Saturday, March 31, 2018

Teletalk 'Agami' Sim resistration 2018: টেলিটক আগামী রেজিস্ট্রেশন

২০১৮ সালে এসএসসিতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত সকল ছাত্র-ছাত্রী এবং ২০০৪ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত এসএসসিতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রী যারা টেলিটকের আগামী সিম গ্রহণ করে নাই সেইসব ছাত্র-ছাত্রীগণকে টেলিটক দিচ্ছে বিশেষ সুবিধা সম্বলিত সিম “টেলিটক আগামী” একদম ফ্রিতে! রেজিস্ট্রেশন শুরু ০১-০৮-১৮ থেকে। আসুন প্রথমেই জেনে নেওয়া যাক কি কি সুবিধা আছে এই সিমেঃ


“টেলিটক আগামী” সিম এর সুবিধাসমূহঃ   
  • ৪.১৭ পয়সা/১০সেকেন্ড অর্থাত্‍ ২৫ পয়সা/মিনিট ভয়েস ও ভিডিও কল দিন-রাত যেকোন টেলিটক নাম্বারে     
  • ১০ পয়সা/১০ সেকেন্ড অর্থাত্‍ ৬০ পয়সা/মিনিট ভয়েস কল দিন-রাত অন্য অপারেটরে     
  • ২৫ পয়সা/এসএমএস যেকোন টেলিটক নাম্বারে 
  • এছাড়াও নিচের চিত্রে দেখুন দারুন ইন্টারনেট প্যাকেজঃ

তাছাড়াও, প্রতি ২৫ টাকা রিচার্জে ২৫ মিনিট ভয়েস, ২৫ MB ডাটা ও ২৫টি SMS একদম ফ্রি।


যেভাবে 'আগামী সিমের' জন্য রেজিস্ট্রেশন করবেনঃ 
  • প্রথমে, যেকোন টেলিটক নাম্বার থেকে GPA5<space>Board<space>Roll<space>SSC_Passing _Year<space>Mobile no লিখে ১৬২২২ নাম্বারে এসএমএস করতে হবে৷  
  • উদাহরণ: GPA5 DHAKA 12345 2010 015********
  • গ্রাহকগণ ফিরতি এসএমএস এ প্রার্থীর নাম, বোর্ড, রোল নং, যোগাযোগের নাম্বার, জিপিএ-৫ রেজিস্ট্রেশন নাম্বার পাবেন৷ জিপিএ-৫ রেজিস্ট্রেশন নাম্বারটি অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করার সময় উল্লেখ করতে হবে৷
  • যদি গ্রাহকের বয়স ১৮ বা তার বেশী হয় তবে তার নামে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে৷ অন্যথায় তার বাবা-মা / ভাই-বোন/ চাচা-চাচী / মামা-মামী / খালা-খালু / ভাবী অথবা তার যেকোন আইনানুগ অভিভাবকের নামে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে৷ 
  • এরপর অনলাইনে রেজিস্ট্রেশনের জন্য এই সাইট ভিজিট করে প্রয়োজনীয় সকল তথ্য অবশ্যই পূরণ করতে হবে৷ 
  • অনলাইনে তথ্য পূরণের সময় গ্রাহকগণ যে কাস্টমার কেয়ার থেকে আগামী সিম উত্তোলন করতে ইচ্ছুক তা অবশ্যই নির্ধারণ করে  দিতে হবে এবং শুধুমাত্র সেই নির্ধারিত কাস্টমার কেয়ার থেকেই সিমটি উত্তোলন করতে হবে৷
  • অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হলে গ্রাহককে অবশ্যই পুরণকৃত ফরমটির প্রিন্ট করে রেখে দিতে হবে যা পরবর্তীতে সিম উত্তোলনের জন্য কাস্টমার কেয়ারে জমা দিতে হবে৷
  • গ্রাহকগণ টেলিটকের এই লিঙ্ক থেকে গ্রাহক নিবন্ধন ফরম/ User Registration Form থেকে ডাউনলোড করে পূরণ করতে পারবে অথবা যেকোন টেলিটক কাস্টমার কেয়ার এ গিয়ে সরাসরি ফরম পূরণ করতে পারবে৷
  • রেজিস্ট্রেশন চলবে ০১/০৮/২০১৫ খ্রিঃ হতে।
  • রেজিস্ট্রেশনের শেষ তারিখঃ ১৫ই সেপ্টেম্বর ২০১৫
  • সিম উত্তোলনের নির্দিষ্ট তারিখে নিম্নোক্ত ডকুমেন্টসমূহ অবশ্যই সাথে আনতে হবে;
১. অনলাইনে পুরণকৃত রেজিস্ট্রেশন ফরমের প্রিন্ট কপি৷ 
২. এসএসসি পরীক্ষার এডমিট কার্ড/ সার্টিফিকেট/ মার্কসিট এর মুল কপি এবং ফটোকপি৷ 
৩. যার নামে রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে তার ছবি – ২ কপি৷ 
৪. যার নামে রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে তার ভোটার আইডি কার্ড/ ড্রাইভিং লাইসেন্স/পাসপোর্ট এর ফটোকপি৷ 
৫. অনলাইনে পূরণকৃত গ্রাহক নিবন্ধন ফরম/ User Registration Form এর ২ কপি জমা দিতে হবে অথবা টেলিটক কাস্টমার কেয়ার থেকে User Registration Form সংগ্রহ করে পূরণ করা যাবে৷
 
এছাড়াও টেলিটকে থাকছে দারুন সব অফ-পিক প্যাকেজঃ

সংযুক্তিকরণঃ Teletalk internet packages

Saturday, March 10, 2018

বেসিসে বিনা খরচে প্রশিক্ষণ: প্রতি মাসে ৩১২০ টাকা হারে প্রশিক্ষণকালীন ভাতা

অর্থ মন্ত্রণালয়ের স্কিল ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের আওতায় তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ দেবে বেসিস ও বিআইটিএম। স্কিল ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের (এসইআইপি) চিফ কো-অর্ডিনেটর নইমুল ইসলাম জানান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের এসইআইপি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এবং বেসিস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিআইটিএম)। এসইআইপি প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি), সুইস উন্নয়ন করপোরেশন সংস্থা ও বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয়ের সহায়তায়। এ প্রকল্পে মোট খরচ হবে প্রায় ৪৬ কোটি টাকা।


খরচ নেই, মিলবে ভাতা
কোনো ফি লাগবে না; উপরন্তু দেওয়া হবে ভাতা। জনপ্রতি মাসে তিন হাজার ১২০ টাকা হারে ভাতা দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ চলাকালে। এ ক্ষেত্রে ন্যুনতম ৮০ শতাংশ ক্লাসে উপস্থিত থাকতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে দেওয়া হবে সনদ। চাকরি বা আত্মকর্মসংস্থানের বিষয়েও সহায়তা করবে বেসিস-বিআইটিএম।
কারা পাবে
বেসিসের কোষাধ্যক্ষ ও বিআইটিএমের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক শাহ ইমরাউল কায়ীশ জানান, বেসিস ও বিআইটিএম তিন বছরে মোট ২৩ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দেবে। প্রথম বছর শুধু ঢাকা বিভাগে পাঁচ হাজারজনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। দ্বিতীয় বছর ৯ হাজারজন এবং তৃতীয় বছরে বাকি ৯ হাজারজন প্রশিক্ষণ পাবে। দ্বিতীয় বছর থেকে সব বিভাগ এর আওতায় আসবে। স্নাতক শেষ অথবা শেষ পর্যায়ে থাকলে আবেদন করা যাবে। অগ্রাধিকার পাবে তরুণীরা। ১ এপ্রিল থেকে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ২৭টি ব্যাচে ৮১০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। চলবে ২০১৭ সাল পর্যন্ত।

প্রশিক্ষণের বিষয় ও মেয়াদ
বেসিসের সহকারী ব্যবস্থাপক (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন) বদরুদ্দোজা মাহমুদ তুহিন জানান, ১৪টি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও), ডিজিটাল মার্কেটিং, টেকনিক্যাল আইটি সাপোর্ট, কাস্টমার সাপোর্ট অ্যান্ড সার্ভিস ও আইটি সেলস ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ এক মাস। ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (পিএইচপি), ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (ডটনেট), মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, সার্ভার অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ও ক্লাউড ম্যানেজমেন্ট, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ইংলিশ কমিউনিকেশন ও বিজনেস কমিউনিকেশন বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ তিন মাস।

আবেদন ও বাছাই প্রক্রিয়া
বিআইটিএমের ব্যবস্থাপক তালুকদার মোহাম্মদ সাব্বির জানান, আবেদন করতে হবে অনলাইনে। বিআইটিএমের http://bitm.org.bd/seip ওয়েবলিংকে গিয়ে আবেদন করতে হবে। আগ্রহীরা মোট তিনটি বিষয়ে আবেদন করতে পারবে। আবেদন সাবমিট করার পর একটি আইডি বা সিরিয়াল নম্বর আসবে। এটি সংরক্ষণে রাখতে হবে পরবর্তী সব কার্যক্রমের জন্য। আবেদনে দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে ডাকা হবে লিখিত পরীক্ষার জন্য। উত্তীর্ণদের অংশ নিতে হবে মৌখিক পরীক্ষায়। পছন্দক্রমের প্রথমে থাকা বিষয়ে প্রশ্ন করা হবে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায়।

প্রশিক্ষণ পদ্ধতি
তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ও প্রশিক্ষক হিসেবে ন্যুনতম পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে-বিআইটিএমের এমন ১৮ জন প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। আরো কিছু প্রশিক্ষক নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধাসংবলিত আধুনিক কম্পিউটার ল্যাবে নেওয়া হয় তত্ত্বীয় ও ব্যবহারিক ক্লাস।

যোগাযোগ
রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিডিবিএল ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত বিআইটিএম অফিসে গিয়ে জানা যাবে ভর্তিসংক্রান্ত সব তথ্য। ০৯৬১২ ৩৪২৪৮৬ ও ০১১৯১ ০১৫৯৯৮ নম্বরে ফোন করেও জানা যাবে দরকারি তথ্য।
স্কিল ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের (এসইআইপি) চিফ কো-অর্ডিনেটর নইমুল ইসলাম জানান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের এসইআইপি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এবং বেসিস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিআইটিএম)। এসইআইপি প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি), সুইস উন্নয়ন করপোরেশন সংস্থা ও বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয়ের সহায়তায়। এ প্রকল্পে মোট খরচ হবে প্রায় ৪৬ কোটি টাকা।
খরচ নেই, মিলবে ভাতা
কোনো ফি লাগবে না; উপরন্তু দেওয়া হবে ভাতা। জনপ্রতি মাসে তিন হাজার ১২০ টাকা হারে ভাতা দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ চলাকালে। এ ক্ষেত্রে ন্যুনতম ৮০ শতাংশ ক্লাসে উপস্থিত থাকতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে দেওয়া হবে সনদ। চাকরি বা আত্মকর্মসংস্থানের বিষয়েও সহায়তা করবে বেসিস-বিআইটিএম।
কারা পাবে
বেসিসের কোষাধ্যক্ষ ও বিআইটিএমের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক শাহ ইমরাউল কায়ীশ জানান, বেসিস ও বিআইটিএম তিন বছরে মোট ২৩ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দেবে। প্রথম বছর শুধু ঢাকা বিভাগে পাঁচ হাজারজনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। দ্বিতীয় বছর ৯ হাজারজন এবং তৃতীয় বছরে বাকি ৯ হাজারজন প্রশিক্ষণ পাবে। দ্বিতীয় বছর থেকে সব বিভাগ এর আওতায় আসবে। স্নাতক শেষ অথবা শেষ পর্যায়ে থাকলে আবেদন করা যাবে। অগ্রাধিকার পাবে তরুণীরা। ১ এপ্রিল থেকে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ২৭টি ব্যাচে ৮১০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। চলবে ২০১৭ সাল পর্যন্ত।
প্রশিক্ষণের বিষয় ও মেয়াদ
বেসিসের সহকারী ব্যবস্থাপক (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন) বদরুদ্দোজা মাহমুদ তুহিন জানান, ১৪টি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও), ডিজিটাল মার্কেটিং, টেকনিক্যাল আইটি সাপোর্ট, কাস্টমার সাপোর্ট অ্যান্ড সার্ভিস ও আইটি সেলস ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ এক মাস। ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (পিএইচপি), ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (ডটনেট), মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, সার্ভার অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ও ক্লাউড ম্যানেজমেন্ট, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ইংলিশ কমিউনিকেশন ও বিজনেস কমিউনিকেশন বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ তিন মাস।
আবেদন ও বাছাই প্রক্রিয়া
বিআইটিএমের ব্যবস্থাপক তালুকদার মোহাম্মদ সাব্বির জানান, আবেদন করতে হবে অনলাইনে। বিআইটিএমের http://bitm.org.bd/seip ওয়েবলিংকে গিয়ে আবেদন করতে হবে। আগ্রহীরা মোট তিনটি বিষয়ে আবেদন করতে পারবে। আবেদন সাবমিট করার পর একটি আইডি বা সিরিয়াল নম্বর আসবে। এটি সংরক্ষণে রাখতে হবে পরবর্তী সব কার্যক্রমের জন্য। আবেদনে দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে ডাকা হবে লিখিত পরীক্ষার জন্য। উত্তীর্ণদের অংশ নিতে হবে মৌখিক পরীক্ষায়। পছন্দক্রমের প্রথমে থাকা বিষয়ে প্রশ্ন করা হবে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায়।
প্রশিক্ষণ পদ্ধতি
তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ও প্রশিক্ষক হিসেবে ন্যুনতম পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে-বিআইটিএমের এমন ১৮ জন প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। আরো কিছু প্রশিক্ষক নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধাসংবলিত আধুনিক কম্পিউটার ল্যাবে নেওয়া হয় তত্ত্বীয় ও ব্যবহারিক ক্লাস।
যোগাযোগ
রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিডিবিএল ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত বিআইটিএম অফিসে গিয়ে জানা যাবে ভর্তিসংক্রান্ত সব তথ্য। ০৯৬১২ ৩৪২৪৮৬ ও ০১১৯১ ০১৫৯৯৮ নম্বরে ফোন করেও জানা যাবে দরকারি তথ্য।
- See more at: http://www.kalerkantho.com/feature/chakriache/2015/07/29/249646#sthash.re73RNcF.dpuf
স্কিল ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের (এসইআইপি) চিফ কো-অর্ডিনেটর নইমুল ইসলাম জানান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের এসইআইপি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এবং বেসিস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিআইটিএম)। এসইআইপি প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি), সুইস উন্নয়ন করপোরেশন সংস্থা ও বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয়ের সহায়তায়। এ প্রকল্পে মোট খরচ হবে প্রায় ৪৬ কোটি টাকা।
খরচ নেই, মিলবে ভাতা
কোনো ফি লাগবে না; উপরন্তু দেওয়া হবে ভাতা। জনপ্রতি মাসে তিন হাজার ১২০ টাকা হারে ভাতা দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ চলাকালে। এ ক্ষেত্রে ন্যুনতম ৮০ শতাংশ ক্লাসে উপস্থিত থাকতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে দেওয়া হবে সনদ। চাকরি বা আত্মকর্মসংস্থানের বিষয়েও সহায়তা করবে বেসিস-বিআইটিএম।
কারা পাবে
বেসিসের কোষাধ্যক্ষ ও বিআইটিএমের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক শাহ ইমরাউল কায়ীশ জানান, বেসিস ও বিআইটিএম তিন বছরে মোট ২৩ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দেবে। প্রথম বছর শুধু ঢাকা বিভাগে পাঁচ হাজারজনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। দ্বিতীয় বছর ৯ হাজারজন এবং তৃতীয় বছরে বাকি ৯ হাজারজন প্রশিক্ষণ পাবে। দ্বিতীয় বছর থেকে সব বিভাগ এর আওতায় আসবে। স্নাতক শেষ অথবা শেষ পর্যায়ে থাকলে আবেদন করা যাবে। অগ্রাধিকার পাবে তরুণীরা। ১ এপ্রিল থেকে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ২৭টি ব্যাচে ৮১০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। চলবে ২০১৭ সাল পর্যন্ত।
প্রশিক্ষণের বিষয় ও মেয়াদ
বেসিসের সহকারী ব্যবস্থাপক (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন) বদরুদ্দোজা মাহমুদ তুহিন জানান, ১৪টি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও), ডিজিটাল মার্কেটিং, টেকনিক্যাল আইটি সাপোর্ট, কাস্টমার সাপোর্ট অ্যান্ড সার্ভিস ও আইটি সেলস ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ এক মাস। ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (পিএইচপি), ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (ডটনেট), মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, সার্ভার অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ও ক্লাউড ম্যানেজমেন্ট, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ইংলিশ কমিউনিকেশন ও বিজনেস কমিউনিকেশন বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ তিন মাস।
আবেদন ও বাছাই প্রক্রিয়া
বিআইটিএমের ব্যবস্থাপক তালুকদার মোহাম্মদ সাব্বির জানান, আবেদন করতে হবে অনলাইনে। বিআইটিএমের http://bitm.org.bd/seip ওয়েবলিংকে গিয়ে আবেদন করতে হবে। আগ্রহীরা মোট তিনটি বিষয়ে আবেদন করতে পারবে। আবেদন সাবমিট করার পর একটি আইডি বা সিরিয়াল নম্বর আসবে। এটি সংরক্ষণে রাখতে হবে পরবর্তী সব কার্যক্রমের জন্য। আবেদনে দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে ডাকা হবে লিখিত পরীক্ষার জন্য। উত্তীর্ণদের অংশ নিতে হবে মৌখিক পরীক্ষায়। পছন্দক্রমের প্রথমে থাকা বিষয়ে প্রশ্ন করা হবে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায়।
প্রশিক্ষণ পদ্ধতি
তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ও প্রশিক্ষক হিসেবে ন্যুনতম পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে-বিআইটিএমের এমন ১৮ জন প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। আরো কিছু প্রশিক্ষক নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধাসংবলিত আধুনিক কম্পিউটার ল্যাবে নেওয়া হয় তত্ত্বীয় ও ব্যবহারিক ক্লাস।
যোগাযোগ
রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিডিবিএল ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত বিআইটিএম অফিসে গিয়ে জানা যাবে ভর্তিসংক্রান্ত সব তথ্য। ০৯৬১২ ৩৪২৪৮৬ ও ০১১৯১ ০১৫৯৯৮ নম্বরে ফোন করেও জানা যাবে দরকারি তথ্য।
- See more at: http://www.kalerkantho.com/feature/chakriache/2015/07/29/249646#sthash.re73RNcF.dpuf
স্কিল ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের (এসইআইপি) চিফ কো-অর্ডিনেটর নইমুল ইসলাম জানান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের এসইআইপি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এবং বেসিস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিআইটিএম)। এসইআইপি প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি), সুইস উন্নয়ন করপোরেশন সংস্থা ও বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয়ের সহায়তায়। এ প্রকল্পে মোট খরচ হবে প্রায় ৪৬ কোটি টাকা।
খরচ নেই, মিলবে ভাতা
কোনো ফি লাগবে না; উপরন্তু দেওয়া হবে ভাতা। জনপ্রতি মাসে তিন হাজার ১২০ টাকা হারে ভাতা দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ চলাকালে। এ ক্ষেত্রে ন্যুনতম ৮০ শতাংশ ক্লাসে উপস্থিত থাকতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে দেওয়া হবে সনদ। চাকরি বা আত্মকর্মসংস্থানের বিষয়েও সহায়তা করবে বেসিস-বিআইটিএম।
কারা পাবে
বেসিসের কোষাধ্যক্ষ ও বিআইটিএমের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক শাহ ইমরাউল কায়ীশ জানান, বেসিস ও বিআইটিএম তিন বছরে মোট ২৩ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দেবে। প্রথম বছর শুধু ঢাকা বিভাগে পাঁচ হাজারজনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। দ্বিতীয় বছর ৯ হাজারজন এবং তৃতীয় বছরে বাকি ৯ হাজারজন প্রশিক্ষণ পাবে। দ্বিতীয় বছর থেকে সব বিভাগ এর আওতায় আসবে। স্নাতক শেষ অথবা শেষ পর্যায়ে থাকলে আবেদন করা যাবে। অগ্রাধিকার পাবে তরুণীরা। ১ এপ্রিল থেকে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ২৭টি ব্যাচে ৮১০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। চলবে ২০১৭ সাল পর্যন্ত।
প্রশিক্ষণের বিষয় ও মেয়াদ
বেসিসের সহকারী ব্যবস্থাপক (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন) বদরুদ্দোজা মাহমুদ তুহিন জানান, ১৪টি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও), ডিজিটাল মার্কেটিং, টেকনিক্যাল আইটি সাপোর্ট, কাস্টমার সাপোর্ট অ্যান্ড সার্ভিস ও আইটি সেলস ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ এক মাস। ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (পিএইচপি), ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (ডটনেট), মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, সার্ভার অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ও ক্লাউড ম্যানেজমেন্ট, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ইংলিশ কমিউনিকেশন ও বিজনেস কমিউনিকেশন বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ তিন মাস।
আবেদন ও বাছাই প্রক্রিয়া
বিআইটিএমের ব্যবস্থাপক তালুকদার মোহাম্মদ সাব্বির জানান, আবেদন করতে হবে অনলাইনে। বিআইটিএমের http://bitm.org.bd/seip ওয়েবলিংকে গিয়ে আবেদন করতে হবে। আগ্রহীরা মোট তিনটি বিষয়ে আবেদন করতে পারবে। আবেদন সাবমিট করার পর একটি আইডি বা সিরিয়াল নম্বর আসবে। এটি সংরক্ষণে রাখতে হবে পরবর্তী সব কার্যক্রমের জন্য। আবেদনে দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে ডাকা হবে লিখিত পরীক্ষার জন্য। উত্তীর্ণদের অংশ নিতে হবে মৌখিক পরীক্ষায়। পছন্দক্রমের প্রথমে থাকা বিষয়ে প্রশ্ন করা হবে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায়।
প্রশিক্ষণ পদ্ধতি
তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ও প্রশিক্ষক হিসেবে ন্যুনতম পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে-বিআইটিএমের এমন ১৮ জন প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। আরো কিছু প্রশিক্ষক নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধাসংবলিত আধুনিক কম্পিউটার ল্যাবে নেওয়া হয় তত্ত্বীয় ও ব্যবহারিক ক্লাস।
যোগাযোগ
রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিডিবিএল ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত বিআইটিএম অফিসে গিয়ে জানা যাবে ভর্তিসংক্রান্ত সব তথ্য। ০৯৬১২ ৩৪২৪৮৬ ও ০১১৯১ ০১৫৯৯৮ নম্বরে ফোন করেও জানা যাবে দরকারি তথ্য।
- See more at: http://www.kalerkantho.com/feature/chakriache/2015/07/29/249646#sthash.re73RNcF.dpuf
স্কিল ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের (এসইআইপি) চিফ কো-অর্ডিনেটর নইমুল ইসলাম জানান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের এসইআইপি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এবং বেসিস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিআইটিএম)। এসইআইপি প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি), সুইস উন্নয়ন করপোরেশন সংস্থা ও বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয়ের সহায়তায়। এ প্রকল্পে মোট খরচ হবে প্রায় ৪৬ কোটি টাকা।
খরচ নেই, মিলবে ভাতা
কোনো ফি লাগবে না; উপরন্তু দেওয়া হবে ভাতা। জনপ্রতি মাসে তিন হাজার ১২০ টাকা হারে ভাতা দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ চলাকালে। এ ক্ষেত্রে ন্যুনতম ৮০ শতাংশ ক্লাসে উপস্থিত থাকতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে দেওয়া হবে সনদ। চাকরি বা আত্মকর্মসংস্থানের বিষয়েও সহায়তা করবে বেসিস-বিআইটিএম।
কারা পাবে
বেসিসের কোষাধ্যক্ষ ও বিআইটিএমের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক শাহ ইমরাউল কায়ীশ জানান, বেসিস ও বিআইটিএম তিন বছরে মোট ২৩ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দেবে। প্রথম বছর শুধু ঢাকা বিভাগে পাঁচ হাজারজনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। দ্বিতীয় বছর ৯ হাজারজন এবং তৃতীয় বছরে বাকি ৯ হাজারজন প্রশিক্ষণ পাবে। দ্বিতীয় বছর থেকে সব বিভাগ এর আওতায় আসবে। স্নাতক শেষ অথবা শেষ পর্যায়ে থাকলে আবেদন করা যাবে। অগ্রাধিকার পাবে তরুণীরা। ১ এপ্রিল থেকে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ২৭টি ব্যাচে ৮১০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। চলবে ২০১৭ সাল পর্যন্ত।
প্রশিক্ষণের বিষয় ও মেয়াদ
বেসিসের সহকারী ব্যবস্থাপক (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন) বদরুদ্দোজা মাহমুদ তুহিন জানান, ১৪টি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও), ডিজিটাল মার্কেটিং, টেকনিক্যাল আইটি সাপোর্ট, কাস্টমার সাপোর্ট অ্যান্ড সার্ভিস ও আইটি সেলস ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ এক মাস। ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (পিএইচপি), ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (ডটনেট), মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, সার্ভার অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ও ক্লাউড ম্যানেজমেন্ট, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ইংলিশ কমিউনিকেশন ও বিজনেস কমিউনিকেশন বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ তিন মাস।
আবেদন ও বাছাই প্রক্রিয়া
বিআইটিএমের ব্যবস্থাপক তালুকদার মোহাম্মদ সাব্বির জানান, আবেদন করতে হবে অনলাইনে। বিআইটিএমের http://bitm.org.bd/seip ওয়েবলিংকে গিয়ে আবেদন করতে হবে। আগ্রহীরা মোট তিনটি বিষয়ে আবেদন করতে পারবে। আবেদন সাবমিট করার পর একটি আইডি বা সিরিয়াল নম্বর আসবে। এটি সংরক্ষণে রাখতে হবে পরবর্তী সব কার্যক্রমের জন্য। আবেদনে দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে ডাকা হবে লিখিত পরীক্ষার জন্য। উত্তীর্ণদের অংশ নিতে হবে মৌখিক পরীক্ষায়। পছন্দক্রমের প্রথমে থাকা বিষয়ে প্রশ্ন করা হবে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায়।
প্রশিক্ষণ পদ্ধতি
তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ও প্রশিক্ষক হিসেবে ন্যুনতম পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে-বিআইটিএমের এমন ১৮ জন প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। আরো কিছু প্রশিক্ষক নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধাসংবলিত আধুনিক কম্পিউটার ল্যাবে নেওয়া হয় তত্ত্বীয় ও ব্যবহারিক ক্লাস।
যোগাযোগ
রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিডিবিএল ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত বিআইটিএম অফিসে গিয়ে জানা যাবে ভর্তিসংক্রান্ত সব তথ্য। ০৯৬১২ ৩৪২৪৮৬ ও ০১১৯১ ০১৫৯৯৮ নম্বরে ফোন করেও জানা যাবে দরকারি তথ্য।
- See more at: http://www.kalerkantho.com/feature/chakriache/2015/07/29/249646#sthash.re73RNcF.dpuf
স্কিল ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের (এসইআইপি) চিফ কো-অর্ডিনেটর নইমুল ইসলাম জানান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের এসইআইপি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এবং বেসিস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিআইটিএম)। এসইআইপি প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি), সুইস উন্নয়ন করপোরেশন সংস্থা ও বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয়ের সহায়তায়। এ প্রকল্পে মোট খরচ হবে প্রায় ৪৬ কোটি টাকা।
খরচ নেই, মিলবে ভাতা
কোনো ফি লাগবে না; উপরন্তু দেওয়া হবে ভাতা। জনপ্রতি মাসে তিন হাজার ১২০ টাকা হারে ভাতা দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ চলাকালে। এ ক্ষেত্রে ন্যুনতম ৮০ শতাংশ ক্লাসে উপস্থিত থাকতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে দেওয়া হবে সনদ। চাকরি বা আত্মকর্মসংস্থানের বিষয়েও সহায়তা করবে বেসিস-বিআইটিএম।
কারা পাবে
বেসিসের কোষাধ্যক্ষ ও বিআইটিএমের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক শাহ ইমরাউল কায়ীশ জানান, বেসিস ও বিআইটিএম তিন বছরে মোট ২৩ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দেবে। প্রথম বছর শুধু ঢাকা বিভাগে পাঁচ হাজারজনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। দ্বিতীয় বছর ৯ হাজারজন এবং তৃতীয় বছরে বাকি ৯ হাজারজন প্রশিক্ষণ পাবে। দ্বিতীয় বছর থেকে সব বিভাগ এর আওতায় আসবে। স্নাতক শেষ অথবা শেষ পর্যায়ে থাকলে আবেদন করা যাবে। অগ্রাধিকার পাবে তরুণীরা। ১ এপ্রিল থেকে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ২৭টি ব্যাচে ৮১০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। চলবে ২০১৭ সাল পর্যন্ত।
প্রশিক্ষণের বিষয় ও মেয়াদ
বেসিসের সহকারী ব্যবস্থাপক (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন) বদরুদ্দোজা মাহমুদ তুহিন জানান, ১৪টি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও), ডিজিটাল মার্কেটিং, টেকনিক্যাল আইটি সাপোর্ট, কাস্টমার সাপোর্ট অ্যান্ড সার্ভিস ও আইটি সেলস ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ এক মাস। ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (পিএইচপি), ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (ডটনেট), মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, সার্ভার অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ও ক্লাউড ম্যানেজমেন্ট, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ইংলিশ কমিউনিকেশন ও বিজনেস কমিউনিকেশন বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ তিন মাস।
আবেদন ও বাছাই প্রক্রিয়া
বিআইটিএমের ব্যবস্থাপক তালুকদার মোহাম্মদ সাব্বির জানান, আবেদন করতে হবে অনলাইনে। বিআইটিএমের http://bitm.org.bd/seip ওয়েবলিংকে গিয়ে আবেদন করতে হবে। আগ্রহীরা মোট তিনটি বিষয়ে আবেদন করতে পারবে। আবেদন সাবমিট করার পর একটি আইডি বা সিরিয়াল নম্বর আসবে। এটি সংরক্ষণে রাখতে হবে পরবর্তী সব কার্যক্রমের জন্য। আবেদনে দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে ডাকা হবে লিখিত পরীক্ষার জন্য। উত্তীর্ণদের অংশ নিতে হবে মৌখিক পরীক্ষায়। পছন্দক্রমের প্রথমে থাকা বিষয়ে প্রশ্ন করা হবে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায়।
প্রশিক্ষণ পদ্ধতি
তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ও প্রশিক্ষক হিসেবে ন্যুনতম পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে-বিআইটিএমের এমন ১৮ জন প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। আরো কিছু প্রশিক্ষক নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধাসংবলিত আধুনিক কম্পিউটার ল্যাবে নেওয়া হয় তত্ত্বীয় ও ব্যবহারিক ক্লাস।
যোগাযোগ
রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিডিবিএল ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত বিআইটিএম অফিসে গিয়ে জানা যাবে ভর্তিসংক্রান্ত সব তথ্য। ০৯৬১২ ৩৪২৪৮৬ ও ০১১৯১ ০১৫৯৯৮ নম্বরে ফোন করেও জানা যাবে দরকারি তথ্য।
- See more at: http://www.kalerkantho.com/feature/chakriache/2015/07/29/249646#sthash.re73RNcF.dpuf
স্কিল ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের (এসইআইপি) চিফ কো-অর্ডিনেটর নইমুল ইসলাম জানান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের এসইআইপি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এবং বেসিস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিআইটিএম)। এসইআইপি প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি), সুইস উন্নয়ন করপোরেশন সংস্থা ও বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয়ের সহায়তায়। এ প্রকল্পে মোট খরচ হবে প্রায় ৪৬ কোটি টাকা।
খরচ নেই, মিলবে ভাতা
কোনো ফি লাগবে না; উপরন্তু দেওয়া হবে ভাতা। জনপ্রতি মাসে তিন হাজার ১২০ টাকা হারে ভাতা দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ চলাকালে। এ ক্ষেত্রে ন্যুনতম ৮০ শতাংশ ক্লাসে উপস্থিত থাকতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে দেওয়া হবে সনদ। চাকরি বা আত্মকর্মসংস্থানের বিষয়েও সহায়তা করবে বেসিস-বিআইটিএম।
কারা পাবে
বেসিসের কোষাধ্যক্ষ ও বিআইটিএমের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক শাহ ইমরাউল কায়ীশ জানান, বেসিস ও বিআইটিএম তিন বছরে মোট ২৩ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দেবে। প্রথম বছর শুধু ঢাকা বিভাগে পাঁচ হাজারজনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। দ্বিতীয় বছর ৯ হাজারজন এবং তৃতীয় বছরে বাকি ৯ হাজারজন প্রশিক্ষণ পাবে। দ্বিতীয় বছর থেকে সব বিভাগ এর আওতায় আসবে। স্নাতক শেষ অথবা শেষ পর্যায়ে থাকলে আবেদন করা যাবে। অগ্রাধিকার পাবে তরুণীরা। ১ এপ্রিল থেকে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ২৭টি ব্যাচে ৮১০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। চলবে ২০১৭ সাল পর্যন্ত।
প্রশিক্ষণের বিষয় ও মেয়াদ
বেসিসের সহকারী ব্যবস্থাপক (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন) বদরুদ্দোজা মাহমুদ তুহিন জানান, ১৪টি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও), ডিজিটাল মার্কেটিং, টেকনিক্যাল আইটি সাপোর্ট, কাস্টমার সাপোর্ট অ্যান্ড সার্ভিস ও আইটি সেলস ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ এক মাস। ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (পিএইচপি), ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (ডটনেট), মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, সার্ভার অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ও ক্লাউড ম্যানেজমেন্ট, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ইংলিশ কমিউনিকেশন ও বিজনেস কমিউনিকেশন বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ তিন মাস।
আবেদন ও বাছাই প্রক্রিয়া
বিআইটিএমের ব্যবস্থাপক তালুকদার মোহাম্মদ সাব্বির জানান, আবেদন করতে হবে অনলাইনে। বিআইটিএমের http://bitm.org.bd/seip ওয়েবলিংকে গিয়ে আবেদন করতে হবে। আগ্রহীরা মোট তিনটি বিষয়ে আবেদন করতে পারবে। আবেদন সাবমিট করার পর একটি আইডি বা সিরিয়াল নম্বর আসবে। এটি সংরক্ষণে রাখতে হবে পরবর্তী সব কার্যক্রমের জন্য। আবেদনে দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে ডাকা হবে লিখিত পরীক্ষার জন্য। উত্তীর্ণদের অংশ নিতে হবে মৌখিক পরীক্ষায়। পছন্দক্রমের প্রথমে থাকা বিষয়ে প্রশ্ন করা হবে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায়।
প্রশিক্ষণ পদ্ধতি
তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ও প্রশিক্ষক হিসেবে ন্যুনতম পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে-বিআইটিএমের এমন ১৮ জন প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। আরো কিছু প্রশিক্ষক নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধাসংবলিত আধুনিক কম্পিউটার ল্যাবে নেওয়া হয় তত্ত্বীয় ও ব্যবহারিক ক্লাস।
যোগাযোগ
রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিডিবিএল ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত বিআইটিএম অফিসে গিয়ে জানা যাবে ভর্তিসংক্রান্ত সব তথ্য। ০৯৬১২ ৩৪২৪৮৬ ও ০১১৯১ ০১৫৯৯৮ নম্বরে ফোন করেও জানা যাবে দরকারি তথ্য।
- See more at: http://www.kalerkantho.com/feature/chakriache/2015/07/29/249646#sthash.re73RNcF.dpuf
স্কিল ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের (এসইআইপি) চিফ কো-অর্ডিনেটর নইমুল ইসলাম জানান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের এসইআইপি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এবং বেসিস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিআইটিএম)। এসইআইপি প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি), সুইস উন্নয়ন করপোরেশন সংস্থা ও বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয়ের সহায়তায়। এ প্রকল্পে মোট খরচ হবে প্রায় ৪৬ কোটি টাকা।
খরচ নেই, মিলবে ভাতা
কোনো ফি লাগবে না; উপরন্তু দেওয়া হবে ভাতা। জনপ্রতি মাসে তিন হাজার ১২০ টাকা হারে ভাতা দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ চলাকালে। এ ক্ষেত্রে ন্যুনতম ৮০ শতাংশ ক্লাসে উপস্থিত থাকতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে দেওয়া হবে সনদ। চাকরি বা আত্মকর্মসংস্থানের বিষয়েও সহায়তা করবে বেসিস-বিআইটিএম।
কারা পাবে
বেসিসের কোষাধ্যক্ষ ও বিআইটিএমের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক শাহ ইমরাউল কায়ীশ জানান, বেসিস ও বিআইটিএম তিন বছরে মোট ২৩ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দেবে। প্রথম বছর শুধু ঢাকা বিভাগে পাঁচ হাজারজনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। দ্বিতীয় বছর ৯ হাজারজন এবং তৃতীয় বছরে বাকি ৯ হাজারজন প্রশিক্ষণ পাবে। দ্বিতীয় বছর থেকে সব বিভাগ এর আওতায় আসবে। স্নাতক শেষ অথবা শেষ পর্যায়ে থাকলে আবেদন করা যাবে। অগ্রাধিকার পাবে তরুণীরা। ১ এপ্রিল থেকে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ২৭টি ব্যাচে ৮১০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। চলবে ২০১৭ সাল পর্যন্ত।
প্রশিক্ষণের বিষয় ও মেয়াদ
বেসিসের সহকারী ব্যবস্থাপক (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন) বদরুদ্দোজা মাহমুদ তুহিন জানান, ১৪টি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও), ডিজিটাল মার্কেটিং, টেকনিক্যাল আইটি সাপোর্ট, কাস্টমার সাপোর্ট অ্যান্ড সার্ভিস ও আইটি সেলস ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ এক মাস। ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (পিএইচপি), ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (ডটনেট), মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, সার্ভার অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ও ক্লাউড ম্যানেজমেন্ট, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ইংলিশ কমিউনিকেশন ও বিজনেস কমিউনিকেশন বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ তিন মাস।
আবেদন ও বাছাই প্রক্রিয়া
বিআইটিএমের ব্যবস্থাপক তালুকদার মোহাম্মদ সাব্বির জানান, আবেদন করতে হবে অনলাইনে। বিআইটিএমের http://bitm.org.bd/seip ওয়েবলিংকে গিয়ে আবেদন করতে হবে। আগ্রহীরা মোট তিনটি বিষয়ে আবেদন করতে পারবে। আবেদন সাবমিট করার পর একটি আইডি বা সিরিয়াল নম্বর আসবে। এটি সংরক্ষণে রাখতে হবে পরবর্তী সব কার্যক্রমের জন্য। আবেদনে দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে ডাকা হবে লিখিত পরীক্ষার জন্য। উত্তীর্ণদের অংশ নিতে হবে মৌখিক পরীক্ষায়। পছন্দক্রমের প্রথমে থাকা বিষয়ে প্রশ্ন করা হবে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায়।
প্রশিক্ষণ পদ্ধতি
তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ও প্রশিক্ষক হিসেবে ন্যুনতম পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে-বিআইটিএমের এমন ১৮ জন প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। আরো কিছু প্রশিক্ষক নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধাসংবলিত আধুনিক কম্পিউটার ল্যাবে নেওয়া হয় তত্ত্বীয় ও ব্যবহারিক ক্লাস।
যোগাযোগ
রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিডিবিএল ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত বিআইটিএম অফিসে গিয়ে জানা যাবে ভর্তিসংক্রান্ত সব তথ্য। ০৯৬১২ ৩৪২৪৮৬ ও ০১১৯১ ০১৫৯৯৮ নম্বরে ফোন করেও জানা যাবে দরকারি তথ্য।
- See more at: http://www.kalerkantho.com/feature/chakriache/2015/07/29/249646#sthash.re73RNcF.dpuf
স্কিল ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের (এসইআইপি) চিফ কো-অর্ডিনেটর নইমুল ইসলাম জানান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের এসইআইপি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এবং বেসিস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিআইটিএম)। এসইআইপি প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি), সুইস উন্নয়ন করপোরেশন সংস্থা ও বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয়ের সহায়তায়। এ প্রকল্পে মোট খরচ হবে প্রায় ৪৬ কোটি টাকা।
খরচ নেই, মিলবে ভাতা
কোনো ফি লাগবে না; উপরন্তু দেওয়া হবে ভাতা। জনপ্রতি মাসে তিন হাজার ১২০ টাকা হারে ভাতা দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ চলাকালে। এ ক্ষেত্রে ন্যুনতম ৮০ শতাংশ ক্লাসে উপস্থিত থাকতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে দেওয়া হবে সনদ। চাকরি বা আত্মকর্মসংস্থানের বিষয়েও সহায়তা করবে বেসিস-বিআইটিএম।
কারা পাবে
বেসিসের কোষাধ্যক্ষ ও বিআইটিএমের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক শাহ ইমরাউল কায়ীশ জানান, বেসিস ও বিআইটিএম তিন বছরে মোট ২৩ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দেবে। প্রথম বছর শুধু ঢাকা বিভাগে পাঁচ হাজারজনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। দ্বিতীয় বছর ৯ হাজারজন এবং তৃতীয় বছরে বাকি ৯ হাজারজন প্রশিক্ষণ পাবে। দ্বিতীয় বছর থেকে সব বিভাগ এর আওতায় আসবে। স্নাতক শেষ অথবা শেষ পর্যায়ে থাকলে আবেদন করা যাবে। অগ্রাধিকার পাবে তরুণীরা। ১ এপ্রিল থেকে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ২৭টি ব্যাচে ৮১০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। চলবে ২০১৭ সাল পর্যন্ত।
প্রশিক্ষণের বিষয় ও মেয়াদ
বেসিসের সহকারী ব্যবস্থাপক (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন) বদরুদ্দোজা মাহমুদ তুহিন জানান, ১৪টি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও), ডিজিটাল মার্কেটিং, টেকনিক্যাল আইটি সাপোর্ট, কাস্টমার সাপোর্ট অ্যান্ড সার্ভিস ও আইটি সেলস ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ এক মাস। ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (পিএইচপি), ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (ডটনেট), মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, সার্ভার অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ও ক্লাউড ম্যানেজমেন্ট, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ইংলিশ কমিউনিকেশন ও বিজনেস কমিউনিকেশন বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ তিন মাস।
আবেদন ও বাছাই প্রক্রিয়া
বিআইটিএমের ব্যবস্থাপক তালুকদার মোহাম্মদ সাব্বির জানান, আবেদন করতে হবে অনলাইনে। বিআইটিএমের http://bitm.org.bd/seip ওয়েবলিংকে গিয়ে আবেদন করতে হবে। আগ্রহীরা মোট তিনটি বিষয়ে আবেদন করতে পারবে। আবেদন সাবমিট করার পর একটি আইডি বা সিরিয়াল নম্বর আসবে। এটি সংরক্ষণে রাখতে হবে পরবর্তী সব কার্যক্রমের জন্য। আবেদনে দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে ডাকা হবে লিখিত পরীক্ষার জন্য। উত্তীর্ণদের অংশ নিতে হবে মৌখিক পরীক্ষায়। পছন্দক্রমের প্রথমে থাকা বিষয়ে প্রশ্ন করা হবে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায়।
প্রশিক্ষণ পদ্ধতি
তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ও প্রশিক্ষক হিসেবে ন্যুনতম পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে-বিআইটিএমের এমন ১৮ জন প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। আরো কিছু প্রশিক্ষক নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধাসংবলিত আধুনিক কম্পিউটার ল্যাবে নেওয়া হয় তত্ত্বীয় ও ব্যবহারিক ক্লাস।
যোগাযোগ
রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিডিবিএল ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত বিআইটিএম অফিসে গিয়ে জানা যাবে ভর্তিসংক্রান্ত সব তথ্য। ০৯৬১২ ৩৪২৪৮৬ ও ০১১৯১ ০১৫৯৯৮ নম্বরে ফোন করেও জানা যাবে দরকারি তথ্য।
- See more at: http://www.kalerkantho.com/feature/chakriache/2015/07/29/249646#sthash.re73RNcF.dpuf
স্কিল ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের (এসইআইপি) চিফ কো-অর্ডিনেটর নইমুল ইসলাম জানান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের এসইআইপি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এবং বেসিস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিআইটিএম)। এসইআইপি প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি), সুইস উন্নয়ন করপোরেশন সংস্থা ও বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয়ের সহায়তায়। এ প্রকল্পে মোট খরচ হবে প্রায় ৪৬ কোটি টাকা।
খরচ নেই, মিলবে ভাতা
কোনো ফি লাগবে না; উপরন্তু দেওয়া হবে ভাতা। জনপ্রতি মাসে তিন হাজার ১২০ টাকা হারে ভাতা দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ চলাকালে। এ ক্ষেত্রে ন্যুনতম ৮০ শতাংশ ক্লাসে উপস্থিত থাকতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে দেওয়া হবে সনদ। চাকরি বা আত্মকর্মসংস্থানের বিষয়েও সহায়তা করবে বেসিস-বিআইটিএম।
কারা পাবে
বেসিসের কোষাধ্যক্ষ ও বিআইটিএমের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক শাহ ইমরাউল কায়ীশ জানান, বেসিস ও বিআইটিএম তিন বছরে মোট ২৩ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দেবে। প্রথম বছর শুধু ঢাকা বিভাগে পাঁচ হাজারজনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। দ্বিতীয় বছর ৯ হাজারজন এবং তৃতীয় বছরে বাকি ৯ হাজারজন প্রশিক্ষণ পাবে। দ্বিতীয় বছর থেকে সব বিভাগ এর আওতায় আসবে। স্নাতক শেষ অথবা শেষ পর্যায়ে থাকলে আবেদন করা যাবে। অগ্রাধিকার পাবে তরুণীরা। ১ এপ্রিল থেকে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ২৭টি ব্যাচে ৮১০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। চলবে ২০১৭ সাল পর্যন্ত।
প্রশিক্ষণের বিষয় ও মেয়াদ
বেসিসের সহকারী ব্যবস্থাপক (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন) বদরুদ্দোজা মাহমুদ তুহিন জানান, ১৪টি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও), ডিজিটাল মার্কেটিং, টেকনিক্যাল আইটি সাপোর্ট, কাস্টমার সাপোর্ট অ্যান্ড সার্ভিস ও আইটি সেলস ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ এক মাস। ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (পিএইচপি), ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (ডটনেট), মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, সার্ভার অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ও ক্লাউড ম্যানেজমেন্ট, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ইংলিশ কমিউনিকেশন ও বিজনেস কমিউনিকেশন বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ তিন মাস।
আবেদন ও বাছাই প্রক্রিয়া
বিআইটিএমের ব্যবস্থাপক তালুকদার মোহাম্মদ সাব্বির জানান, আবেদন করতে হবে অনলাইনে। বিআইটিএমের http://bitm.org.bd/seip ওয়েবলিংকে গিয়ে আবেদন করতে হবে। আগ্রহীরা মোট তিনটি বিষয়ে আবেদন করতে পারবে। আবেদন সাবমিট করার পর একটি আইডি বা সিরিয়াল নম্বর আসবে। এটি সংরক্ষণে রাখতে হবে পরবর্তী সব কার্যক্রমের জন্য। আবেদনে দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে ডাকা হবে লিখিত পরীক্ষার জন্য। উত্তীর্ণদের অংশ নিতে হবে মৌখিক পরীক্ষায়। পছন্দক্রমের প্রথমে থাকা বিষয়ে প্রশ্ন করা হবে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায়।
প্রশিক্ষণ পদ্ধতি
তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ও প্রশিক্ষক হিসেবে ন্যুনতম পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে-বিআইটিএমের এমন ১৮ জন প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। আরো কিছু প্রশিক্ষক নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধাসংবলিত আধুনিক কম্পিউটার ল্যাবে নেওয়া হয় তত্ত্বীয় ও ব্যবহারিক ক্লাস।
যোগাযোগ
রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিডিবিএল ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত বিআইটিএম অফিসে গিয়ে জানা যাবে ভর্তিসংক্রান্ত সব তথ্য। ০৯৬১২ ৩৪২৪৮৬ ও ০১১৯১ ০১৫৯৯৮ নম্বরে ফোন করেও জানা যাবে দরকারি তথ্য।
- See more at: http://www.kalerkantho.com/feature/chakriache/2015/07/29/249646#sthash.re73RNcF.dpuf
স্কিল ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের (এসইআইপি) চিফ কো-অর্ডিনেটর নইমুল ইসলাম জানান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের এসইআইপি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এবং বেসিস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিআইটিএম)। এসইআইপি প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি), সুইস উন্নয়ন করপোরেশন সংস্থা ও বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয়ের সহায়তায়। এ প্রকল্পে মোট খরচ হবে প্রায় ৪৬ কোটি টাকা।
খরচ নেই, মিলবে ভাতা
কোনো ফি লাগবে না; উপরন্তু দেওয়া হবে ভাতা। জনপ্রতি মাসে তিন হাজার ১২০ টাকা হারে ভাতা দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ চলাকালে। এ ক্ষেত্রে ন্যুনতম ৮০ শতাংশ ক্লাসে উপস্থিত থাকতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে দেওয়া হবে সনদ। চাকরি বা আত্মকর্মসংস্থানের বিষয়েও সহায়তা করবে বেসিস-বিআইটিএম।
কারা পাবে
বেসিসের কোষাধ্যক্ষ ও বিআইটিএমের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক শাহ ইমরাউল কায়ীশ জানান, বেসিস ও বিআইটিএম তিন বছরে মোট ২৩ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দেবে। প্রথম বছর শুধু ঢাকা বিভাগে পাঁচ হাজারজনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। দ্বিতীয় বছর ৯ হাজারজন এবং তৃতীয় বছরে বাকি ৯ হাজারজন প্রশিক্ষণ পাবে। দ্বিতীয় বছর থেকে সব বিভাগ এর আওতায় আসবে। স্নাতক শেষ অথবা শেষ পর্যায়ে থাকলে আবেদন করা যাবে। অগ্রাধিকার পাবে তরুণীরা। ১ এপ্রিল থেকে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ২৭টি ব্যাচে ৮১০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। চলবে ২০১৭ সাল পর্যন্ত।
প্রশিক্ষণের বিষয় ও মেয়াদ
বেসিসের সহকারী ব্যবস্থাপক (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন) বদরুদ্দোজা মাহমুদ তুহিন জানান, ১৪টি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও), ডিজিটাল মার্কেটিং, টেকনিক্যাল আইটি সাপোর্ট, কাস্টমার সাপোর্ট অ্যান্ড সার্ভিস ও আইটি সেলস ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ এক মাস। ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (পিএইচপি), ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (ডটনেট), মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, সার্ভার অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ও ক্লাউড ম্যানেজমেন্ট, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ইংলিশ কমিউনিকেশন ও বিজনেস কমিউনিকেশন বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ তিন মাস।
আবেদন ও বাছাই প্রক্রিয়া
বিআইটিএমের ব্যবস্থাপক তালুকদার মোহাম্মদ সাব্বির জানান, আবেদন করতে হবে অনলাইনে। বিআইটিএমের http://bitm.org.bd/seip ওয়েবলিংকে গিয়ে আবেদন করতে হবে। আগ্রহীরা মোট তিনটি বিষয়ে আবেদন করতে পারবে। আবেদন সাবমিট করার পর একটি আইডি বা সিরিয়াল নম্বর আসবে। এটি সংরক্ষণে রাখতে হবে পরবর্তী সব কার্যক্রমের জন্য। আবেদনে দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে ডাকা হবে লিখিত পরীক্ষার জন্য। উত্তীর্ণদের অংশ নিতে হবে মৌখিক পরীক্ষায়। পছন্দক্রমের প্রথমে থাকা বিষয়ে প্রশ্ন করা হবে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায়।
প্রশিক্ষণ পদ্ধতি
তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ও প্রশিক্ষক হিসেবে ন্যুনতম পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে-বিআইটিএমের এমন ১৮ জন প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। আরো কিছু প্রশিক্ষক নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধাসংবলিত আধুনিক কম্পিউটার ল্যাবে নেওয়া হয় তত্ত্বীয় ও ব্যবহারিক ক্লাস।
যোগাযোগ
রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিডিবিএল ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত বিআইটিএম অফিসে গিয়ে জানা যাবে ভর্তিসংক্রান্ত সব তথ্য। ০৯৬১২ ৩৪২৪৮৬ ও ০১১৯১ ০১৫৯৯৮ নম্বরে ফোন করেও জানা যাবে দরকারি তথ্য।
- See more at: http://www.kalerkantho.com/feature/chakriache/2015/07/29/249646#sthash.re73RNcF.dpuf
স্কিল ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের (এসইআইপি) চিফ কো-অর্ডিনেটর নইমুল ইসলাম জানান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের এসইআইপি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এবং বেসিস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিআইটিএম)। এসইআইপি প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি), সুইস উন্নয়ন করপোরেশন সংস্থা ও বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয়ের সহায়তায়। এ প্রকল্পে মোট খরচ হবে প্রায় ৪৬ কোটি টাকা।
খরচ নেই, মিলবে ভাতা
কোনো ফি লাগবে না; উপরন্তু দেওয়া হবে ভাতা। জনপ্রতি মাসে তিন হাজার ১২০ টাকা হারে ভাতা দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ চলাকালে। এ ক্ষেত্রে ন্যুনতম ৮০ শতাংশ ক্লাসে উপস্থিত থাকতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে দেওয়া হবে সনদ। চাকরি বা আত্মকর্মসংস্থানের বিষয়েও সহায়তা করবে বেসিস-বিআইটিএম।
কারা পাবে
বেসিসের কোষাধ্যক্ষ ও বিআইটিএমের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক শাহ ইমরাউল কায়ীশ জানান, বেসিস ও বিআইটিএম তিন বছরে মোট ২৩ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দেবে। প্রথম বছর শুধু ঢাকা বিভাগে পাঁচ হাজারজনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। দ্বিতীয় বছর ৯ হাজারজন এবং তৃতীয় বছরে বাকি ৯ হাজারজন প্রশিক্ষণ পাবে। দ্বিতীয় বছর থেকে সব বিভাগ এর আওতায় আসবে। স্নাতক শেষ অথবা শেষ পর্যায়ে থাকলে আবেদন করা যাবে। অগ্রাধিকার পাবে তরুণীরা। ১ এপ্রিল থেকে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ২৭টি ব্যাচে ৮১০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। চলবে ২০১৭ সাল পর্যন্ত।
প্রশিক্ষণের বিষয় ও মেয়াদ
বেসিসের সহকারী ব্যবস্থাপক (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন) বদরুদ্দোজা মাহমুদ তুহিন জানান, ১৪টি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও), ডিজিটাল মার্কেটিং, টেকনিক্যাল আইটি সাপোর্ট, কাস্টমার সাপোর্ট অ্যান্ড সার্ভিস ও আইটি সেলস ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ এক মাস। ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (পিএইচপি), ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (ডটনেট), মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, সার্ভার অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ও ক্লাউড ম্যানেজমেন্ট, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ইংলিশ কমিউনিকেশন ও বিজনেস কমিউনিকেশন বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ তিন মাস।
আবেদন ও বাছাই প্রক্রিয়া
বিআইটিএমের ব্যবস্থাপক তালুকদার মোহাম্মদ সাব্বির জানান, আবেদন করতে হবে অনলাইনে। বিআইটিএমের http://bitm.org.bd/seip ওয়েবলিংকে গিয়ে আবেদন করতে হবে। আগ্রহীরা মোট তিনটি বিষয়ে আবেদন করতে পারবে। আবেদন সাবমিট করার পর একটি আইডি বা সিরিয়াল নম্বর আসবে। এটি সংরক্ষণে রাখতে হবে পরবর্তী সব কার্যক্রমের জন্য। আবেদনে দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে ডাকা হবে লিখিত পরীক্ষার জন্য। উত্তীর্ণদের অংশ নিতে হবে মৌখিক পরীক্ষায়। পছন্দক্রমের প্রথমে থাকা বিষয়ে প্রশ্ন করা হবে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায়।
প্রশিক্ষণ পদ্ধতি
তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ও প্রশিক্ষক হিসেবে ন্যুনতম পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে-বিআইটিএমের এমন ১৮ জন প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। আরো কিছু প্রশিক্ষক নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধাসংবলিত আধুনিক কম্পিউটার ল্যাবে নেওয়া হয় তত্ত্বীয় ও ব্যবহারিক ক্লাস।
যোগাযোগ
রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিডিবিএল ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত বিআইটিএম অফিসে গিয়ে জানা যাবে ভর্তিসংক্রান্ত সব তথ্য। ০৯৬১২ ৩৪২৪৮৬ ও ০১১৯১ ০১৫৯৯৮ নম্বরে ফোন করেও জানা যাবে দরকারি তথ্য।
- See more at: http://www.kalerkantho.com/feature/chakriache/2015/07/29/249646#sthash.re73RNcF.dpuf
স্কিল ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের (এসইআইপি) চিফ কো-অর্ডিনেটর নইমুল ইসলাম জানান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের এসইআইপি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এবং বেসিস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিআইটিএম)। এসইআইপি প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি), সুইস উন্নয়ন করপোরেশন সংস্থা ও বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয়ের সহায়তায়। এ প্রকল্পে মোট খরচ হবে প্রায় ৪৬ কোটি টাকা।
খরচ নেই, মিলবে ভাতা
কোনো ফি লাগবে না; উপরন্তু দেওয়া হবে ভাতা। জনপ্রতি মাসে তিন হাজার ১২০ টাকা হারে ভাতা দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ চলাকালে। এ ক্ষেত্রে ন্যুনতম ৮০ শতাংশ ক্লাসে উপস্থিত থাকতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে দেওয়া হবে সনদ। চাকরি বা আত্মকর্মসংস্থানের বিষয়েও সহায়তা করবে বেসিস-বিআইটিএম।
কারা পাবে
বেসিসের কোষাধ্যক্ষ ও বিআইটিএমের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক শাহ ইমরাউল কায়ীশ জানান, বেসিস ও বিআইটিএম তিন বছরে মোট ২৩ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দেবে। প্রথম বছর শুধু ঢাকা বিভাগে পাঁচ হাজারজনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। দ্বিতীয় বছর ৯ হাজারজন এবং তৃতীয় বছরে বাকি ৯ হাজারজন প্রশিক্ষণ পাবে। দ্বিতীয় বছর থেকে সব বিভাগ এর আওতায় আসবে। স্নাতক শেষ অথবা শেষ পর্যায়ে থাকলে আবেদন করা যাবে। অগ্রাধিকার পাবে তরুণীরা। ১ এপ্রিল থেকে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ২৭টি ব্যাচে ৮১০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। চলবে ২০১৭ সাল পর্যন্ত।
প্রশিক্ষণের বিষয় ও মেয়াদ
বেসিসের সহকারী ব্যবস্থাপক (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন) বদরুদ্দোজা মাহমুদ তুহিন জানান, ১৪টি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও), ডিজিটাল মার্কেটিং, টেকনিক্যাল আইটি সাপোর্ট, কাস্টমার সাপোর্ট অ্যান্ড সার্ভিস ও আইটি সেলস ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ এক মাস। ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (পিএইচপি), ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (ডটনেট), মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, সার্ভার অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ও ক্লাউড ম্যানেজমেন্ট, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ইংলিশ কমিউনিকেশন ও বিজনেস কমিউনিকেশন বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ তিন মাস।
আবেদন ও বাছাই প্রক্রিয়া
বিআইটিএমের ব্যবস্থাপক তালুকদার মোহাম্মদ সাব্বির জানান, আবেদন করতে হবে অনলাইনে। বিআইটিএমের http://bitm.org.bd/seip ওয়েবলিংকে গিয়ে আবেদন করতে হবে। আগ্রহীরা মোট তিনটি বিষয়ে আবেদন করতে পারবে। আবেদন সাবমিট করার পর একটি আইডি বা সিরিয়াল নম্বর আসবে। এটি সংরক্ষণে রাখতে হবে পরবর্তী সব কার্যক্রমের জন্য। আবেদনে দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে ডাকা হবে লিখিত পরীক্ষার জন্য। উত্তীর্ণদের অংশ নিতে হবে মৌখিক পরীক্ষায়। পছন্দক্রমের প্রথমে থাকা বিষয়ে প্রশ্ন করা হবে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায়।
প্রশিক্ষণ পদ্ধতি
তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ও প্রশিক্ষক হিসেবে ন্যুনতম পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে-বিআইটিএমের এমন ১৮ জন প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। আরো কিছু প্রশিক্ষক নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধাসংবলিত আধুনিক কম্পিউটার ল্যাবে নেওয়া হয় তত্ত্বীয় ও ব্যবহারিক ক্লাস।
যোগাযোগ
রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিডিবিএল ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত বিআইটিএম অফিসে গিয়ে জানা যাবে ভর্তিসংক্রান্ত সব তথ্য। ০৯৬১২ ৩৪২৪৮৬ ও ০১১৯১ ০১৫৯৯৮ নম্বরে ফোন করেও জানা যাবে দরকারি তথ্য।
- See more at: http://www.kalerkantho.com/feature/chakriache/2015/07/29/249646#sthash.re73RNcF.dpuf
স্কিল ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের (এসইআইপি) চিফ কো-অর্ডিনেটর নইমুল ইসলাম জানান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের এসইআইপি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এবং বেসিস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিআইটিএম)। এসইআইপি প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি), সুইস উন্নয়ন করপোরেশন সংস্থা ও বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয়ের সহায়তায়। এ প্রকল্পে মোট খরচ হবে প্রায় ৪৬ কোটি টাকা।
খরচ নেই, মিলবে ভাতা
কোনো ফি লাগবে না; উপরন্তু দেওয়া হবে ভাতা। জনপ্রতি মাসে তিন হাজার ১২০ টাকা হারে ভাতা দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ চলাকালে। এ ক্ষেত্রে ন্যুনতম ৮০ শতাংশ ক্লাসে উপস্থিত থাকতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে দেওয়া হবে সনদ। চাকরি বা আত্মকর্মসংস্থানের বিষয়েও সহায়তা করবে বেসিস-বিআইটিএম।
কারা পাবে
বেসিসের কোষাধ্যক্ষ ও বিআইটিএমের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক শাহ ইমরাউল কায়ীশ জানান, বেসিস ও বিআইটিএম তিন বছরে মোট ২৩ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দেবে। প্রথম বছর শুধু ঢাকা বিভাগে পাঁচ হাজারজনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। দ্বিতীয় বছর ৯ হাজারজন এবং তৃতীয় বছরে বাকি ৯ হাজারজন প্রশিক্ষণ পাবে। দ্বিতীয় বছর থেকে সব বিভাগ এর আওতায় আসবে। স্নাতক শেষ অথবা শেষ পর্যায়ে থাকলে আবেদন করা যাবে। অগ্রাধিকার পাবে তরুণীরা। ১ এপ্রিল থেকে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ২৭টি ব্যাচে ৮১০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। চলবে ২০১৭ সাল পর্যন্ত।
প্রশিক্ষণের বিষয় ও মেয়াদ
বেসিসের সহকারী ব্যবস্থাপক (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন) বদরুদ্দোজা মাহমুদ তুহিন জানান, ১৪টি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও), ডিজিটাল মার্কেটিং, টেকনিক্যাল আইটি সাপোর্ট, কাস্টমার সাপোর্ট অ্যান্ড সার্ভিস ও আইটি সেলস ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ এক মাস। ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (পিএইচপি), ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (ডটনেট), মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, সার্ভার অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ও ক্লাউড ম্যানেজমেন্ট, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ইংলিশ কমিউনিকেশন ও বিজনেস কমিউনিকেশন বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ তিন মাস।
আবেদন ও বাছাই প্রক্রিয়া
বিআইটিএমের ব্যবস্থাপক তালুকদার মোহাম্মদ সাব্বির জানান, আবেদন করতে হবে অনলাইনে। বিআইটিএমের http://bitm.org.bd/seip ওয়েবলিংকে গিয়ে আবেদন করতে হবে। আগ্রহীরা মোট তিনটি বিষয়ে আবেদন করতে পারবে। আবেদন সাবমিট করার পর একটি আইডি বা সিরিয়াল নম্বর আসবে। এটি সংরক্ষণে রাখতে হবে পরবর্তী সব কার্যক্রমের জন্য। আবেদনে দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে ডাকা হবে লিখিত পরীক্ষার জন্য। উত্তীর্ণদের অংশ নিতে হবে মৌখিক পরীক্ষায়। পছন্দক্রমের প্রথমে থাকা বিষয়ে প্রশ্ন করা হবে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায়।
প্রশিক্ষণ পদ্ধতি
তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ও প্রশিক্ষক হিসেবে ন্যুনতম পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে-বিআইটিএমের এমন ১৮ জন প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। আরো কিছু প্রশিক্ষক নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধাসংবলিত আধুনিক কম্পিউটার ল্যাবে নেওয়া হয় তত্ত্বীয় ও ব্যবহারিক ক্লাস।
যোগাযোগ
রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিডিবিএল ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত বিআইটিএম অফিসে গিয়ে জানা যাবে ভর্তিসংক্রান্ত সব তথ্য। ০৯৬১২ ৩৪২৪৮৬ ও ০১১৯১ ০১৫৯৯৮ নম্বরে ফোন করেও জানা যাবে দরকারি তথ্য।
- See more at: http://www.kalerkantho.com/feature/chakriache/2015/07/29/249646#sthash.re73RNcF.dpuf
স্কিল ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের (এসইআইপি) চিফ কো-অর্ডিনেটর নইমুল ইসলাম জানান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের এসইআইপি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এবং বেসিস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিআইটিএম)। এসইআইপি প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি), সুইস উন্নয়ন করপোরেশন সংস্থা ও বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয়ের সহায়তায়। এ প্রকল্পে মোট খরচ হবে প্রায় ৪৬ কোটি টাকা।
খরচ নেই, মিলবে ভাতা
কোনো ফি লাগবে না; উপরন্তু দেওয়া হবে ভাতা। জনপ্রতি মাসে তিন হাজার ১২০ টাকা হারে ভাতা দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ চলাকালে। এ ক্ষেত্রে ন্যুনতম ৮০ শতাংশ ক্লাসে উপস্থিত থাকতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে দেওয়া হবে সনদ। চাকরি বা আত্মকর্মসংস্থানের বিষয়েও সহায়তা করবে বেসিস-বিআইটিএম।
কারা পাবে
বেসিসের কোষাধ্যক্ষ ও বিআইটিএমের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক শাহ ইমরাউল কায়ীশ জানান, বেসিস ও বিআইটিএম তিন বছরে মোট ২৩ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দেবে। প্রথম বছর শুধু ঢাকা বিভাগে পাঁচ হাজারজনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। দ্বিতীয় বছর ৯ হাজারজন এবং তৃতীয় বছরে বাকি ৯ হাজারজন প্রশিক্ষণ পাবে। দ্বিতীয় বছর থেকে সব বিভাগ এর আওতায় আসবে। স্নাতক শেষ অথবা শেষ পর্যায়ে থাকলে আবেদন করা যাবে। অগ্রাধিকার পাবে তরুণীরা। ১ এপ্রিল থেকে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ২৭টি ব্যাচে ৮১০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। চলবে ২০১৭ সাল পর্যন্ত।
প্রশিক্ষণের বিষয় ও মেয়াদ
বেসিসের সহকারী ব্যবস্থাপক (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন) বদরুদ্দোজা মাহমুদ তুহিন জানান, ১৪টি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও), ডিজিটাল মার্কেটিং, টেকনিক্যাল আইটি সাপোর্ট, কাস্টমার সাপোর্ট অ্যান্ড সার্ভিস ও আইটি সেলস ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ এক মাস। ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (পিএইচপি), ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (ডটনেট), মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, সার্ভার অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ও ক্লাউড ম্যানেজমেন্ট, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ইংলিশ কমিউনিকেশন ও বিজনেস কমিউনিকেশন বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ তিন মাস।
আবেদন ও বাছাই প্রক্রিয়া
বিআইটিএমের ব্যবস্থাপক তালুকদার মোহাম্মদ সাব্বির জানান, আবেদন করতে হবে অনলাইনে। বিআইটিএমের http://bitm.org.bd/seip ওয়েবলিংকে গিয়ে আবেদন করতে হবে। আগ্রহীরা মোট তিনটি বিষয়ে আবেদন করতে পারবে। আবেদন সাবমিট করার পর একটি আইডি বা সিরিয়াল নম্বর আসবে। এটি সংরক্ষণে রাখতে হবে পরবর্তী সব কার্যক্রমের জন্য। আবেদনে দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে ডাকা হবে লিখিত পরীক্ষার জন্য। উত্তীর্ণদের অংশ নিতে হবে মৌখিক পরীক্ষায়। পছন্দক্রমের প্রথমে থাকা বিষয়ে প্রশ্ন করা হবে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায়।
প্রশিক্ষণ পদ্ধতি
তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ও প্রশিক্ষক হিসেবে ন্যুনতম পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে-বিআইটিএমের এমন ১৮ জন প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। আরো কিছু প্রশিক্ষক নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধাসংবলিত আধুনিক কম্পিউটার ল্যাবে নেওয়া হয় তত্ত্বীয় ও ব্যবহারিক ক্লাস।
যোগাযোগ
রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিডিবিএল ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত বিআইটিএম অফিসে গিয়ে জানা যাবে ভর্তিসংক্রান্ত সব তথ্য। ০৯৬১২ ৩৪২৪৮৬ ও ০১১৯১ ০১৫৯৯৮ নম্বরে ফোন করেও জানা যাবে দরকারি তথ্য।
- See more at: http://www.kalerkantho.com/feature/chakriache/2015/07/29/249646#sthash.re73RNcF.dpuf
স্কিল ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের (এসইআইপি) চিফ কো-অর্ডিনেটর নইমুল ইসলাম জানান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের এসইআইপি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এবং বেসিস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিআইটিএম)। এসইআইপি প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি), সুইস উন্নয়ন করপোরেশন সংস্থা ও বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয়ের সহায়তায়। এ প্রকল্পে মোট খরচ হবে প্রায় ৪৬ কোটি টাকা।
খরচ নেই, মিলবে ভাতা
কোনো ফি লাগবে না; উপরন্তু দেওয়া হবে ভাতা। জনপ্রতি মাসে তিন হাজার ১২০ টাকা হারে ভাতা দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ চলাকালে। এ ক্ষেত্রে ন্যুনতম ৮০ শতাংশ ক্লাসে উপস্থিত থাকতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে দেওয়া হবে সনদ। চাকরি বা আত্মকর্মসংস্থানের বিষয়েও সহায়তা করবে বেসিস-বিআইটিএম।
কারা পাবে
বেসিসের কোষাধ্যক্ষ ও বিআইটিএমের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক শাহ ইমরাউল কায়ীশ জানান, বেসিস ও বিআইটিএম তিন বছরে মোট ২৩ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দেবে। প্রথম বছর শুধু ঢাকা বিভাগে পাঁচ হাজারজনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। দ্বিতীয় বছর ৯ হাজারজন এবং তৃতীয় বছরে বাকি ৯ হাজারজন প্রশিক্ষণ পাবে। দ্বিতীয় বছর থেকে সব বিভাগ এর আওতায় আসবে। স্নাতক শেষ অথবা শেষ পর্যায়ে থাকলে আবেদন করা যাবে। অগ্রাধিকার পাবে তরুণীরা। ১ এপ্রিল থেকে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ২৭টি ব্যাচে ৮১০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। চলবে ২০১৭ সাল পর্যন্ত।
প্রশিক্ষণের বিষয় ও মেয়াদ
বেসিসের সহকারী ব্যবস্থাপক (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন) বদরুদ্দোজা মাহমুদ তুহিন জানান, ১৪টি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও), ডিজিটাল মার্কেটিং, টেকনিক্যাল আইটি সাপোর্ট, কাস্টমার সাপোর্ট অ্যান্ড সার্ভিস ও আইটি সেলস ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ এক মাস। ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (পিএইচপি), ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (ডটনেট), মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, সার্ভার অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ও ক্লাউড ম্যানেজমেন্ট, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ইংলিশ কমিউনিকেশন ও বিজনেস কমিউনিকেশন বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ তিন মাস।
আবেদন ও বাছাই প্রক্রিয়া
বিআইটিএমের ব্যবস্থাপক তালুকদার মোহাম্মদ সাব্বির জানান, আবেদন করতে হবে অনলাইনে। বিআইটিএমের http://bitm.org.bd/seip ওয়েবলিংকে গিয়ে আবেদন করতে হবে। আগ্রহীরা মোট তিনটি বিষয়ে আবেদন করতে পারবে। আবেদন সাবমিট করার পর একটি আইডি বা সিরিয়াল নম্বর আসবে। এটি সংরক্ষণে রাখতে হবে পরবর্তী সব কার্যক্রমের জন্য। আবেদনে দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে ডাকা হবে লিখিত পরীক্ষার জন্য। উত্তীর্ণদের অংশ নিতে হবে মৌখিক পরীক্ষায়। পছন্দক্রমের প্রথমে থাকা বিষয়ে প্রশ্ন করা হবে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায়।
প্রশিক্ষণ পদ্ধতি
তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ও প্রশিক্ষক হিসেবে ন্যুনতম পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে-বিআইটিএমের এমন ১৮ জন প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। আরো কিছু প্রশিক্ষক নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধাসংবলিত আধুনিক কম্পিউটার ল্যাবে নেওয়া হয় তত্ত্বীয় ও ব্যবহারিক ক্লাস।
যোগাযোগ
রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিডিবিএল ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত বিআইটিএম অফিসে গিয়ে জানা যাবে ভর্তিসংক্রান্ত সব তথ্য। ০৯৬১২ ৩৪২৪৮৬ ও ০১১৯১ ০১৫৯৯৮ নম্বরে ফোন করেও জানা যাবে দরকারি তথ্য।
- See more at: http://www.kalerkantho.com/feature/chakriache/2015/07/29/249646#sthash.re73RNcF.dpuf

Monday, August 10, 2015

বেসিসে বিনা খরচে প্রশিক্ষণ: প্রতি মাসে ৩১২০ টাকা হারে প্রশিক্ষণকালীন ভাতা

অর্থ মন্ত্রণালয়ের স্কিল ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের আওতায় তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ দেবে বেসিস ও বিআইটিএম। স্কিল ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের (এসইআইপি) চিফ কো-অর্ডিনেটর নইমুল ইসলাম জানান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের এসইআইপি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এবং বেসিস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিআইটিএম)। এসইআইপি প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি), সুইস উন্নয়ন করপোরেশন সংস্থা ও বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয়ের সহায়তায়। এ প্রকল্পে মোট খরচ হবে প্রায় ৪৬ কোটি টাকা।


খরচ নেই, মিলবে ভাতা
কোনো ফি লাগবে না; উপরন্তু দেওয়া হবে ভাতা। জনপ্রতি মাসে তিন হাজার ১২০ টাকা হারে ভাতা দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ চলাকালে। এ ক্ষেত্রে ন্যুনতম ৮০ শতাংশ ক্লাসে উপস্থিত থাকতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে দেওয়া হবে সনদ। চাকরি বা আত্মকর্মসংস্থানের বিষয়েও সহায়তা করবে বেসিস-বিআইটিএম।
কারা পাবে
বেসিসের কোষাধ্যক্ষ ও বিআইটিএমের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক শাহ ইমরাউল কায়ীশ জানান, বেসিস ও বিআইটিএম তিন বছরে মোট ২৩ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দেবে। প্রথম বছর শুধু ঢাকা বিভাগে পাঁচ হাজারজনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। দ্বিতীয় বছর ৯ হাজারজন এবং তৃতীয় বছরে বাকি ৯ হাজারজন প্রশিক্ষণ পাবে। দ্বিতীয় বছর থেকে সব বিভাগ এর আওতায় আসবে। স্নাতক শেষ অথবা শেষ পর্যায়ে থাকলে আবেদন করা যাবে। অগ্রাধিকার পাবে তরুণীরা। ১ এপ্রিল থেকে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ২৭টি ব্যাচে ৮১০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। চলবে ২০১৭ সাল পর্যন্ত।

প্রশিক্ষণের বিষয় ও মেয়াদ
বেসিসের সহকারী ব্যবস্থাপক (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন) বদরুদ্দোজা মাহমুদ তুহিন জানান, ১৪টি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও), ডিজিটাল মার্কেটিং, টেকনিক্যাল আইটি সাপোর্ট, কাস্টমার সাপোর্ট অ্যান্ড সার্ভিস ও আইটি সেলস ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ এক মাস। ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (পিএইচপি), ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (ডটনেট), মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, সার্ভার অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ও ক্লাউড ম্যানেজমেন্ট, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ইংলিশ কমিউনিকেশন ও বিজনেস কমিউনিকেশন বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ তিন মাস।

আবেদন ও বাছাই প্রক্রিয়া
বিআইটিএমের ব্যবস্থাপক তালুকদার মোহাম্মদ সাব্বির জানান, আবেদন করতে হবে অনলাইনে। বিআইটিএমের http://bitm.org.bd/seip ওয়েবলিংকে গিয়ে আবেদন করতে হবে। আগ্রহীরা মোট তিনটি বিষয়ে আবেদন করতে পারবে। আবেদন সাবমিট করার পর একটি আইডি বা সিরিয়াল নম্বর আসবে। এটি সংরক্ষণে রাখতে হবে পরবর্তী সব কার্যক্রমের জন্য। আবেদনে দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে ডাকা হবে লিখিত পরীক্ষার জন্য। উত্তীর্ণদের অংশ নিতে হবে মৌখিক পরীক্ষায়। পছন্দক্রমের প্রথমে থাকা বিষয়ে প্রশ্ন করা হবে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায়।

প্রশিক্ষণ পদ্ধতি
তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ও প্রশিক্ষক হিসেবে ন্যুনতম পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে-বিআইটিএমের এমন ১৮ জন প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। আরো কিছু প্রশিক্ষক নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধাসংবলিত আধুনিক কম্পিউটার ল্যাবে নেওয়া হয় তত্ত্বীয় ও ব্যবহারিক ক্লাস।

যোগাযোগ
রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিডিবিএল ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত বিআইটিএম অফিসে গিয়ে জানা যাবে ভর্তিসংক্রান্ত সব তথ্য। ০৯৬১২ ৩৪২৪৮৬ ও ০১১৯১ ০১৫৯৯৮ নম্বরে ফোন করেও জানা যাবে দরকারি তথ্য।
স্কিল ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের (এসইআইপি) চিফ কো-অর্ডিনেটর নইমুল ইসলাম জানান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের এসইআইপি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এবং বেসিস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিআইটিএম)। এসইআইপি প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি), সুইস উন্নয়ন করপোরেশন সংস্থা ও বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয়ের সহায়তায়। এ প্রকল্পে মোট খরচ হবে প্রায় ৪৬ কোটি টাকা।
খরচ নেই, মিলবে ভাতা
কোনো ফি লাগবে না; উপরন্তু দেওয়া হবে ভাতা। জনপ্রতি মাসে তিন হাজার ১২০ টাকা হারে ভাতা দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ চলাকালে। এ ক্ষেত্রে ন্যুনতম ৮০ শতাংশ ক্লাসে উপস্থিত থাকতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে দেওয়া হবে সনদ। চাকরি বা আত্মকর্মসংস্থানের বিষয়েও সহায়তা করবে বেসিস-বিআইটিএম।
কারা পাবে
বেসিসের কোষাধ্যক্ষ ও বিআইটিএমের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক শাহ ইমরাউল কায়ীশ জানান, বেসিস ও বিআইটিএম তিন বছরে মোট ২৩ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দেবে। প্রথম বছর শুধু ঢাকা বিভাগে পাঁচ হাজারজনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। দ্বিতীয় বছর ৯ হাজারজন এবং তৃতীয় বছরে বাকি ৯ হাজারজন প্রশিক্ষণ পাবে। দ্বিতীয় বছর থেকে সব বিভাগ এর আওতায় আসবে। স্নাতক শেষ অথবা শেষ পর্যায়ে থাকলে আবেদন করা যাবে। অগ্রাধিকার পাবে তরুণীরা। ১ এপ্রিল থেকে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ২৭টি ব্যাচে ৮১০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। চলবে ২০১৭ সাল পর্যন্ত।
প্রশিক্ষণের বিষয় ও মেয়াদ
বেসিসের সহকারী ব্যবস্থাপক (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন) বদরুদ্দোজা মাহমুদ তুহিন জানান, ১৪টি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও), ডিজিটাল মার্কেটিং, টেকনিক্যাল আইটি সাপোর্ট, কাস্টমার সাপোর্ট অ্যান্ড সার্ভিস ও আইটি সেলস ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ এক মাস। ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (পিএইচপি), ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (ডটনেট), মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, সার্ভার অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ও ক্লাউড ম্যানেজমেন্ট, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ইংলিশ কমিউনিকেশন ও বিজনেস কমিউনিকেশন বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ তিন মাস।
আবেদন ও বাছাই প্রক্রিয়া
বিআইটিএমের ব্যবস্থাপক তালুকদার মোহাম্মদ সাব্বির জানান, আবেদন করতে হবে অনলাইনে। বিআইটিএমের http://bitm.org.bd/seip ওয়েবলিংকে গিয়ে আবেদন করতে হবে। আগ্রহীরা মোট তিনটি বিষয়ে আবেদন করতে পারবে। আবেদন সাবমিট করার পর একটি আইডি বা সিরিয়াল নম্বর আসবে। এটি সংরক্ষণে রাখতে হবে পরবর্তী সব কার্যক্রমের জন্য। আবেদনে দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে ডাকা হবে লিখিত পরীক্ষার জন্য। উত্তীর্ণদের অংশ নিতে হবে মৌখিক পরীক্ষায়। পছন্দক্রমের প্রথমে থাকা বিষয়ে প্রশ্ন করা হবে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায়।
প্রশিক্ষণ পদ্ধতি
তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ও প্রশিক্ষক হিসেবে ন্যুনতম পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে-বিআইটিএমের এমন ১৮ জন প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। আরো কিছু প্রশিক্ষক নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধাসংবলিত আধুনিক কম্পিউটার ল্যাবে নেওয়া হয় তত্ত্বীয় ও ব্যবহারিক ক্লাস।
যোগাযোগ
রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিডিবিএল ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত বিআইটিএম অফিসে গিয়ে জানা যাবে ভর্তিসংক্রান্ত সব তথ্য। ০৯৬১২ ৩৪২৪৮৬ ও ০১১৯১ ০১৫৯৯৮ নম্বরে ফোন করেও জানা যাবে দরকারি তথ্য।
- See more at: http://www.kalerkantho.com/feature/chakriache/2015/07/29/249646#sthash.re73RNcF.dpuf
স্কিল ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের (এসইআইপি) চিফ কো-অর্ডিনেটর নইমুল ইসলাম জানান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের এসইআইপি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এবং বেসিস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিআইটিএম)। এসইআইপি প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি), সুইস উন্নয়ন করপোরেশন সংস্থা ও বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয়ের সহায়তায়। এ প্রকল্পে মোট খরচ হবে প্রায় ৪৬ কোটি টাকা।
খরচ নেই, মিলবে ভাতা
কোনো ফি লাগবে না; উপরন্তু দেওয়া হবে ভাতা। জনপ্রতি মাসে তিন হাজার ১২০ টাকা হারে ভাতা দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ চলাকালে। এ ক্ষেত্রে ন্যুনতম ৮০ শতাংশ ক্লাসে উপস্থিত থাকতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে দেওয়া হবে সনদ। চাকরি বা আত্মকর্মসংস্থানের বিষয়েও সহায়তা করবে বেসিস-বিআইটিএম।
কারা পাবে
বেসিসের কোষাধ্যক্ষ ও বিআইটিএমের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক শাহ ইমরাউল কায়ীশ জানান, বেসিস ও বিআইটিএম তিন বছরে মোট ২৩ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দেবে। প্রথম বছর শুধু ঢাকা বিভাগে পাঁচ হাজারজনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। দ্বিতীয় বছর ৯ হাজারজন এবং তৃতীয় বছরে বাকি ৯ হাজারজন প্রশিক্ষণ পাবে। দ্বিতীয় বছর থেকে সব বিভাগ এর আওতায় আসবে। স্নাতক শেষ অথবা শেষ পর্যায়ে থাকলে আবেদন করা যাবে। অগ্রাধিকার পাবে তরুণীরা। ১ এপ্রিল থেকে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ২৭টি ব্যাচে ৮১০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। চলবে ২০১৭ সাল পর্যন্ত।
প্রশিক্ষণের বিষয় ও মেয়াদ
বেসিসের সহকারী ব্যবস্থাপক (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন) বদরুদ্দোজা মাহমুদ তুহিন জানান, ১৪টি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও), ডিজিটাল মার্কেটিং, টেকনিক্যাল আইটি সাপোর্ট, কাস্টমার সাপোর্ট অ্যান্ড সার্ভিস ও আইটি সেলস ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ এক মাস। ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (পিএইচপি), ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (ডটনেট), মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, সার্ভার অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ও ক্লাউড ম্যানেজমেন্ট, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ইংলিশ কমিউনিকেশন ও বিজনেস কমিউনিকেশন বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ তিন মাস।
আবেদন ও বাছাই প্রক্রিয়া
বিআইটিএমের ব্যবস্থাপক তালুকদার মোহাম্মদ সাব্বির জানান, আবেদন করতে হবে অনলাইনে। বিআইটিএমের http://bitm.org.bd/seip ওয়েবলিংকে গিয়ে আবেদন করতে হবে। আগ্রহীরা মোট তিনটি বিষয়ে আবেদন করতে পারবে। আবেদন সাবমিট করার পর একটি আইডি বা সিরিয়াল নম্বর আসবে। এটি সংরক্ষণে রাখতে হবে পরবর্তী সব কার্যক্রমের জন্য। আবেদনে দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে ডাকা হবে লিখিত পরীক্ষার জন্য। উত্তীর্ণদের অংশ নিতে হবে মৌখিক পরীক্ষায়। পছন্দক্রমের প্রথমে থাকা বিষয়ে প্রশ্ন করা হবে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায়।
প্রশিক্ষণ পদ্ধতি
তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ও প্রশিক্ষক হিসেবে ন্যুনতম পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে-বিআইটিএমের এমন ১৮ জন প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। আরো কিছু প্রশিক্ষক নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধাসংবলিত আধুনিক কম্পিউটার ল্যাবে নেওয়া হয় তত্ত্বীয় ও ব্যবহারিক ক্লাস।
যোগাযোগ
রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিডিবিএল ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত বিআইটিএম অফিসে গিয়ে জানা যাবে ভর্তিসংক্রান্ত সব তথ্য। ০৯৬১২ ৩৪২৪৮৬ ও ০১১৯১ ০১৫৯৯৮ নম্বরে ফোন করেও জানা যাবে দরকারি তথ্য।
- See more at: http://www.kalerkantho.com/feature/chakriache/2015/07/29/249646#sthash.re73RNcF.dpuf
স্কিল ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের (এসইআইপি) চিফ কো-অর্ডিনেটর নইমুল ইসলাম জানান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের এসইআইপি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এবং বেসিস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিআইটিএম)। এসইআইপি প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি), সুইস উন্নয়ন করপোরেশন সংস্থা ও বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয়ের সহায়তায়। এ প্রকল্পে মোট খরচ হবে প্রায় ৪৬ কোটি টাকা।
খরচ নেই, মিলবে ভাতা
কোনো ফি লাগবে না; উপরন্তু দেওয়া হবে ভাতা। জনপ্রতি মাসে তিন হাজার ১২০ টাকা হারে ভাতা দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ চলাকালে। এ ক্ষেত্রে ন্যুনতম ৮০ শতাংশ ক্লাসে উপস্থিত থাকতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে দেওয়া হবে সনদ। চাকরি বা আত্মকর্মসংস্থানের বিষয়েও সহায়তা করবে বেসিস-বিআইটিএম।
কারা পাবে
বেসিসের কোষাধ্যক্ষ ও বিআইটিএমের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক শাহ ইমরাউল কায়ীশ জানান, বেসিস ও বিআইটিএম তিন বছরে মোট ২৩ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দেবে। প্রথম বছর শুধু ঢাকা বিভাগে পাঁচ হাজারজনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। দ্বিতীয় বছর ৯ হাজারজন এবং তৃতীয় বছরে বাকি ৯ হাজারজন প্রশিক্ষণ পাবে। দ্বিতীয় বছর থেকে সব বিভাগ এর আওতায় আসবে। স্নাতক শেষ অথবা শেষ পর্যায়ে থাকলে আবেদন করা যাবে। অগ্রাধিকার পাবে তরুণীরা। ১ এপ্রিল থেকে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ২৭টি ব্যাচে ৮১০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। চলবে ২০১৭ সাল পর্যন্ত।
প্রশিক্ষণের বিষয় ও মেয়াদ
বেসিসের সহকারী ব্যবস্থাপক (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন) বদরুদ্দোজা মাহমুদ তুহিন জানান, ১৪টি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও), ডিজিটাল মার্কেটিং, টেকনিক্যাল আইটি সাপোর্ট, কাস্টমার সাপোর্ট অ্যান্ড সার্ভিস ও আইটি সেলস ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ এক মাস। ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (পিএইচপি), ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (ডটনেট), মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, সার্ভার অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ও ক্লাউড ম্যানেজমেন্ট, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ইংলিশ কমিউনিকেশন ও বিজনেস কমিউনিকেশন বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ তিন মাস।
আবেদন ও বাছাই প্রক্রিয়া
বিআইটিএমের ব্যবস্থাপক তালুকদার মোহাম্মদ সাব্বির জানান, আবেদন করতে হবে অনলাইনে। বিআইটিএমের http://bitm.org.bd/seip ওয়েবলিংকে গিয়ে আবেদন করতে হবে। আগ্রহীরা মোট তিনটি বিষয়ে আবেদন করতে পারবে। আবেদন সাবমিট করার পর একটি আইডি বা সিরিয়াল নম্বর আসবে। এটি সংরক্ষণে রাখতে হবে পরবর্তী সব কার্যক্রমের জন্য। আবেদনে দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে ডাকা হবে লিখিত পরীক্ষার জন্য। উত্তীর্ণদের অংশ নিতে হবে মৌখিক পরীক্ষায়। পছন্দক্রমের প্রথমে থাকা বিষয়ে প্রশ্ন করা হবে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায়।
প্রশিক্ষণ পদ্ধতি
তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ও প্রশিক্ষক হিসেবে ন্যুনতম পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে-বিআইটিএমের এমন ১৮ জন প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। আরো কিছু প্রশিক্ষক নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধাসংবলিত আধুনিক কম্পিউটার ল্যাবে নেওয়া হয় তত্ত্বীয় ও ব্যবহারিক ক্লাস।
যোগাযোগ
রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিডিবিএল ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত বিআইটিএম অফিসে গিয়ে জানা যাবে ভর্তিসংক্রান্ত সব তথ্য। ০৯৬১২ ৩৪২৪৮৬ ও ০১১৯১ ০১৫৯৯৮ নম্বরে ফোন করেও জানা যাবে দরকারি তথ্য।
- See more at: http://www.kalerkantho.com/feature/chakriache/2015/07/29/249646#sthash.re73RNcF.dpuf
স্কিল ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের (এসইআইপি) চিফ কো-অর্ডিনেটর নইমুল ইসলাম জানান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের এসইআইপি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এবং বেসিস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিআইটিএম)। এসইআইপি প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি), সুইস উন্নয়ন করপোরেশন সংস্থা ও বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয়ের সহায়তায়। এ প্রকল্পে মোট খরচ হবে প্রায় ৪৬ কোটি টাকা।
খরচ নেই, মিলবে ভাতা
কোনো ফি লাগবে না; উপরন্তু দেওয়া হবে ভাতা। জনপ্রতি মাসে তিন হাজার ১২০ টাকা হারে ভাতা দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ চলাকালে। এ ক্ষেত্রে ন্যুনতম ৮০ শতাংশ ক্লাসে উপস্থিত থাকতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে দেওয়া হবে সনদ। চাকরি বা আত্মকর্মসংস্থানের বিষয়েও সহায়তা করবে বেসিস-বিআইটিএম।
কারা পাবে
বেসিসের কোষাধ্যক্ষ ও বিআইটিএমের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক শাহ ইমরাউল কায়ীশ জানান, বেসিস ও বিআইটিএম তিন বছরে মোট ২৩ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দেবে। প্রথম বছর শুধু ঢাকা বিভাগে পাঁচ হাজারজনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। দ্বিতীয় বছর ৯ হাজারজন এবং তৃতীয় বছরে বাকি ৯ হাজারজন প্রশিক্ষণ পাবে। দ্বিতীয় বছর থেকে সব বিভাগ এর আওতায় আসবে। স্নাতক শেষ অথবা শেষ পর্যায়ে থাকলে আবেদন করা যাবে। অগ্রাধিকার পাবে তরুণীরা। ১ এপ্রিল থেকে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ২৭টি ব্যাচে ৮১০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। চলবে ২০১৭ সাল পর্যন্ত।
প্রশিক্ষণের বিষয় ও মেয়াদ
বেসিসের সহকারী ব্যবস্থাপক (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন) বদরুদ্দোজা মাহমুদ তুহিন জানান, ১৪টি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও), ডিজিটাল মার্কেটিং, টেকনিক্যাল আইটি সাপোর্ট, কাস্টমার সাপোর্ট অ্যান্ড সার্ভিস ও আইটি সেলস ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ এক মাস। ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (পিএইচপি), ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (ডটনেট), মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, সার্ভার অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ও ক্লাউড ম্যানেজমেন্ট, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ইংলিশ কমিউনিকেশন ও বিজনেস কমিউনিকেশন বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ তিন মাস।
আবেদন ও বাছাই প্রক্রিয়া
বিআইটিএমের ব্যবস্থাপক তালুকদার মোহাম্মদ সাব্বির জানান, আবেদন করতে হবে অনলাইনে। বিআইটিএমের http://bitm.org.bd/seip ওয়েবলিংকে গিয়ে আবেদন করতে হবে। আগ্রহীরা মোট তিনটি বিষয়ে আবেদন করতে পারবে। আবেদন সাবমিট করার পর একটি আইডি বা সিরিয়াল নম্বর আসবে। এটি সংরক্ষণে রাখতে হবে পরবর্তী সব কার্যক্রমের জন্য। আবেদনে দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে ডাকা হবে লিখিত পরীক্ষার জন্য। উত্তীর্ণদের অংশ নিতে হবে মৌখিক পরীক্ষায়। পছন্দক্রমের প্রথমে থাকা বিষয়ে প্রশ্ন করা হবে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায়।
প্রশিক্ষণ পদ্ধতি
তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ও প্রশিক্ষক হিসেবে ন্যুনতম পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে-বিআইটিএমের এমন ১৮ জন প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। আরো কিছু প্রশিক্ষক নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধাসংবলিত আধুনিক কম্পিউটার ল্যাবে নেওয়া হয় তত্ত্বীয় ও ব্যবহারিক ক্লাস।
যোগাযোগ
রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিডিবিএল ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত বিআইটিএম অফিসে গিয়ে জানা যাবে ভর্তিসংক্রান্ত সব তথ্য। ০৯৬১২ ৩৪২৪৮৬ ও ০১১৯১ ০১৫৯৯৮ নম্বরে ফোন করেও জানা যাবে দরকারি তথ্য।
- See more at: http://www.kalerkantho.com/feature/chakriache/2015/07/29/249646#sthash.re73RNcF.dpuf
স্কিল ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের (এসইআইপি) চিফ কো-অর্ডিনেটর নইমুল ইসলাম জানান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের এসইআইপি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এবং বেসিস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিআইটিএম)। এসইআইপি প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি), সুইস উন্নয়ন করপোরেশন সংস্থা ও বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয়ের সহায়তায়। এ প্রকল্পে মোট খরচ হবে প্রায় ৪৬ কোটি টাকা।
খরচ নেই, মিলবে ভাতা
কোনো ফি লাগবে না; উপরন্তু দেওয়া হবে ভাতা। জনপ্রতি মাসে তিন হাজার ১২০ টাকা হারে ভাতা দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ চলাকালে। এ ক্ষেত্রে ন্যুনতম ৮০ শতাংশ ক্লাসে উপস্থিত থাকতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে দেওয়া হবে সনদ। চাকরি বা আত্মকর্মসংস্থানের বিষয়েও সহায়তা করবে বেসিস-বিআইটিএম।
কারা পাবে
বেসিসের কোষাধ্যক্ষ ও বিআইটিএমের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক শাহ ইমরাউল কায়ীশ জানান, বেসিস ও বিআইটিএম তিন বছরে মোট ২৩ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দেবে। প্রথম বছর শুধু ঢাকা বিভাগে পাঁচ হাজারজনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। দ্বিতীয় বছর ৯ হাজারজন এবং তৃতীয় বছরে বাকি ৯ হাজারজন প্রশিক্ষণ পাবে। দ্বিতীয় বছর থেকে সব বিভাগ এর আওতায় আসবে। স্নাতক শেষ অথবা শেষ পর্যায়ে থাকলে আবেদন করা যাবে। অগ্রাধিকার পাবে তরুণীরা। ১ এপ্রিল থেকে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ২৭টি ব্যাচে ৮১০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। চলবে ২০১৭ সাল পর্যন্ত।
প্রশিক্ষণের বিষয় ও মেয়াদ
বেসিসের সহকারী ব্যবস্থাপক (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন) বদরুদ্দোজা মাহমুদ তুহিন জানান, ১৪টি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও), ডিজিটাল মার্কেটিং, টেকনিক্যাল আইটি সাপোর্ট, কাস্টমার সাপোর্ট অ্যান্ড সার্ভিস ও আইটি সেলস ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ এক মাস। ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (পিএইচপি), ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (ডটনেট), মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, সার্ভার অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ও ক্লাউড ম্যানেজমেন্ট, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ইংলিশ কমিউনিকেশন ও বিজনেস কমিউনিকেশন বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ তিন মাস।
আবেদন ও বাছাই প্রক্রিয়া
বিআইটিএমের ব্যবস্থাপক তালুকদার মোহাম্মদ সাব্বির জানান, আবেদন করতে হবে অনলাইনে। বিআইটিএমের http://bitm.org.bd/seip ওয়েবলিংকে গিয়ে আবেদন করতে হবে। আগ্রহীরা মোট তিনটি বিষয়ে আবেদন করতে পারবে। আবেদন সাবমিট করার পর একটি আইডি বা সিরিয়াল নম্বর আসবে। এটি সংরক্ষণে রাখতে হবে পরবর্তী সব কার্যক্রমের জন্য। আবেদনে দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে ডাকা হবে লিখিত পরীক্ষার জন্য। উত্তীর্ণদের অংশ নিতে হবে মৌখিক পরীক্ষায়। পছন্দক্রমের প্রথমে থাকা বিষয়ে প্রশ্ন করা হবে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায়।
প্রশিক্ষণ পদ্ধতি
তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ও প্রশিক্ষক হিসেবে ন্যুনতম পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে-বিআইটিএমের এমন ১৮ জন প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। আরো কিছু প্রশিক্ষক নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধাসংবলিত আধুনিক কম্পিউটার ল্যাবে নেওয়া হয় তত্ত্বীয় ও ব্যবহারিক ক্লাস।
যোগাযোগ
রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিডিবিএল ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত বিআইটিএম অফিসে গিয়ে জানা যাবে ভর্তিসংক্রান্ত সব তথ্য। ০৯৬১২ ৩৪২৪৮৬ ও ০১১৯১ ০১৫৯৯৮ নম্বরে ফোন করেও জানা যাবে দরকারি তথ্য।
- See more at: http://www.kalerkantho.com/feature/chakriache/2015/07/29/249646#sthash.re73RNcF.dpuf
স্কিল ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের (এসইআইপি) চিফ কো-অর্ডিনেটর নইমুল ইসলাম জানান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের এসইআইপি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এবং বেসিস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিআইটিএম)। এসইআইপি প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি), সুইস উন্নয়ন করপোরেশন সংস্থা ও বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয়ের সহায়তায়। এ প্রকল্পে মোট খরচ হবে প্রায় ৪৬ কোটি টাকা।
খরচ নেই, মিলবে ভাতা
কোনো ফি লাগবে না; উপরন্তু দেওয়া হবে ভাতা। জনপ্রতি মাসে তিন হাজার ১২০ টাকা হারে ভাতা দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ চলাকালে। এ ক্ষেত্রে ন্যুনতম ৮০ শতাংশ ক্লাসে উপস্থিত থাকতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে দেওয়া হবে সনদ। চাকরি বা আত্মকর্মসংস্থানের বিষয়েও সহায়তা করবে বেসিস-বিআইটিএম।
কারা পাবে
বেসিসের কোষাধ্যক্ষ ও বিআইটিএমের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক শাহ ইমরাউল কায়ীশ জানান, বেসিস ও বিআইটিএম তিন বছরে মোট ২৩ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দেবে। প্রথম বছর শুধু ঢাকা বিভাগে পাঁচ হাজারজনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। দ্বিতীয় বছর ৯ হাজারজন এবং তৃতীয় বছরে বাকি ৯ হাজারজন প্রশিক্ষণ পাবে। দ্বিতীয় বছর থেকে সব বিভাগ এর আওতায় আসবে। স্নাতক শেষ অথবা শেষ পর্যায়ে থাকলে আবেদন করা যাবে। অগ্রাধিকার পাবে তরুণীরা। ১ এপ্রিল থেকে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ২৭টি ব্যাচে ৮১০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। চলবে ২০১৭ সাল পর্যন্ত।
প্রশিক্ষণের বিষয় ও মেয়াদ
বেসিসের সহকারী ব্যবস্থাপক (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন) বদরুদ্দোজা মাহমুদ তুহিন জানান, ১৪টি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও), ডিজিটাল মার্কেটিং, টেকনিক্যাল আইটি সাপোর্ট, কাস্টমার সাপোর্ট অ্যান্ড সার্ভিস ও আইটি সেলস ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ এক মাস। ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (পিএইচপি), ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (ডটনেট), মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, সার্ভার অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ও ক্লাউড ম্যানেজমেন্ট, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ইংলিশ কমিউনিকেশন ও বিজনেস কমিউনিকেশন বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ তিন মাস।
আবেদন ও বাছাই প্রক্রিয়া
বিআইটিএমের ব্যবস্থাপক তালুকদার মোহাম্মদ সাব্বির জানান, আবেদন করতে হবে অনলাইনে। বিআইটিএমের http://bitm.org.bd/seip ওয়েবলিংকে গিয়ে আবেদন করতে হবে। আগ্রহীরা মোট তিনটি বিষয়ে আবেদন করতে পারবে। আবেদন সাবমিট করার পর একটি আইডি বা সিরিয়াল নম্বর আসবে। এটি সংরক্ষণে রাখতে হবে পরবর্তী সব কার্যক্রমের জন্য। আবেদনে দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে ডাকা হবে লিখিত পরীক্ষার জন্য। উত্তীর্ণদের অংশ নিতে হবে মৌখিক পরীক্ষায়। পছন্দক্রমের প্রথমে থাকা বিষয়ে প্রশ্ন করা হবে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায়।
প্রশিক্ষণ পদ্ধতি
তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ও প্রশিক্ষক হিসেবে ন্যুনতম পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে-বিআইটিএমের এমন ১৮ জন প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। আরো কিছু প্রশিক্ষক নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধাসংবলিত আধুনিক কম্পিউটার ল্যাবে নেওয়া হয় তত্ত্বীয় ও ব্যবহারিক ক্লাস।
যোগাযোগ
রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিডিবিএল ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত বিআইটিএম অফিসে গিয়ে জানা যাবে ভর্তিসংক্রান্ত সব তথ্য। ০৯৬১২ ৩৪২৪৮৬ ও ০১১৯১ ০১৫৯৯৮ নম্বরে ফোন করেও জানা যাবে দরকারি তথ্য।
- See more at: http://www.kalerkantho.com/feature/chakriache/2015/07/29/249646#sthash.re73RNcF.dpuf
স্কিল ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের (এসইআইপি) চিফ কো-অর্ডিনেটর নইমুল ইসলাম জানান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের এসইআইপি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এবং বেসিস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিআইটিএম)। এসইআইপি প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি), সুইস উন্নয়ন করপোরেশন সংস্থা ও বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয়ের সহায়তায়। এ প্রকল্পে মোট খরচ হবে প্রায় ৪৬ কোটি টাকা।
খরচ নেই, মিলবে ভাতা
কোনো ফি লাগবে না; উপরন্তু দেওয়া হবে ভাতা। জনপ্রতি মাসে তিন হাজার ১২০ টাকা হারে ভাতা দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ চলাকালে। এ ক্ষেত্রে ন্যুনতম ৮০ শতাংশ ক্লাসে উপস্থিত থাকতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে দেওয়া হবে সনদ। চাকরি বা আত্মকর্মসংস্থানের বিষয়েও সহায়তা করবে বেসিস-বিআইটিএম।
কারা পাবে
বেসিসের কোষাধ্যক্ষ ও বিআইটিএমের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক শাহ ইমরাউল কায়ীশ জানান, বেসিস ও বিআইটিএম তিন বছরে মোট ২৩ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দেবে। প্রথম বছর শুধু ঢাকা বিভাগে পাঁচ হাজারজনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। দ্বিতীয় বছর ৯ হাজারজন এবং তৃতীয় বছরে বাকি ৯ হাজারজন প্রশিক্ষণ পাবে। দ্বিতীয় বছর থেকে সব বিভাগ এর আওতায় আসবে। স্নাতক শেষ অথবা শেষ পর্যায়ে থাকলে আবেদন করা যাবে। অগ্রাধিকার পাবে তরুণীরা। ১ এপ্রিল থেকে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ২৭টি ব্যাচে ৮১০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। চলবে ২০১৭ সাল পর্যন্ত।
প্রশিক্ষণের বিষয় ও মেয়াদ
বেসিসের সহকারী ব্যবস্থাপক (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন) বদরুদ্দোজা মাহমুদ তুহিন জানান, ১৪টি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও), ডিজিটাল মার্কেটিং, টেকনিক্যাল আইটি সাপোর্ট, কাস্টমার সাপোর্ট অ্যান্ড সার্ভিস ও আইটি সেলস ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ এক মাস। ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (পিএইচপি), ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (ডটনেট), মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, সার্ভার অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ও ক্লাউড ম্যানেজমেন্ট, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ইংলিশ কমিউনিকেশন ও বিজনেস কমিউনিকেশন বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ তিন মাস।
আবেদন ও বাছাই প্রক্রিয়া
বিআইটিএমের ব্যবস্থাপক তালুকদার মোহাম্মদ সাব্বির জানান, আবেদন করতে হবে অনলাইনে। বিআইটিএমের http://bitm.org.bd/seip ওয়েবলিংকে গিয়ে আবেদন করতে হবে। আগ্রহীরা মোট তিনটি বিষয়ে আবেদন করতে পারবে। আবেদন সাবমিট করার পর একটি আইডি বা সিরিয়াল নম্বর আসবে। এটি সংরক্ষণে রাখতে হবে পরবর্তী সব কার্যক্রমের জন্য। আবেদনে দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে ডাকা হবে লিখিত পরীক্ষার জন্য। উত্তীর্ণদের অংশ নিতে হবে মৌখিক পরীক্ষায়। পছন্দক্রমের প্রথমে থাকা বিষয়ে প্রশ্ন করা হবে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায়।
প্রশিক্ষণ পদ্ধতি
তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ও প্রশিক্ষক হিসেবে ন্যুনতম পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে-বিআইটিএমের এমন ১৮ জন প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। আরো কিছু প্রশিক্ষক নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধাসংবলিত আধুনিক কম্পিউটার ল্যাবে নেওয়া হয় তত্ত্বীয় ও ব্যবহারিক ক্লাস।
যোগাযোগ
রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিডিবিএল ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত বিআইটিএম অফিসে গিয়ে জানা যাবে ভর্তিসংক্রান্ত সব তথ্য। ০৯৬১২ ৩৪২৪৮৬ ও ০১১৯১ ০১৫৯৯৮ নম্বরে ফোন করেও জানা যাবে দরকারি তথ্য।
- See more at: http://www.kalerkantho.com/feature/chakriache/2015/07/29/249646#sthash.re73RNcF.dpuf
স্কিল ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের (এসইআইপি) চিফ কো-অর্ডিনেটর নইমুল ইসলাম জানান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের এসইআইপি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এবং বেসিস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিআইটিএম)। এসইআইপি প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি), সুইস উন্নয়ন করপোরেশন সংস্থা ও বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয়ের সহায়তায়। এ প্রকল্পে মোট খরচ হবে প্রায় ৪৬ কোটি টাকা।
খরচ নেই, মিলবে ভাতা
কোনো ফি লাগবে না; উপরন্তু দেওয়া হবে ভাতা। জনপ্রতি মাসে তিন হাজার ১২০ টাকা হারে ভাতা দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ চলাকালে। এ ক্ষেত্রে ন্যুনতম ৮০ শতাংশ ক্লাসে উপস্থিত থাকতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে দেওয়া হবে সনদ। চাকরি বা আত্মকর্মসংস্থানের বিষয়েও সহায়তা করবে বেসিস-বিআইটিএম।
কারা পাবে
বেসিসের কোষাধ্যক্ষ ও বিআইটিএমের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক শাহ ইমরাউল কায়ীশ জানান, বেসিস ও বিআইটিএম তিন বছরে মোট ২৩ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দেবে। প্রথম বছর শুধু ঢাকা বিভাগে পাঁচ হাজারজনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। দ্বিতীয় বছর ৯ হাজারজন এবং তৃতীয় বছরে বাকি ৯ হাজারজন প্রশিক্ষণ পাবে। দ্বিতীয় বছর থেকে সব বিভাগ এর আওতায় আসবে। স্নাতক শেষ অথবা শেষ পর্যায়ে থাকলে আবেদন করা যাবে। অগ্রাধিকার পাবে তরুণীরা। ১ এপ্রিল থেকে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ২৭টি ব্যাচে ৮১০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। চলবে ২০১৭ সাল পর্যন্ত।
প্রশিক্ষণের বিষয় ও মেয়াদ
বেসিসের সহকারী ব্যবস্থাপক (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন) বদরুদ্দোজা মাহমুদ তুহিন জানান, ১৪টি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও), ডিজিটাল মার্কেটিং, টেকনিক্যাল আইটি সাপোর্ট, কাস্টমার সাপোর্ট অ্যান্ড সার্ভিস ও আইটি সেলস ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ এক মাস। ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (পিএইচপি), ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (ডটনেট), মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, সার্ভার অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ও ক্লাউড ম্যানেজমেন্ট, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ইংলিশ কমিউনিকেশন ও বিজনেস কমিউনিকেশন বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ তিন মাস।
আবেদন ও বাছাই প্রক্রিয়া
বিআইটিএমের ব্যবস্থাপক তালুকদার মোহাম্মদ সাব্বির জানান, আবেদন করতে হবে অনলাইনে। বিআইটিএমের http://bitm.org.bd/seip ওয়েবলিংকে গিয়ে আবেদন করতে হবে। আগ্রহীরা মোট তিনটি বিষয়ে আবেদন করতে পারবে। আবেদন সাবমিট করার পর একটি আইডি বা সিরিয়াল নম্বর আসবে। এটি সংরক্ষণে রাখতে হবে পরবর্তী সব কার্যক্রমের জন্য। আবেদনে দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে ডাকা হবে লিখিত পরীক্ষার জন্য। উত্তীর্ণদের অংশ নিতে হবে মৌখিক পরীক্ষায়। পছন্দক্রমের প্রথমে থাকা বিষয়ে প্রশ্ন করা হবে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায়।
প্রশিক্ষণ পদ্ধতি
তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ও প্রশিক্ষক হিসেবে ন্যুনতম পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে-বিআইটিএমের এমন ১৮ জন প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। আরো কিছু প্রশিক্ষক নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধাসংবলিত আধুনিক কম্পিউটার ল্যাবে নেওয়া হয় তত্ত্বীয় ও ব্যবহারিক ক্লাস।
যোগাযোগ
রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিডিবিএল ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত বিআইটিএম অফিসে গিয়ে জানা যাবে ভর্তিসংক্রান্ত সব তথ্য। ০৯৬১২ ৩৪২৪৮৬ ও ০১১৯১ ০১৫৯৯৮ নম্বরে ফোন করেও জানা যাবে দরকারি তথ্য।
- See more at: http://www.kalerkantho.com/feature/chakriache/2015/07/29/249646#sthash.re73RNcF.dpuf
স্কিল ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের (এসইআইপি) চিফ কো-অর্ডিনেটর নইমুল ইসলাম জানান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের এসইআইপি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এবং বেসিস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিআইটিএম)। এসইআইপি প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি), সুইস উন্নয়ন করপোরেশন সংস্থা ও বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয়ের সহায়তায়। এ প্রকল্পে মোট খরচ হবে প্রায় ৪৬ কোটি টাকা।
খরচ নেই, মিলবে ভাতা
কোনো ফি লাগবে না; উপরন্তু দেওয়া হবে ভাতা। জনপ্রতি মাসে তিন হাজার ১২০ টাকা হারে ভাতা দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ চলাকালে। এ ক্ষেত্রে ন্যুনতম ৮০ শতাংশ ক্লাসে উপস্থিত থাকতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে দেওয়া হবে সনদ। চাকরি বা আত্মকর্মসংস্থানের বিষয়েও সহায়তা করবে বেসিস-বিআইটিএম।
কারা পাবে
বেসিসের কোষাধ্যক্ষ ও বিআইটিএমের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক শাহ ইমরাউল কায়ীশ জানান, বেসিস ও বিআইটিএম তিন বছরে মোট ২৩ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দেবে। প্রথম বছর শুধু ঢাকা বিভাগে পাঁচ হাজারজনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। দ্বিতীয় বছর ৯ হাজারজন এবং তৃতীয় বছরে বাকি ৯ হাজারজন প্রশিক্ষণ পাবে। দ্বিতীয় বছর থেকে সব বিভাগ এর আওতায় আসবে। স্নাতক শেষ অথবা শেষ পর্যায়ে থাকলে আবেদন করা যাবে। অগ্রাধিকার পাবে তরুণীরা। ১ এপ্রিল থেকে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ২৭টি ব্যাচে ৮১০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। চলবে ২০১৭ সাল পর্যন্ত।
প্রশিক্ষণের বিষয় ও মেয়াদ
বেসিসের সহকারী ব্যবস্থাপক (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন) বদরুদ্দোজা মাহমুদ তুহিন জানান, ১৪টি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও), ডিজিটাল মার্কেটিং, টেকনিক্যাল আইটি সাপোর্ট, কাস্টমার সাপোর্ট অ্যান্ড সার্ভিস ও আইটি সেলস ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ এক মাস। ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (পিএইচপি), ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (ডটনেট), মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, সার্ভার অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ও ক্লাউড ম্যানেজমেন্ট, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ইংলিশ কমিউনিকেশন ও বিজনেস কমিউনিকেশন বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ তিন মাস।
আবেদন ও বাছাই প্রক্রিয়া
বিআইটিএমের ব্যবস্থাপক তালুকদার মোহাম্মদ সাব্বির জানান, আবেদন করতে হবে অনলাইনে। বিআইটিএমের http://bitm.org.bd/seip ওয়েবলিংকে গিয়ে আবেদন করতে হবে। আগ্রহীরা মোট তিনটি বিষয়ে আবেদন করতে পারবে। আবেদন সাবমিট করার পর একটি আইডি বা সিরিয়াল নম্বর আসবে। এটি সংরক্ষণে রাখতে হবে পরবর্তী সব কার্যক্রমের জন্য। আবেদনে দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে ডাকা হবে লিখিত পরীক্ষার জন্য। উত্তীর্ণদের অংশ নিতে হবে মৌখিক পরীক্ষায়। পছন্দক্রমের প্রথমে থাকা বিষয়ে প্রশ্ন করা হবে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায়।
প্রশিক্ষণ পদ্ধতি
তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ও প্রশিক্ষক হিসেবে ন্যুনতম পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে-বিআইটিএমের এমন ১৮ জন প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। আরো কিছু প্রশিক্ষক নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধাসংবলিত আধুনিক কম্পিউটার ল্যাবে নেওয়া হয় তত্ত্বীয় ও ব্যবহারিক ক্লাস।
যোগাযোগ
রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিডিবিএল ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত বিআইটিএম অফিসে গিয়ে জানা যাবে ভর্তিসংক্রান্ত সব তথ্য। ০৯৬১২ ৩৪২৪৮৬ ও ০১১৯১ ০১৫৯৯৮ নম্বরে ফোন করেও জানা যাবে দরকারি তথ্য।
- See more at: http://www.kalerkantho.com/feature/chakriache/2015/07/29/249646#sthash.re73RNcF.dpuf
স্কিল ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের (এসইআইপি) চিফ কো-অর্ডিনেটর নইমুল ইসলাম জানান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের এসইআইপি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এবং বেসিস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিআইটিএম)। এসইআইপি প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি), সুইস উন্নয়ন করপোরেশন সংস্থা ও বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয়ের সহায়তায়। এ প্রকল্পে মোট খরচ হবে প্রায় ৪৬ কোটি টাকা।
খরচ নেই, মিলবে ভাতা
কোনো ফি লাগবে না; উপরন্তু দেওয়া হবে ভাতা। জনপ্রতি মাসে তিন হাজার ১২০ টাকা হারে ভাতা দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ চলাকালে। এ ক্ষেত্রে ন্যুনতম ৮০ শতাংশ ক্লাসে উপস্থিত থাকতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে দেওয়া হবে সনদ। চাকরি বা আত্মকর্মসংস্থানের বিষয়েও সহায়তা করবে বেসিস-বিআইটিএম।
কারা পাবে
বেসিসের কোষাধ্যক্ষ ও বিআইটিএমের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক শাহ ইমরাউল কায়ীশ জানান, বেসিস ও বিআইটিএম তিন বছরে মোট ২৩ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দেবে। প্রথম বছর শুধু ঢাকা বিভাগে পাঁচ হাজারজনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। দ্বিতীয় বছর ৯ হাজারজন এবং তৃতীয় বছরে বাকি ৯ হাজারজন প্রশিক্ষণ পাবে। দ্বিতীয় বছর থেকে সব বিভাগ এর আওতায় আসবে। স্নাতক শেষ অথবা শেষ পর্যায়ে থাকলে আবেদন করা যাবে। অগ্রাধিকার পাবে তরুণীরা। ১ এপ্রিল থেকে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ২৭টি ব্যাচে ৮১০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। চলবে ২০১৭ সাল পর্যন্ত।
প্রশিক্ষণের বিষয় ও মেয়াদ
বেসিসের সহকারী ব্যবস্থাপক (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন) বদরুদ্দোজা মাহমুদ তুহিন জানান, ১৪টি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও), ডিজিটাল মার্কেটিং, টেকনিক্যাল আইটি সাপোর্ট, কাস্টমার সাপোর্ট অ্যান্ড সার্ভিস ও আইটি সেলস ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ এক মাস। ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (পিএইচপি), ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (ডটনেট), মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, সার্ভার অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ও ক্লাউড ম্যানেজমেন্ট, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ইংলিশ কমিউনিকেশন ও বিজনেস কমিউনিকেশন বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ তিন মাস।
আবেদন ও বাছাই প্রক্রিয়া
বিআইটিএমের ব্যবস্থাপক তালুকদার মোহাম্মদ সাব্বির জানান, আবেদন করতে হবে অনলাইনে। বিআইটিএমের http://bitm.org.bd/seip ওয়েবলিংকে গিয়ে আবেদন করতে হবে। আগ্রহীরা মোট তিনটি বিষয়ে আবেদন করতে পারবে। আবেদন সাবমিট করার পর একটি আইডি বা সিরিয়াল নম্বর আসবে। এটি সংরক্ষণে রাখতে হবে পরবর্তী সব কার্যক্রমের জন্য। আবেদনে দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে ডাকা হবে লিখিত পরীক্ষার জন্য। উত্তীর্ণদের অংশ নিতে হবে মৌখিক পরীক্ষায়। পছন্দক্রমের প্রথমে থাকা বিষয়ে প্রশ্ন করা হবে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায়।
প্রশিক্ষণ পদ্ধতি
তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ও প্রশিক্ষক হিসেবে ন্যুনতম পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে-বিআইটিএমের এমন ১৮ জন প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। আরো কিছু প্রশিক্ষক নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধাসংবলিত আধুনিক কম্পিউটার ল্যাবে নেওয়া হয় তত্ত্বীয় ও ব্যবহারিক ক্লাস।
যোগাযোগ
রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিডিবিএল ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত বিআইটিএম অফিসে গিয়ে জানা যাবে ভর্তিসংক্রান্ত সব তথ্য। ০৯৬১২ ৩৪২৪৮৬ ও ০১১৯১ ০১৫৯৯৮ নম্বরে ফোন করেও জানা যাবে দরকারি তথ্য।
- See more at: http://www.kalerkantho.com/feature/chakriache/2015/07/29/249646#sthash.re73RNcF.dpuf
স্কিল ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের (এসইআইপি) চিফ কো-অর্ডিনেটর নইমুল ইসলাম জানান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের এসইআইপি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এবং বেসিস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিআইটিএম)। এসইআইপি প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি), সুইস উন্নয়ন করপোরেশন সংস্থা ও বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয়ের সহায়তায়। এ প্রকল্পে মোট খরচ হবে প্রায় ৪৬ কোটি টাকা।
খরচ নেই, মিলবে ভাতা
কোনো ফি লাগবে না; উপরন্তু দেওয়া হবে ভাতা। জনপ্রতি মাসে তিন হাজার ১২০ টাকা হারে ভাতা দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ চলাকালে। এ ক্ষেত্রে ন্যুনতম ৮০ শতাংশ ক্লাসে উপস্থিত থাকতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে দেওয়া হবে সনদ। চাকরি বা আত্মকর্মসংস্থানের বিষয়েও সহায়তা করবে বেসিস-বিআইটিএম।
কারা পাবে
বেসিসের কোষাধ্যক্ষ ও বিআইটিএমের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক শাহ ইমরাউল কায়ীশ জানান, বেসিস ও বিআইটিএম তিন বছরে মোট ২৩ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দেবে। প্রথম বছর শুধু ঢাকা বিভাগে পাঁচ হাজারজনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। দ্বিতীয় বছর ৯ হাজারজন এবং তৃতীয় বছরে বাকি ৯ হাজারজন প্রশিক্ষণ পাবে। দ্বিতীয় বছর থেকে সব বিভাগ এর আওতায় আসবে। স্নাতক শেষ অথবা শেষ পর্যায়ে থাকলে আবেদন করা যাবে। অগ্রাধিকার পাবে তরুণীরা। ১ এপ্রিল থেকে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ২৭টি ব্যাচে ৮১০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। চলবে ২০১৭ সাল পর্যন্ত।
প্রশিক্ষণের বিষয় ও মেয়াদ
বেসিসের সহকারী ব্যবস্থাপক (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন) বদরুদ্দোজা মাহমুদ তুহিন জানান, ১৪টি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও), ডিজিটাল মার্কেটিং, টেকনিক্যাল আইটি সাপোর্ট, কাস্টমার সাপোর্ট অ্যান্ড সার্ভিস ও আইটি সেলস ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ এক মাস। ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (পিএইচপি), ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (ডটনেট), মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, সার্ভার অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ও ক্লাউড ম্যানেজমেন্ট, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ইংলিশ কমিউনিকেশন ও বিজনেস কমিউনিকেশন বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ তিন মাস।
আবেদন ও বাছাই প্রক্রিয়া
বিআইটিএমের ব্যবস্থাপক তালুকদার মোহাম্মদ সাব্বির জানান, আবেদন করতে হবে অনলাইনে। বিআইটিএমের http://bitm.org.bd/seip ওয়েবলিংকে গিয়ে আবেদন করতে হবে। আগ্রহীরা মোট তিনটি বিষয়ে আবেদন করতে পারবে। আবেদন সাবমিট করার পর একটি আইডি বা সিরিয়াল নম্বর আসবে। এটি সংরক্ষণে রাখতে হবে পরবর্তী সব কার্যক্রমের জন্য। আবেদনে দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে ডাকা হবে লিখিত পরীক্ষার জন্য। উত্তীর্ণদের অংশ নিতে হবে মৌখিক পরীক্ষায়। পছন্দক্রমের প্রথমে থাকা বিষয়ে প্রশ্ন করা হবে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায়।
প্রশিক্ষণ পদ্ধতি
তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ও প্রশিক্ষক হিসেবে ন্যুনতম পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে-বিআইটিএমের এমন ১৮ জন প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। আরো কিছু প্রশিক্ষক নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধাসংবলিত আধুনিক কম্পিউটার ল্যাবে নেওয়া হয় তত্ত্বীয় ও ব্যবহারিক ক্লাস।
যোগাযোগ
রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিডিবিএল ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত বিআইটিএম অফিসে গিয়ে জানা যাবে ভর্তিসংক্রান্ত সব তথ্য। ০৯৬১২ ৩৪২৪৮৬ ও ০১১৯১ ০১৫৯৯৮ নম্বরে ফোন করেও জানা যাবে দরকারি তথ্য।
- See more at: http://www.kalerkantho.com/feature/chakriache/2015/07/29/249646#sthash.re73RNcF.dpuf
স্কিল ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের (এসইআইপি) চিফ কো-অর্ডিনেটর নইমুল ইসলাম জানান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের এসইআইপি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এবং বেসিস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিআইটিএম)। এসইআইপি প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি), সুইস উন্নয়ন করপোরেশন সংস্থা ও বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয়ের সহায়তায়। এ প্রকল্পে মোট খরচ হবে প্রায় ৪৬ কোটি টাকা।
খরচ নেই, মিলবে ভাতা
কোনো ফি লাগবে না; উপরন্তু দেওয়া হবে ভাতা। জনপ্রতি মাসে তিন হাজার ১২০ টাকা হারে ভাতা দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ চলাকালে। এ ক্ষেত্রে ন্যুনতম ৮০ শতাংশ ক্লাসে উপস্থিত থাকতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে দেওয়া হবে সনদ। চাকরি বা আত্মকর্মসংস্থানের বিষয়েও সহায়তা করবে বেসিস-বিআইটিএম।
কারা পাবে
বেসিসের কোষাধ্যক্ষ ও বিআইটিএমের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক শাহ ইমরাউল কায়ীশ জানান, বেসিস ও বিআইটিএম তিন বছরে মোট ২৩ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দেবে। প্রথম বছর শুধু ঢাকা বিভাগে পাঁচ হাজারজনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। দ্বিতীয় বছর ৯ হাজারজন এবং তৃতীয় বছরে বাকি ৯ হাজারজন প্রশিক্ষণ পাবে। দ্বিতীয় বছর থেকে সব বিভাগ এর আওতায় আসবে। স্নাতক শেষ অথবা শেষ পর্যায়ে থাকলে আবেদন করা যাবে। অগ্রাধিকার পাবে তরুণীরা। ১ এপ্রিল থেকে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ২৭টি ব্যাচে ৮১০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। চলবে ২০১৭ সাল পর্যন্ত।
প্রশিক্ষণের বিষয় ও মেয়াদ
বেসিসের সহকারী ব্যবস্থাপক (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন) বদরুদ্দোজা মাহমুদ তুহিন জানান, ১৪টি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও), ডিজিটাল মার্কেটিং, টেকনিক্যাল আইটি সাপোর্ট, কাস্টমার সাপোর্ট অ্যান্ড সার্ভিস ও আইটি সেলস ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ এক মাস। ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (পিএইচপি), ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (ডটনেট), মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, সার্ভার অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ও ক্লাউড ম্যানেজমেন্ট, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ইংলিশ কমিউনিকেশন ও বিজনেস কমিউনিকেশন বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ তিন মাস।
আবেদন ও বাছাই প্রক্রিয়া
বিআইটিএমের ব্যবস্থাপক তালুকদার মোহাম্মদ সাব্বির জানান, আবেদন করতে হবে অনলাইনে। বিআইটিএমের http://bitm.org.bd/seip ওয়েবলিংকে গিয়ে আবেদন করতে হবে। আগ্রহীরা মোট তিনটি বিষয়ে আবেদন করতে পারবে। আবেদন সাবমিট করার পর একটি আইডি বা সিরিয়াল নম্বর আসবে। এটি সংরক্ষণে রাখতে হবে পরবর্তী সব কার্যক্রমের জন্য। আবেদনে দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে ডাকা হবে লিখিত পরীক্ষার জন্য। উত্তীর্ণদের অংশ নিতে হবে মৌখিক পরীক্ষায়। পছন্দক্রমের প্রথমে থাকা বিষয়ে প্রশ্ন করা হবে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায়।
প্রশিক্ষণ পদ্ধতি
তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ও প্রশিক্ষক হিসেবে ন্যুনতম পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে-বিআইটিএমের এমন ১৮ জন প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। আরো কিছু প্রশিক্ষক নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধাসংবলিত আধুনিক কম্পিউটার ল্যাবে নেওয়া হয় তত্ত্বীয় ও ব্যবহারিক ক্লাস।
যোগাযোগ
রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিডিবিএল ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত বিআইটিএম অফিসে গিয়ে জানা যাবে ভর্তিসংক্রান্ত সব তথ্য। ০৯৬১২ ৩৪২৪৮৬ ও ০১১৯১ ০১৫৯৯৮ নম্বরে ফোন করেও জানা যাবে দরকারি তথ্য।
- See more at: http://www.kalerkantho.com/feature/chakriache/2015/07/29/249646#sthash.re73RNcF.dpuf
স্কিল ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের (এসইআইপি) চিফ কো-অর্ডিনেটর নইমুল ইসলাম জানান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের এসইআইপি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এবং বেসিস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিআইটিএম)। এসইআইপি প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি), সুইস উন্নয়ন করপোরেশন সংস্থা ও বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয়ের সহায়তায়। এ প্রকল্পে মোট খরচ হবে প্রায় ৪৬ কোটি টাকা।
খরচ নেই, মিলবে ভাতা
কোনো ফি লাগবে না; উপরন্তু দেওয়া হবে ভাতা। জনপ্রতি মাসে তিন হাজার ১২০ টাকা হারে ভাতা দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ চলাকালে। এ ক্ষেত্রে ন্যুনতম ৮০ শতাংশ ক্লাসে উপস্থিত থাকতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে দেওয়া হবে সনদ। চাকরি বা আত্মকর্মসংস্থানের বিষয়েও সহায়তা করবে বেসিস-বিআইটিএম।
কারা পাবে
বেসিসের কোষাধ্যক্ষ ও বিআইটিএমের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক শাহ ইমরাউল কায়ীশ জানান, বেসিস ও বিআইটিএম তিন বছরে মোট ২৩ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দেবে। প্রথম বছর শুধু ঢাকা বিভাগে পাঁচ হাজারজনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। দ্বিতীয় বছর ৯ হাজারজন এবং তৃতীয় বছরে বাকি ৯ হাজারজন প্রশিক্ষণ পাবে। দ্বিতীয় বছর থেকে সব বিভাগ এর আওতায় আসবে। স্নাতক শেষ অথবা শেষ পর্যায়ে থাকলে আবেদন করা যাবে। অগ্রাধিকার পাবে তরুণীরা। ১ এপ্রিল থেকে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ২৭টি ব্যাচে ৮১০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। চলবে ২০১৭ সাল পর্যন্ত।
প্রশিক্ষণের বিষয় ও মেয়াদ
বেসিসের সহকারী ব্যবস্থাপক (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন) বদরুদ্দোজা মাহমুদ তুহিন জানান, ১৪টি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও), ডিজিটাল মার্কেটিং, টেকনিক্যাল আইটি সাপোর্ট, কাস্টমার সাপোর্ট অ্যান্ড সার্ভিস ও আইটি সেলস ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ এক মাস। ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (পিএইচপি), ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (ডটনেট), মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, সার্ভার অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ও ক্লাউড ম্যানেজমেন্ট, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ইংলিশ কমিউনিকেশন ও বিজনেস কমিউনিকেশন বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ তিন মাস।
আবেদন ও বাছাই প্রক্রিয়া
বিআইটিএমের ব্যবস্থাপক তালুকদার মোহাম্মদ সাব্বির জানান, আবেদন করতে হবে অনলাইনে। বিআইটিএমের http://bitm.org.bd/seip ওয়েবলিংকে গিয়ে আবেদন করতে হবে। আগ্রহীরা মোট তিনটি বিষয়ে আবেদন করতে পারবে। আবেদন সাবমিট করার পর একটি আইডি বা সিরিয়াল নম্বর আসবে। এটি সংরক্ষণে রাখতে হবে পরবর্তী সব কার্যক্রমের জন্য। আবেদনে দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে ডাকা হবে লিখিত পরীক্ষার জন্য। উত্তীর্ণদের অংশ নিতে হবে মৌখিক পরীক্ষায়। পছন্দক্রমের প্রথমে থাকা বিষয়ে প্রশ্ন করা হবে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায়।
প্রশিক্ষণ পদ্ধতি
তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ও প্রশিক্ষক হিসেবে ন্যুনতম পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে-বিআইটিএমের এমন ১৮ জন প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। আরো কিছু প্রশিক্ষক নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধাসংবলিত আধুনিক কম্পিউটার ল্যাবে নেওয়া হয় তত্ত্বীয় ও ব্যবহারিক ক্লাস।
যোগাযোগ
রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিডিবিএল ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত বিআইটিএম অফিসে গিয়ে জানা যাবে ভর্তিসংক্রান্ত সব তথ্য। ০৯৬১২ ৩৪২৪৮৬ ও ০১১৯১ ০১৫৯৯৮ নম্বরে ফোন করেও জানা যাবে দরকারি তথ্য।
- See more at: http://www.kalerkantho.com/feature/chakriache/2015/07/29/249646#sthash.re73RNcF.dpuf
স্কিল ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের (এসইআইপি) চিফ কো-অর্ডিনেটর নইমুল ইসলাম জানান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের এসইআইপি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এবং বেসিস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিআইটিএম)। এসইআইপি প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি), সুইস উন্নয়ন করপোরেশন সংস্থা ও বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয়ের সহায়তায়। এ প্রকল্পে মোট খরচ হবে প্রায় ৪৬ কোটি টাকা।
খরচ নেই, মিলবে ভাতা
কোনো ফি লাগবে না; উপরন্তু দেওয়া হবে ভাতা। জনপ্রতি মাসে তিন হাজার ১২০ টাকা হারে ভাতা দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ চলাকালে। এ ক্ষেত্রে ন্যুনতম ৮০ শতাংশ ক্লাসে উপস্থিত থাকতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে দেওয়া হবে সনদ। চাকরি বা আত্মকর্মসংস্থানের বিষয়েও সহায়তা করবে বেসিস-বিআইটিএম।
কারা পাবে
বেসিসের কোষাধ্যক্ষ ও বিআইটিএমের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক শাহ ইমরাউল কায়ীশ জানান, বেসিস ও বিআইটিএম তিন বছরে মোট ২৩ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দেবে। প্রথম বছর শুধু ঢাকা বিভাগে পাঁচ হাজারজনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। দ্বিতীয় বছর ৯ হাজারজন এবং তৃতীয় বছরে বাকি ৯ হাজারজন প্রশিক্ষণ পাবে। দ্বিতীয় বছর থেকে সব বিভাগ এর আওতায় আসবে। স্নাতক শেষ অথবা শেষ পর্যায়ে থাকলে আবেদন করা যাবে। অগ্রাধিকার পাবে তরুণীরা। ১ এপ্রিল থেকে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ২৭টি ব্যাচে ৮১০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। চলবে ২০১৭ সাল পর্যন্ত।
প্রশিক্ষণের বিষয় ও মেয়াদ
বেসিসের সহকারী ব্যবস্থাপক (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন) বদরুদ্দোজা মাহমুদ তুহিন জানান, ১৪টি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও), ডিজিটাল মার্কেটিং, টেকনিক্যাল আইটি সাপোর্ট, কাস্টমার সাপোর্ট অ্যান্ড সার্ভিস ও আইটি সেলস ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ এক মাস। ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (পিএইচপি), ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (ডটনেট), মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, সার্ভার অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ও ক্লাউড ম্যানেজমেন্ট, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ইংলিশ কমিউনিকেশন ও বিজনেস কমিউনিকেশন বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ তিন মাস।
আবেদন ও বাছাই প্রক্রিয়া
বিআইটিএমের ব্যবস্থাপক তালুকদার মোহাম্মদ সাব্বির জানান, আবেদন করতে হবে অনলাইনে। বিআইটিএমের http://bitm.org.bd/seip ওয়েবলিংকে গিয়ে আবেদন করতে হবে। আগ্রহীরা মোট তিনটি বিষয়ে আবেদন করতে পারবে। আবেদন সাবমিট করার পর একটি আইডি বা সিরিয়াল নম্বর আসবে। এটি সংরক্ষণে রাখতে হবে পরবর্তী সব কার্যক্রমের জন্য। আবেদনে দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে ডাকা হবে লিখিত পরীক্ষার জন্য। উত্তীর্ণদের অংশ নিতে হবে মৌখিক পরীক্ষায়। পছন্দক্রমের প্রথমে থাকা বিষয়ে প্রশ্ন করা হবে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায়।
প্রশিক্ষণ পদ্ধতি
তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ও প্রশিক্ষক হিসেবে ন্যুনতম পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে-বিআইটিএমের এমন ১৮ জন প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। আরো কিছু প্রশিক্ষক নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধাসংবলিত আধুনিক কম্পিউটার ল্যাবে নেওয়া হয় তত্ত্বীয় ও ব্যবহারিক ক্লাস।
যোগাযোগ
রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিডিবিএল ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত বিআইটিএম অফিসে গিয়ে জানা যাবে ভর্তিসংক্রান্ত সব তথ্য। ০৯৬১২ ৩৪২৪৮৬ ও ০১১৯১ ০১৫৯৯৮ নম্বরে ফোন করেও জানা যাবে দরকারি তথ্য।
- See more at: http://www.kalerkantho.com/feature/chakriache/2015/07/29/249646#sthash.re73RNcF.dpuf
স্কিল ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের (এসইআইপি) চিফ কো-অর্ডিনেটর নইমুল ইসলাম জানান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের এসইআইপি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এবং বেসিস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিআইটিএম)। এসইআইপি প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি), সুইস উন্নয়ন করপোরেশন সংস্থা ও বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয়ের সহায়তায়। এ প্রকল্পে মোট খরচ হবে প্রায় ৪৬ কোটি টাকা।
খরচ নেই, মিলবে ভাতা
কোনো ফি লাগবে না; উপরন্তু দেওয়া হবে ভাতা। জনপ্রতি মাসে তিন হাজার ১২০ টাকা হারে ভাতা দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ চলাকালে। এ ক্ষেত্রে ন্যুনতম ৮০ শতাংশ ক্লাসে উপস্থিত থাকতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে দেওয়া হবে সনদ। চাকরি বা আত্মকর্মসংস্থানের বিষয়েও সহায়তা করবে বেসিস-বিআইটিএম।
কারা পাবে
বেসিসের কোষাধ্যক্ষ ও বিআইটিএমের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক শাহ ইমরাউল কায়ীশ জানান, বেসিস ও বিআইটিএম তিন বছরে মোট ২৩ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দেবে। প্রথম বছর শুধু ঢাকা বিভাগে পাঁচ হাজারজনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। দ্বিতীয় বছর ৯ হাজারজন এবং তৃতীয় বছরে বাকি ৯ হাজারজন প্রশিক্ষণ পাবে। দ্বিতীয় বছর থেকে সব বিভাগ এর আওতায় আসবে। স্নাতক শেষ অথবা শেষ পর্যায়ে থাকলে আবেদন করা যাবে। অগ্রাধিকার পাবে তরুণীরা। ১ এপ্রিল থেকে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ২৭টি ব্যাচে ৮১০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। চলবে ২০১৭ সাল পর্যন্ত।
প্রশিক্ষণের বিষয় ও মেয়াদ
বেসিসের সহকারী ব্যবস্থাপক (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন) বদরুদ্দোজা মাহমুদ তুহিন জানান, ১৪টি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও), ডিজিটাল মার্কেটিং, টেকনিক্যাল আইটি সাপোর্ট, কাস্টমার সাপোর্ট অ্যান্ড সার্ভিস ও আইটি সেলস ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ এক মাস। ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (পিএইচপি), ওয়েব ডেভেলপমেন্ট (ডটনেট), মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, সার্ভার অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ও ক্লাউড ম্যানেজমেন্ট, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ইংলিশ কমিউনিকেশন ও বিজনেস কমিউনিকেশন বিষয়ে প্রশিক্ষণের মেয়াদ তিন মাস।
আবেদন ও বাছাই প্রক্রিয়া
বিআইটিএমের ব্যবস্থাপক তালুকদার মোহাম্মদ সাব্বির জানান, আবেদন করতে হবে অনলাইনে। বিআইটিএমের http://bitm.org.bd/seip ওয়েবলিংকে গিয়ে আবেদন করতে হবে। আগ্রহীরা মোট তিনটি বিষয়ে আবেদন করতে পারবে। আবেদন সাবমিট করার পর একটি আইডি বা সিরিয়াল নম্বর আসবে। এটি সংরক্ষণে রাখতে হবে পরবর্তী সব কার্যক্রমের জন্য। আবেদনে দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে ডাকা হবে লিখিত পরীক্ষার জন্য। উত্তীর্ণদের অংশ নিতে হবে মৌখিক পরীক্ষায়। পছন্দক্রমের প্রথমে থাকা বিষয়ে প্রশ্ন করা হবে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায়।
প্রশিক্ষণ পদ্ধতি
তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ও প্রশিক্ষক হিসেবে ন্যুনতম পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে-বিআইটিএমের এমন ১৮ জন প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। আরো কিছু প্রশিক্ষক নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধাসংবলিত আধুনিক কম্পিউটার ল্যাবে নেওয়া হয় তত্ত্বীয় ও ব্যবহারিক ক্লাস।
যোগাযোগ
রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিডিবিএল ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত বিআইটিএম অফিসে গিয়ে জানা যাবে ভর্তিসংক্রান্ত সব তথ্য। ০৯৬১২ ৩৪২৪৮৬ ও ০১১৯১ ০১৫৯৯৮ নম্বরে ফোন করেও জানা যাবে দরকারি তথ্য।
- See more at: http://www.kalerkantho.com/feature/chakriache/2015/07/29/249646#sthash.re73RNcF.dpuf