আপনি যদি কোন ইন্টারভিউ দিতে যান তো আপনার মাথায় প্রথমেই অন আসবে আমি কি এই চাকরিটা পাব, আমার ভাগ্য ভালো না আমি কিভাবে চাকরিটা পাব। এগুলো সব নেগেটিভ ভাবনা যা আপনার সফল হওয়ার পথে সব থেকে বড় বাধা। যার জন্য আপনি কোন জব ইন্টারভিউ তে উত্তীর্ণ হতে পারেন না।তো সর্বপ্রথম আপনার কাজ হবে এই নেগেটিভ ভাবনা গুলোকে না ভাবা এগুলোকে বর্জন করা। তবে আপনি জীবনে সফল হতে পারবেন।
আপনাকে আপনার নেগেটিভ চিন্তাভাবনা বাদ দিয়ে সব সময় পজিটিভ চিন্তা-ভাবনা করতে হবে। আপনার যদি চাকরিটা নাও হয় আপনি নিরাশ হবেন না। আপনি সব সময় পজিটিভ চিন্তাভাবনা করবেন। আপনাকে সব সময় পুরো কনফিডেন্স নিয়ে থাকতে হবে যে আমি যে কোন কিছুর বিনিময় এই চাকরিতে হাসিল করব। এইরকম চিন্তাভাবনার দরকার পড়ে আমাদের।
এই সবকিছুর থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো নিজের উপর বিশ্বাস।আপনাকে সর্বপ্রথম আত্মনির্ভরশীল মানুষ হতে হবে। আপনার যদি নিজের উপর বিশ্বাস না থাকে তাহলে আপনি কোন কাজ সম্পূর্ণ করতে পারবেন না।
যখন আপনি আপনার চাকরি নিয়ে স্বপ্ন দেখা শুরু করবেন যে আপনি চাকরি করে বাড়ি করবেন গাড়ি করবেন তখনই আপনার মনে শুরু হবে ভয় মনে হয় যদি আমার বাড়ি করতে না পারি আমি গাড়ি কিনতে না পারি। তো আমাদের ভিতরে এই ডর বা ভয় কে আমাদের মন থেকে দূর করতে হবে। তাহলে আপনি হতে পারবেন সফল একজন মানুষ।
আপনাকে একটা ভাবলে চলবে না আপনি কোম্পানি থেকে কি আনতে পারবেন আপনাকে এটা ভাবতে হবে যে আপনি কোম্পানিকে কি দিতে পারবেন। আপনি ওই কোম্পানিতে যাবেন চাকরি করতে নয় স্টাডি করতে। যাতে আপনি কিছু শিখতে পারেন। এতে আপনার লাভ কোম্পানির ও লাভ। আপনি ইন্টারভিউ দেওয়ার আগে যে কোম্পানিতে ইন্টারভিউ দিতে যাচ্ছেন সেই কোম্পানি আগে ভালোভাবে জানুন আপনার দ্বারা যতটুকু সম্ভব আপনি ওই কোম্পানি সম্পর্কে জানুন তাতে যেমন আপনার কনফিডেন্স বাড়বে তেমনি আপনার চাকরি হবার সম্ভাবনাটাও বাড়বে। আপনি ইন্টারভিউ দিতে যখন রুমে প্রবেশ করবেন তখন শুধু ভাববেন আমার দ্বারা যতটুকু সম্ভব আমি করেছি এখন যদি আমাকে তারা চাকরি দেন তাহলে ভাল আর যদি রিজেক্ট করে দেন তাহলে তাদের কোম্পানির ক্ষতি।আর কনফিডেন্স রাখবেন আপনি অন্যদের থেকে আলাদা ভাবুন তবেই আপনি সফলতা পাবেন।
আপনাকে মিথ্যা বাদ দিতে হবে ও সৎ হতে হবে কেননা একটা কোম্পানির মূলমন্ত্র হলো সৎ হওয়া। আপনি যদি এই ইন্টারভিউ হলে গিয়ে মিথ্যা বলেন তাহলে আপনি রিজেক্ট তো হবে নি তার সাথে আপনি আপনার কনফিডেন্স হারিয়ে ফেলবেন।তাতে আপনারই ক্ষতি বেশি হবে। আপনি যদি সৎ হয়ে থাকেন তো সেটা আপনার বলার দরকার হবে না তারাই আপনাকে সৎ মানুষ হিসেবে চিনে নেবে।
আপনাকে কথা বলতে বলা হলে আপনি সাজিয়ে সুন্দরভাবে কথা বলবেন। আপনার কথায় যেন তারা ইমপ্রেস হয়ে যায়। কথা বলার সময় তাদের দিক তাকিয়ে কথা বলবেন যেন তারা বুঝতে পারে আপনি একজন জেন্টেলমেন। সব থেকে বড় কথা হল আপনাকে আপনার মুখের ভাব-ভঙ্গি পাল্টাতে হবে যাতে বুঝা যায় আপনার খুব কনফিডেন্স আছে। আপনি ইন্টারভিউ রুমে বসে কোন অপ্রত্যাশিত কাজ করবেন না যাতে আপনার প্রতি যারা ইন্টারভিউ নিবে তারা অসন্তুষ্ট হয়ে পড়ে। আপনাকে শান্ত থাকতে হবে অন্ততপক্ষে ততক্ষণ যতক্ষণ আপনি ইন্টারভিউ রুমে থাকবেন।
আপনি ইন্টারভিউ রুমে গিয়ে একদম শান্ত থাকুন নার্ভাস হবেন না যদি নাভাস হন তাহলে তারা মনে করবে আপনি এখনও প্রস্তুত নন যার কারণে আপনাকে তারা রিজেক্ট ও করে দিতে পারে তাই শান্ত থাকুন।
আপনি কথার সাথে সাথে আপনার অবশ্যই ডান হাতটা ব্যবহার করুন।কারন সব প্রশ্নের উত্তর জানলে যে চাকরিটা পাওয়া যাবে, এমন না প্রশ্নের সাথে সাথে তার আপনার অঙ্গ-ভঙ্গির দিকেও তারা খেয়াল রাখবে। তাই কথার পয়েন্টে পয়েন্টে নিজের হাত ব্যবহার করে তাদের বুঝান যে আপনি কি বলতে চাইছেন। আর ইন্টারভিউ রুম এমন কোন কাজ আপনি করবেন না যে যারা আপনার ইন্টারভিউ নিচ্ছে তারা সবাই বিরক্ত হয়ে যায়।
এই ছিল ইন্টারভিউ সেরা কিছু টিপস।আশা করি এই টিপসগুলো মাথায় রেখে ইন্টারভিউ দিলে আপনি চাকরিতে সফল হবেন। ইনশাআল্লাহ।

0 komentar
Post a Comment