বন্ধ হতে যাচ্ছে ডিজিটাল অপরাধের প্রধান উৎস্য নিবন্ধনহীন সকল অবৈধ সিম কার্ড
বাজারে অনিবন্ধিত মোবাইল সিমের ছড়াছড়ি। নিবন্ধন না থাকায় এসব সিমের মাধ্যমে ঘটছে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড। এ সব সিমের কোনওটা অবৈধ, কোনওটা ডুপ্লিকেট (ক্লোন সিম), আবার কোনওটা বেনামি। ফলে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সংঘটিত হওয়ার পরে অপরাধীদের চিহ্নিত করা কঠিন হয়ে পড়ে। এ কারণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাজারে থাকা এসব
অবৈধ, ডুপ্লিকেট ও বেনামি সিম কঠোরভাবে বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার ডিজিটাল বাংলাদেশ টাস্কফোর্সের সভায় প্রধানমন্ত্রী টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসিকে এ নির্দেশ দেন। এছাড়া বৈঠকে বিশিষ্ট তথ্যপ্রযুক্তিবিদ মোস্তাফা জব্বারকে টেলিফোন শিল্প সংস্থার (টেশিস) দায়িত্ব দিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
অবৈধ, ডুপ্লিকেট ও বেনামি সিম কঠোরভাবে বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার ডিজিটাল বাংলাদেশ টাস্কফোর্সের সভায় প্রধানমন্ত্রী টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসিকে এ নির্দেশ দেন। এছাড়া বৈঠকে বিশিষ্ট তথ্যপ্রযুক্তিবিদ মোস্তাফা জব্বারকে টেলিফোন শিল্প সংস্থার (টেশিস) দায়িত্ব দিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
এ বিষয়ে তথ্যপ্রযুক্তিবীদ মোস্তফা জব্বার তার ফেসবুক স্টাটাসে বলেছেন, "প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলাম এই বলে যে ডিজিটাল অপরাধের প্রধান উৎস্য নিবন্ধনহীন সিম। বাজারে নিবন্ধনহীন সিম কমদামে সহজে পাওয়া যায়। প্রধানমন্ত্রী নিজে বললেন, তার মোবাইল নাম্বাার নকল করে কেউ তদবির করার জন্য ফোন করে। অথচ বিটিআরসির চেয়ারম্যান মুখে কুলুপ মেরে বসে থাকলেন। তারই দায়িত্ব এই অপকর্ম রোধ করা। তবে আশার কথা সামনের তিন মাসে নিবন্ধনহীন সিম বন্ধ হবে।"
বৃহস্পতিবার রাতে মোস্তাফা জব্বার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, টেশিস সর্বোচ্চ ব্যর্থ একটি প্রতিষ্ঠান। আমার চেষ্টা থাকবে প্রতিষ্ঠানটিকে টেনে তোলা এবং তাতে প্রাণ দেওয়া। তিনি আরও বলেন, দোয়েল ল্যাপটপ প্রকল্প ব্যর্থ হয়েছে তার মানে এই নয় যে, আমরা আর কোনও কিছু বানাতে পারব না। আমরা টেশিস থেকে ডিজিটাল ডিভাইস তৈরি করে প্রমাণ করতে চাই, আমরাও ডিজিটাল ডিভাইস তৈরি করতে পারি।
মোস্তাফা জব্বার জানান, দেশে চার কোটি শিক্ষার্থী রয়েছে। ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছিলেন যেহেতু প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন শিক্ষার্থীদের হাতে ডিজিটাল ডিভাইস তুলে দেওয়া তাহলে কি তা বিদেশ থেকে আমদানি করে দেওয়া হবে? এটা করা হলে তাতে দেশেরই দুর্বলতা প্রকাশ পাবে। এ কথা প্রধানমন্ত্রীকে ডিজিটাল বাংলাদেশ টাস্কফোর্সের দ্বিতীয় বৈঠকে আবারও মনে করিয়ে দেওয়া হলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'এ দায়িত্ব মোস্তাফা জব্বারের।'
মোস্তাফা জব্বার বাংলা ট্রিবিউনকে আরও বলেন, ডিজিটাল ডিভাইসের বড় একটি বাজার আমাদের দেশেই রয়েছে। শিক্ষার্থীদের জন্য এরকম কিছু বানানো হলে তা শিক্ষার্থীদের হাতে হাতে ফিরবে। এই বড় বাজারকে কেন আমরা টার্গেট করছি না। তিনি বলেন, দায়িত্ব পেলে আমি প্রথমেই এইদিকে নজর দিতে চাই। (বাংলা ট্রিবিউন)

