সংখ্যার নম্বর রয়েছে সেটি লাগবে।
এখন প্রথমেই আপনাকে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েব সাইটে প্রবেশ করতে হবে। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট ভিজিট করতে এই https://services.nidw.gov.bd/votercenter লিংকে ক্লিক করুন।
এরপর নিচের মত আসবে,


উপরের পেইজের ১ম বক্সে "ফরম নম্বরে" মার্ক করে আপনার ভোটার নিবন্ধন ফরমের ঐ ৮ সংখ্যার স্লিপ নম্বর দিন। এরপর বাঁকি সব কিছু ঠিকঠাক পূরন করে "ভোটার তথ্য দেখুন" বাটনে ক্লিক করলেই নিচের চিত্রের মত তথ্য দেখতে পাবেন।


এখন উক্ত পেজ থেকে আপনার NID নম্বরটি লিখে নিন। তারপর খেয়াল করুন ঐ পেজে উপরের অংশের মেনুবারে "রেজিস্টার" লেখা আছে। সেখানে ক্লিক করুন। তাহলে নিচের মত পেজ আসবে। এবার সব কিছু ঠিকঠাক পূরণ করুন।


রেজিস্টার সফল হয়ে যাবার পর এখন লগিন করার পালা। লগিন করতে এখানে ক্লিক করুন। তাহলে নিচের মত পেইজ আসবে,


ওখানে সব তথ্য ঠিকঠাক দিন এবং ভেরিফিকেশনের জন্য মোবাইল বাছায় করুন। তারপর সামনে বাটনে ক্লিক করে মোবাইলে প্রাপ্ত কোড দিয়ে সাবমিট করুন। তাহলেই পেয়ে যাবেন আপনার কাঙ্খিত NID কার্ডের তথ্য। যেটি দেখতে নিচের মত,


এখন যদি আপনি আপনার NID কার্ডের সফট-কপি ডাউনলোড করতে চান তাহলে উপরের তীর চিহ্নিত স্থানে অর্থ্যাৎ "পরিচয় বিবরণীতে" ক্লিক করুন। তাহলেই আপনার NID কার্ডের সফট-কপি ডাউনলোড হয়ে যাবে। এখন সেটা প্রিন্ট আউট করে আপনার সিম রি-রেজিস্ট্রেশন কিংবা NID সংশ্লিষ্ট যে কোন কাজে লাগাতে পারেন।

এছাড়াও আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ লিংক

জাতীয় পরিচয় পত্র বা NID কার্ড সংশোধন সংক্রান্ত প্রশ্নোত্তর
জাতীয় পরিচয় পত্র বা NID কার্ড নিবন্ধন সংক্রান্ত প্রশ্নোত্তর
জাতীয় পরিচয় পত্র বা NID কার্ড হারিয়ে যাওয়া সংক্রান্ত প্রশ্নোত্তর
জাতীয় পরিচয়পত্র (NID কার্ড) এর ছবি ও তথ্য পরিবর্তন সংক্রান্ত এক্সক্লুসিভ টিউন
বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে রি-ভেরিফিকেশন সম্পর্কিত সাধারণ প্রশ্নোত্তর (রবির ওয়েবসাইট)

Monday, July 13, 2015

ইন্টারনেট ব্রাউজারকেই বানিয়ে ফেলুন ফটোশপ: সফটওয়্যার ছাড়াই করুন ফটোশপের কাজ

ফটোশপ ছাড়া কি ফটো এডিটিং এর কথা চিন্তা করা যায়? তবে এখন আপনি চাইলেই ফটোশপের সকল কাজ ফটোশপ দিয়ে না করে আপনের ইন্টারনেট ব্রাউজার মজিলা ফায়ারফক্স কিংবা গুগল ক্রোম দিয়েই করতে পারবেন। এতে করে আপনি যখন ইন্টারনেটে থাকবেন, তখন প্রয়োজনীয় কাজের জন্য আর ফটোশপ ওপেন করতে হবে না, ইন্টারনেটেই এডিট করতে পারবেন। এতে করে বাড়তি র‍্যাম আর
খরচ হবে না। কিংবা ফটোশপ সফটওয়্যার না থাকলেও আরামসে চলতে পারবেন। Pixlr নামের এই ওয়েবসাইটে গিয়ে আপনি সম্পুর্ণ ফটোশপের ফিলিংসেই কাজ করতে পারবেন।

এই ওয়েবসাইটকে ব্যাবহার করে কিভাবে ফটোশপের কাজ করবেন তা জানতে ভিডিও টিউটোরিয়ালটি দেখুন।

মনে করুন আপনি কারো বাসায় আছেন, যে বাসায় ফটোশপ নেই। এখন ছবিতে এডিটিংয়ের মাধ্যমে যে কাজগুলো করতে চাচ্ছেন তা এমন আহামরি কিছুও নয়... হয়তো ক্রপ করা... একটু টেক্সট অ্যাড করা বা নিতান্তই কালার অ্যাডজাস্ট... এমন সমস্যা চিরায়ত। অনেকে অনেক সফটওয়্যারের নাম হয়তো বলবেন... কিন্তু আমি বলি কি... সফটওয়্যারের কি দরকার? আসুন না কোন একটা ওয়েবসাইট দেখি। Pixlr - ঠিক এমন কাজের জন্যই যেন এর জন্ম হয়েছিলো। ফ্ল্যাশ বেইজড একটা অনলাইন ছবি এডিট করার সফটওয়্যার।

Pixlr এর সবচেয়ে ভালো দিক হলো ফটোশপের সাথে পরিচিত যে কারোরই এতে কাজ করতে কোন সমস্যা হবে না। কারন সম্পূর্ণ ফটোশপকেই আপনি পেয়ে যাচ্ছেন। এমনকি ফটোশপের অধিকাংশ শর্টকাট এবং ইফেক্ট এতে আছে এবং কাজ করে। এটাকে তাই নিতান্তই বেসিক এডিটিং টুল বললে হয়তো একটু কম বলা হবে। পিসি থেকে যেমন ছবি খুলে এডিট করতে পারবেন, আবার নেটে থাকা কোন ছবির লিংক দিয়ে দিলেও হবে। এটা ফটোশপের PSD ফাইলও ওপেন করতে পারে।

বিঃদ্রঃ এটা যেহেতে ফ্ল্যাশ বেইজড একটা অনলাইন ছবি এডিট করার সফটওয়্যার, সেহেতু যদি কারো ফ্ল্যাশ প্লেয়ার না থাকে তাহলে কিন্তু কাজ করতে পারবেন না।

Have you any problem? Feel free to ask. Have you any feedback? please let me know. Ultimately comment below...

Monday, June 8, 2015

মজিলা ফায়ার ফক্সের সেরা ৩ টি অ্যাড অনস (মেগা পোস্ট)

অ্যাড অনস নিয়ে নতুন করে কিছুই বলার নেই। তারপরেও নতুন কেউ কৌতুহলী থাকলে আমার এই (মজিলা ফায়ার ফক্সে যে ১০টি অ্যাড অনস্‌ আপনের থাকতেই হবে) পোস্টটা দেখতে পারেন, ওখানে অ্যাড অনস কি এবং বেসিক লেভেলের প্রয়োজনীয় ১০টি অ্যাড অনস নিয়ে বিস্তারিত লিখা আছে। তবে, আজ যে ৩টি অ্যাড অনস শেয়ার করতে যাচ্ছি, এগুলো একটু অ্যাডভান্স লেভেলের। অর্থ্যাৎ যারা মোটামুটি মানের শুধু ব্রাউজিং করে টাইম পাস করেন, তাদের এগুলা তেমন কোন কাজে আসবে না। কিন্তু যা একটু অ্যাডভান্স লেভেলের ব্যবহারকারী হয়েও এগুলা ব্যবহার করেন না, তাদের জন্য অনেকটা আসমানের চাঁদ হাতে পাওয়ার মত ব্যাপার। নাম দেখলেই বুঝতে পারবেন, এগুলার জন্য কত টাইম আপনাকে পাস করতে হয়। আর এগুলা ব্রাউজারে অ্যাড করে দেখবেন কত্তগুলা টাইম লসের কাজ আগে করতেন, যা এখন মাত্র এক ক্লিকেই করা সম্ভব।

১। Google Translator: গুগল ট্রান্সলেটরের কথা যদি এখন নতুন করে আপনাদের বলি, তাহলে মায়ের কাছে মাসির কথা শোনানোর মত হবে তাই আর দেরি না করে এখনই অ্যাড করে নিন।

এখন নেভিগেশন বারে অবস্থিত আইকোনে মাত্র এক ক্লিক করেই করতে পারবেন ট্রান্সলেটের কাজ। এজন্য কোন পেইজ লোড নেয়ার ঝামেলা নেই।


২। Google Drive:  যারা আমার মত বিভিন্ন কাজের জন্য ফেসবুকের মতই নিয়মিত গুগল ড্রাইভে প্রবেশ করেন, তাদের জন্য এই অ্যাড অনসটি দারুন কাজে আসবে। গুগল ড্রাইভ নিয়েও আমি আর বাড়তি কথা বলে টিউন বড় করলাম না।


গুগল ড্রাইভের ক্ষেত্রেও নেভিগেশন বারে অবস্থিত আইকোনে মাত্র এক ক্লিক করেই যেতে পারবেন গুগল ড্রাইভে। এরজন্যও কোন নতুন পেইজ লোড নেয়ার ঝামেলা নেই।


৩। Google URL shortener: সহজ কথায় বিশাল সাইজের url ছোট্ট করার জন্য Google URL shortener ব্যবহার করা হয়। যেমন ধরুন, আমার পূর্বের টিউন মজিলা ফায়ার ফক্সের ১০টি বেসিক ও প্রয়োজনীয় অ্যাড অনস এর লিংক হলঃ http://kawsertech.blogspot.com/2015/05/blog-post_46.html
এটিকে ছোট্ট করলে দেখতে এরকম হবেঃ https://goo.gl/liKrwj

এটি দুই ভাবে ব্যবহার করতে পারবেন। নেভিগেশন প্যানেলের অ্যাড্রেসবারের লিংক ছোট্ট করতে চাইলে শুধু অ্যাড অনের আইকনটিতে ক্লিক করুন, তাহলেই হয়ে যাবে। নিচের চিত্রে দেখুনঃ

আর ওয়েব পেইজের ভেতরে থাকা যে কোন লিংককে ছোট্ট করার জন্য ঐ লিংকে রাইট বাটনে ক্লিক করুন। তারপর নিচের চিত্রটি খেয়াল করে কাজ করুন, ব্যাস।
 

Thursday, April 30, 2015

মোবাইল-ফোনের ইয়ারফোনকে ব্যাবহার করুন পিসিতে হেডফোন ও মাইক্রোফোন হিসেবে

মোবাইল-ফোনের ইয়ারফোনকে ব্যাবহার করুন পিসিতে হেডফোন ও মাইক্রোফোন হিসেবে

আমাদের প্রায় সবারই পিসি আছে। কিন্তু যারা হেডফোনের প্রয়োজন অনুভব করছেন তাদের জন্যই আজকের এই বিকল্প পোস্ট। এখন আপনাদের দেখাবো কিভাবে মোবাইলের ইয়ারফোন পিসিতে মাইক্রোফোনহেডফোন
হিসেবে ব্যাবহার করবেন!! যাদের ৩.৫ জ্যাক বিশিষ্ট ইয়ারফোন আছে তাদের ইয়ারফোন এই কাজে ব্যাবহার করা যাবে। এতে বেঁচে যাবে আপনের হেডফোন কেনার বাড়তি খরচ!




index 3.5 mm jack
মোবাইলের ইয়ারফোন পিসিতে ব্যাবহার করে আপনি স্কাইপ কথোপকথোন, স্ক্রিন ভিডিও ক্যাপচার এ অডিও রেকডিং, কারো সাথে ভয়েস চ্যাটিং ইত্যাদি অনায়াসেই করতে পারবেন।
আপনি যদি স্কাইপে কথা বলার কাজে এই ইয়ারফোনকে ব্যাবহার করতে চান, তাহলে আপনের ইয়ারফোনের জ্যাকটি পিসির পেছনের মাইক্রোফোনের পোর্টে ঢুকিয়ে দিন।
image
মাইক্রোফোনের পোর্ট সাধারণত কিছুটা লাল রঙ্গের দেখতে। পিসির ক্যাচিঙ্গের পেছনে যে ৩টি পোর্ট রয়েছে তারমাঝে বামপাশের পোর্টটি মাইক্রোফোনের জন্য। পোর্টে জ্যাক ঢুকানোর পর একটি স্টার্টাপ মেনু পিসির স্ক্রিনে আসবে।
Screenshot_1
এখান থেকে মাইক্রোফোন সিলেক্ট করুন। তারপর ওকে দিন। ব্যাস।
Screenshot_2
(আপনের পিসির মাইক্রোফোনের সেটিংটা একটু কষ্ট করে চেক করে দেখুন)
ভাবছেন যার সাথে স্কাইপে কথা বলবেন তার কথা আপনি কি ইয়ারফোন দিয়েই শুনতে পাবেন?
সোজা উত্তর হচ্ছে না। যেহেতু প্রত্যেকেরই স্পিকার আছে তাই আপনি আপনের স্পিকার এই কাজের জন্য ব্যাবহার করতে পারেন। অর্থ্যাৎ ইয়ারফোন মাইক্রোফোনের কাজ করবে ও স্পিকার শোনা বা হেডফোনের কাজ করবে। ভাবছেন এটা আবার কেমন হল? আরে ভাই দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানোর চেষ্টা করুন।
আপনি যদি ইয়ারফোনকে হেডফোন হিসেবে ব্যবহার করতে চান, তাহলে আপনের ইয়াফোনের জ্যাকটিকে সিপিইউ এর পেছনের মাঝখানের (সবুজ রঙ্গের) পোর্টে ঢুকিয়ে দিন।
image
পোর্টে জ্যাক ঢুকানোর পর একটি স্টার্টাপ মেনু পিসির স্ক্রিনে আসবে।
h
এখান থেকে হেডফোন সিলেক্ট করুন। তারপর ওকে দিন। ব্যাস। এবার পিসির কোনো কিছু প্লে করুন আর ইয়ারফোনকে হেডফোন হিসেবে শোনার কাজে ব্যাবহার করুন।
বিঃদ্রঃ একটি ইয়ারফোন দিয়ে হেডফোন ও মাইক্রোফোন দুটোর কাজই চালাতে পারবেন। কিন্তু একসাথে দুটো কাজ চালাতে পারবেন না। মানে হেডফোন হিসেবে ব্যাবহার করতে চাইলে একই সাথে মাইক্রোফোন হিসেবে ব্যাবহার করতে পারবেন না  :(

Have you any problem? Feel free to ask. Have you any feedback? please let me know. Ultimately comment below...

Tuesday, April 21, 2015

ইন্টারনেট ব্যাবহার করুন আপনের ফোন থেকে আর MB কাটবে আপনের বন্ধুর ফোন থেকে

এবার আপনের ফোনে কোনো MB না থাকলেও আপনের পাশের বন্ধুর MB হ্যাক করে চালাতে পারবেন ইন্টারনেট। এটা এক্কেবারে ইজি। যে কেও পারবেন। আমরা সাধারণত ওয়াইফাই হটস্পট দিয়ে ইন্টারনেট শেয়ার করে এক ফোন থেকে অনেক ফোনে ইউজ করতে পারি। যারা এটা পারেন না তারা শিখে নিতে পারবেন এই পোস্ট থেকে। আজ দেখাবো এর খারাপ দিকটা। এবার আপনিই হয়ে যাবেন ইন্টারনেট হ্যাকার। তবে জানার জন্য শিখে রাখুন, অপরাধ করার জন্য নয়। মূলতঃ যাতে কেউ আপনের ফোন হ্যাক করে
ইন্টারনেট চালাতে না পারে সেটা শিখে রাখুন।

আপনের বন্ধুর ফোনের MB হ্যাক করতে চাইলে প্রথমে তার ফোনটি চেয়ে নিন কিংবা না বলেই নিন।
এবার নিচের স্ক্রিনশর্ট গুলো দেখে দেখে কাজ করুনঃ প্রথমে সিস্টেম সেটিংস এ প্রবেশ করুন,

এবার more এ click করুন,





এরপর tethering and portable hotspot এ ক্লিক করুন,


এরপর WiFi hotspot on করুন,

 এরপর WiFi hotspot এর উপর ক্লিক করে হটস্পটের সেটিংস এ প্রবেশ করুন,



তারপর নিচের চিত্রে দেখানো set up wlan hotspot এ ক্লিক করুন,

এরপর নিচের চিত্রের মত সেটিং করে সেভ করুন,

এবার WPS connect এ ক্লিক করে push button সিলেক্ট করে সেভ করুন,

ব্যাস আপনের কাজ শেষ। এবার সুধু আপনের বন্ধুর ফোনের নেট কানেক্ট অন করে দিন।
ডাটা কানেকশন অন করা হচ্ছে।

 এবার আপনের ফোনটি মানে যেটিতে ইন্টারনেট ইউজ করবেন সেটি হাতে নিন।
 আবার নিচের প্রক্রিয়াগুলো ফলো করুন, প্রথমে আপনের ফোনের সেটিংস এ যান,


এরপর WLAN অন করুন,

এরপর WLAN লেখার উপর ক্লিক করে তার সেটিংস এ প্রবেশ করুন,

তারপর নিচের চিত্রের মত WPS available লেখা দেখতে পাবেন,

আপনের এবারের কাজ হল নিচের WPS available এ ক্লিক করা,

তারপর কানেক্ট টু নেটওয়ার্ক এ ক্লিক করুন,


এখন কানেক্টড লেখা দেখতে পাবেন, তারমানে কাজ হয়ে গেছে।

এবার ধুমছে ব্রাউজ করা শুরু করুন। এখন আপনি ইন্টারনেট ইউজ করছেন আর আপনের বন্ধুর ফোন থেকে MB কাটছে।

Have you any problem? Feel free to ask. Have you any feedback? please let me know. Ultimately comment below...

Monday, April 20, 2015

টাকা কাটবে আপনার বন্ধুর মোবাইল থেকে আর MB আসবে আপনার মোবাইলে

টাকা কাটবে আপনার বন্ধুর মোবাইল থেকে আর MB আসবে আপনার মোবাইলে

আপনারা ইতিমধ্যে শুনেছেন যে GramennPhone তাদের ইন্টারনেট এ ইচ্ছা মত প্লান নিয়ে এসেছে।
আজ আপনাদের কে দেখাবো এ সার্ভিস এর একটা খারাপ দিক।
পোস্ট এর টাইটেল দেখে নিশ্চয় বুঝতে পেরেছেন। আসুন শুরু করি। প্রথম এ নিচের লিঙ্ক এ যান।
Link Here
গেলে নিচের মত একটা পেজ দেখতে পাবেন। এখান থেকে আপনার ইচ্ছা মত MB সিলেক্ট করুন।


এবং মিনিট 0 মেয়াদ কয়দিন নিবেন সেটা সিলেক্ট করুন।
যদি SMS না নিতে চান তাহলে ওটাও 0 করুন।


এবার দান দিকে Buy Now নামে একটা অপশন পাবেন ওটা তে ক্লিক করুন।

এবার নিচের মত একটা অপশন পাবেন আপনি Gift This এর পাসে টিক দিন।

তাহলে নিচের মত অপশন পাবেন।
এখন আপনি যার ফোন থেকে টাকা কেটে আপনার ফোন এ নিতে চান তার নাম্বার টা প্রথম বক্স এ দিন।
আর আপনার নাম্বার টা পরের বক্স এ দিন।

এবার নিচের মত একটা বক্স আসবে।
আপনি প্রথম বক্স এ যার নাম্বার দিসেন তার ফোন এ ৪ সংখ্যার একটা কোড SMS এসেছে।
ওই কোড টা আপনি নিয়ে এই বক্স এ বসিয়ে Submit করলেই কেল্লা খতম।


কিছু কথাঃ
আপনি ভাবতে পারেন যে। ওই কোড আমি কি করে পাব?
সেটার জন্যই আমি টাইটেল এ বলে দিসি যে ফ্রেন্ড এর মোবাইল।
আরে ভাই, আপনারা নিশ্চয় বুঝতে পেরেছেন যে কিভাবে কি করতে হবে?
এখন আপনি কি ভাবে কোড নিবেন সেটা আপনার ব্যাপার।

Sunday, July 6, 2014

সম্পূর্ণ ফ্রিতে ডাউনলোড করুন পেইড অ্যানড্রয়েড অ্যাপ

সম্পূর্ণ ফ্রিতে ডাউনলোড করুন পেইড অ্যানড্রয়েড অ্যাপ

আপনি কি ফ্রিতে অ্যানড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড করার জন্য এই পোস্টটি পড়া শুরু করেছেন? উত্তর হ্যাঁ হলে পড়তেই থাকুন। 😛   একটি অ্যানড্রয়েড ফোন যে এই যুগে যে কারো জন্য একটি সেরা সঙ্গী এটি কেউ অস্বীকার করবে না। সেরা সঙ্গী? জ্বি হ্যাঁ সেরা সঙ্গী। আমরা ফোন কল করা, ভয়েস বা ভিডিও চ্যাট করা, ছবি তোলা, ভিডিও দেখা কিংবা গেম খেলা ছাড়াও কিন্তু অনেক কাজ করে থাকি হাতের মুঠোর মধ্যে থাকা এই ফোনটি দিয়ে।


যদিও অনেক ইনবিল্ট অ্যাপ আমাদের ফোনে আগে থেকেই ইনস্টল করা থাকে। তবুও আমাদের অনেক থার্ডপার্টি অ্যাপের দরকার হয়। এই অ্যাপগুলো সচারাচর আমরা ফ্রিতেই পেয়ে থাকি। কিন্তু ফ্রি অ্যাপের একটা বিশেষ সুবিধা আছে আর তা হল এটি বিজ্ঞাপন দেখাতে দেখাতে ব্যবহারকারীকে অতিষ্ঠ করে তুলে। আরেকটা কুখ্যাত সুবিধা হল থার্ড পার্টি এমন অনেক অ্যাপই আছে যেগুলোর কিছু অ্যাডভান্স ফিচার ব্যবহার করতে হলে অর্থ গুনতে হয়।  😥
এইতো টাকা পয়সার হিসেব শুরু। তো বিজ্ঞাপন মুক্ত ও সম্পূর্ণ সকল ফিচার সমৃদ্ধ থার্ডপার্টি অ্যাপ যেহেতু ফ্রিতে পাওয়া যায় না। তাই অনেকেই পেইড অ্যাপের দিকে ঝুঁকে। কিন্তু কথা হল বেশির ভাগ ব্যহারকারীই অর্থ খরচ করে অ্যাপ ইউজ করতে নারাজ। এখন তাহলে যে বিষয়টা সামনে আসছে তা হল কিভাবে ফ্রিতে এই সকল সুযোগ সুবিধা উপভোগ করা যাবে। তো এই পোস্টে আমি বেশ কিছু বৈধ উপায় বলে দিচ্ছি যাতে করে আপনি পেইড অ্যানড্রয়েড অ্যাপ সম্পূর্ণ ফ্রিতে ইউজ করতে পারেন।   😯

App Of The Day

App of the day: এটি একটি অ্যাপ যেটি আপনার ফোনে ইনস্টল করে নিতে হবে। তারপর এই অ্যাপের মাধ্যমে আপনি প্রতিদিন একটি করে পেইড অ্যাপ ফ্রিতে ডাউনলোড করতে পারবেন।

Google Opinion Rewards app

Google Opinion Rewards app: এটি গুগল ইনকর্পরেশনের ভেরিফাইড অ্যাপ। এই অ্যাপের মাধ্যমে ফ্রিতে ক্রেডিট ব্যালেন্স জমাতে পারবেন যে ক্রেডিট দিয়ে পরবর্তিতে পেইড অ্যাপ কিনতে পারবেন। অ্যাপটি আপনার ফোনে ইন্সটল করার পর বিভিন্ন সার্ভের উত্তর দিয়ে ফ্রিতে ক্রেটিট জমাতে পারবেন।  সার্ভেগুলো আপনাকে সাপ্তাহিকভাবে দেয়া হবে। প্রতি সার্ভের জন্য ক্রেটিট রেট প্রতি সার্ভের জন্য সর্বোচ্চ $1 ডলার পর্যন্ত। সার্ভেতে আপনাকে বিভিন্ন রকম প্রশ্ন করা হবে যেমন, "কোন লোগোটি সেরা?" ইত্যাদি টাইপের।

Freapp – Free Apps Daily

Freapp – Free Apps Daily: এটি একটি অ্যাপ যেটি আপনার ফোনে ইনস্টল করে নিতে হবে। তারপর এই অ্যাপের মাধ্যমে আপনি প্রতিদিন একটি করে পেইড অ্যাপ ফ্রিতে ডাউনলোড করতে পারবেন অনেকটা অ্যাপ অফ দ্যা ডে-এর মত।

Play Store Sales

Play Store Sales: এটি এমন একটি ওয়েব সাইট যেখানে আপনি পেইড অ্যাপ ফ্রিতে পাবেন। তবে ইচ্ছেমত অ্যাপ পাবেন না। তাই মাঝে মাঝেই চোখ রাখতে হবে সাইটে যে কখন কোনটি পেইড অ্যাপ বা গেম চলে এসছে। চাইলে ওয়েবসাইটটি আপনি বুকমার্ক করে রাখতে পারেন।

Google Free App of the Week

Google Free App of the Week: গতবছর গুগল অ্যাপ অফ দ্যা উইক নামে নতুন একটি ফিচার প্লেস্টোরে যোগ করেছে যেখানে প্রতি সপ্তাহের সেরা পেইড অ্যাপটি ফ্রিতে ইনস্টল করা যাবে। এটি এখনও পরীক্ষামূলক আছে। তাই সব ইউজাররা দেখতে পাবেন না। এটি আছে প্লেস্টোরের ফ্যামিলি সেকশনে। সো, ভিজিট করতে থাকুন প্রতিদিন, ভাগ্যবান হলে পেয়েও যেতে পারেন আপনি।
উপরোক্ত যে কোন অংশ বুঝতে কিংবা কাজ করতে গিয়ে যদি কোন প্রবলেম ফেস করেন তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করতে ভুলবেন না যেন। তো পরিশেষে কেমন লাগল আজকের পোস্টটি? যদি পোস্টটি ভাল লেগে থাকলে শেয়ার করুন আপনার বন্ধুদের সাথে।