আপনি যখন আপনার কোন নতুন কাজের জন্য ইন্টারভিউ দিতে যান তখন আপনাকে অনেক ধরনের প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা হয় যদি আপনার প্রশ্নগুলোর সঠিক হয় তবে আপনি কাজটি পাবেন কিন্তু মাঝে মাঝে দেখা যায় আপনার সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়া শর্ত আপনাকেরিজেক্ট করা হয় এর কারন কি এর কারণ একটা আপনার শরীরের ভাবভঙ্গি তাদের ভালো লাগেনি আপনার যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও আপনি সেই কাজটি করতে পারেন না চলুন।
একটা চাকরির ইন্টারভিউতে উত্তীর্ণ হতে হলে এই ৭টি টিপস খুবই জরুরী।
১. আপনার শব্দ গুছিয়ে বলা বা কথা গুছিয়ে বলা। আপনি কথা কতটা বুঝিয়ে বা সুন্দর করে বলতে পারেন সেটার উপর আপনার নাম্বার ধরা হবে। তাই কোন চাকরির ইন্টারভিউতে গেলে সর্বপ্রথম আপনাকে গুছিয়ে কথা বলতে হবে যাতে যারা আপনার পরীক্ষা নিচ্ছে তারা ইমপ্রেস হয়ে যায়।
২. আপনার দেহভঙ্গির ঠিক রাখতে হবে। কেননা অধিকাংশ মানুষই এই ভুলটা করে থাকে। আপনি প্রথমে রুমে যান তারপর তাদেরকে সম্মান জানান এবং তারা বসতে বললে বসুন না হলে দাঁড়িয়ে থাকুন যতক্ষণ না তারা বসতে বলছে আপনি দাঁড়িয়ে থাকুন বসতে বললে সোজা হয়ে বসুন এবং হাত দুটো একসাথে রাখুন।
৩. যতক্ষণ ইন্টারভিউ চলছে আপনি শান্ত থাকুন নার্ভাস একদমই হবেন না।হলে আপনার ক্ষতি কারণ নার্ভাস হওয়াটা অযোগ্য বলে বিবেচিত করা হয়ে থাকে।এবং অবশ্যই ভদ্রভাবে যাওয়া যেমনঃশার্টের টপ বাটন বা উপরের বোতাম লাগিয়ে যাওয়া। শার্ট ইন করে পড়া। বড় বড় শ্বাস নিন কারণ এর জন্য আপনি শান্ত থাকতে পারবেন। আপনার ইন্টারভিউ রুমে শান্ত থাকাটা খুবই জরুরী। আপনি কথা বলার সাথে সাথে আপনি আপনার ডান হাতটা ব্যবহার করুন। এতে যারা আপনার ইন্টারভিউ নিবে তারা ইমপ্রেস হবে। কিন্তু এমন ভাব ভঙ্গি তাদের দেখাবেন না যাতে তারা মনে করে আপনি এই চাকরির জন্য প্রস্তুত নন।
৪. আপনি আপনার মুখের ভাব ভাল রাখবেন। মুখের ভাবে কনফিডেন্স রাখবেন। যাতে তারা দেখলেই বুঝতে পারে আপনি এই কাজের জন্য পারফেক্ট। আপনার যদি মুখে ব্যাড ইম্প্রেশন দেওয়ার অভ্যাস থাকে তাহলে সেটা এখনই পরিত্যাগ করুন। কেননা এই একটা বদ অভ্যাস এর জন্য আপনার চাকরিটা নাও হতে পারে। এটাই মনে রাখতে হবে যে আপনি এখন ইন্টারভিউ রুমে আছেন। তো এখানে কোন বিরক্তকর ভাব করা যাবেনা। তাই এগুলো থেকে বিরত থাকতে হবে। আপনার মুখের পাশাপাশি আপনার হাত কথার পয়েন্ট ধরে নাড়াতে হবে। এতে বোঝা যাবে যে আপনার খুব কনফিডেন্স আছে।
৫. আপনাকে কথা বলতে বলা হলে আপনি খুব জোরে কথা বলবেন না বা খুব আসতেও কথা বলবেন না। এতে বুঝা যায় আপনি নার্ভাস হয়ে আছেন। তাই আপনাকে কথা ধিরে বুঝিয়ে বলতে হবে। যাতে কথাটা তারা বুঝতে পারে। কথাগুলো খুব পরিষ্কার স্পষ্ট করে বলতে হবে।কথা বলার সময় তাদের চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলতে হবে এতে তারা বুঝতে পারবে যে প্রশ্নের উত্তর দিতে আপনার কোন সমস্যা হচ্ছে না। আপনি সবার দিকে তাকিয়ে কথা বলবেন কিন্তু যে আপনাকে প্রশ্নটা করেছে তার দিকে তাকিয়ে আপনি উত্তর দেবেন। এতে তারা খুশি হবে।
৬. আপনাকে মিথ্যা বলা বাদ দিতে হবে। আপনার যারা ইন্টারভিউ নেবে তাদের সামনে বসে মিথ্যা কথা মিথ্যা কথা বলে তাদের সিগন্যাল দেওয়া আপনাকে বন্ধ করতে হবে। কেননা আপনি মিথ্যা কথা বলছেন এটা তারা বুঝতে পারলে সাথে সাথে আপনাকে রিজেক্ট করে দেবে। মিথ্যা কথার সিগন্যাল বলতে বলা হয়েছে যে মিথ্যা কথা বলার সময় যদি আপনি আপনার আঙ্গুল দিয়ে আপনার মুখ টাচ করেন বা নাক টাচ করেন বা কান ধরেন ইত্যাদিকে সাধারণত মিথ্যা বলার সিগন্যাল হিসেবে ধরা হয়। যদি আপনার এরকম কোন অভ্যাস থাকলে তা এখনি ত্যাগ করুন।
৭. ইন্টারভিউ শেষ হলে তাদের সাথে একটা পারফেক্ট হ্যান্ডশেক করবেন। এতে তারা বুঝতে পারবে আপনি একজন ভদ্র মানুষ। আপনি পারফেক্ট হ্যান্ডশেক করতে হলে প্রথমে আপনি তার হাত ধরে এবং ২ সেকেন্ড শেক করুন এবং একটা মুচকি হাসি দিন ও থ্যাঙ্ক ইউ স্যার বলে বেরিয়ে আসুন।
এই ছিল ইন্টারভিউতে সফল হওয়ার জন্য ৭টি দারুন টিপস। এই কাজগুলো সঠিকভাবে করলে আপনি ইন্টারভিউতে সফল হবেন ইনশাআল্লাহ।

0 komentar
Post a Comment